বোলারদের দুষলেন মুশফিক, বললেন আকবরের উইকেট ছিল গুরুত্বপূর্ণ

বোলারদের দুষলেন মুশফিক, বললেন আকবরের উইকেট ছিল গুরুত্বপূর্ণ

শেখ মেহেদী হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে ২ রানের জয় পায় মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। কাগজে-কলমে খুব একটা শক্তিশালী দল না হয়েও রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে জয় পাওয়া রাজশাহীর মেহেদীকে কৃতিত্ব দিলেন বেক্সিমকো ঢাকা অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

নিজেদের হারের জন্য বোলারদের ঠিকঠাক শেষ করতে না পারাকে কারণ হিসেবে দুষলেও নিজেদের ব্যাটিং ইনিংসে আকবর আলির উইকেট হারানোকে মানছেন গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে।

মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর দেওয়া দেওয়া ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় পথেই ছিল বেক্সিমকো ঢাকা। আকবর আলির সাথে ৭১ রানের জুটিতে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। ৩৪ রান করা আকবর আলির বিদায়ের পরই লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয় বেক্সিমকো ঢাকা। কিন্তু শেষদিকে মুক্তার আলির ব্যাটে আবারও আশা জাগে বেক্সিমকো ঢাকার।

শেষ ওভারে মাত্র ৯ রান দরকার হলেও ব্যাত হাতে দলের বিপর্যয়ে ঝড়ো ফিফটি তুলে নেওয়া শেখ মেহেদী হাসানের করা ওভার থেকে ৬ রানের বেশি নিতে পারেনি বেক্সিমকো ঢাকা। ২ রানে হারের পর ম্যাচ শেষে বেক্সিমকো ঢাকা অধিনায়ক মুশফিক প্রশংসায় ভাসিয়েছেন এই অলরাউন্ডারকে।

ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুশফিক বলেন, ‘প্রথমত রাজশাহী ও মেহেদীকে অভিনন্দন। তারা যেভাবে খেলেছে। যেটা আপনি বললেন এটা প্রথম ম্যাচ। এখানে ক্রিকেটারদের নার্ভ থাকবে।’

তবে ৬৫ রানে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর ৫ উইকেট তুলে নিয়েও শেষদিকে তা ধরে রাখতে পারেনি বেক্সিমকো ঢাকার বোলাররা। শেখ মেহদী হাসানের ফিফটির সাথে নুরুল হাসান সহানের ৩৯ রানে ১৬৯ রানের পুঁজি পায় মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী।

নিজেদের হারের জন্য বোলিংয়ে ঠিকঠাক শেষ করতে না পারাকেও দুষলেন মুশফিক, ‘আমার মনে হয় আমরা বোলিংয়ে খুব ভালো করতে পারিনি। আমার মনে হয় আমরা শুরুটা ভালো করিনি আবার মাঝখানে ভালো করেছি এরপর আবার শেষদিকে সোহান ও মেহেদী ভালো ব্যাটিং করেছে । আমার মনে হয় আমাদের বোলাররা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করতে পারেনি।’

তবে উইকেট বিবেচনায় এই লক্ষ্যও সহজ ছিল বলে মনে করেন বেক্সিমকো ঢাকা অধিনায়ক। আকবর আলির উইকেট হারানোকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মুশফিক যোগ করেন, ‘আমার মনে হয় ‌১৭০ তাড়া করার মতো রান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের বোলাররা ঠিকভাবে শেষ করতে পারেনি। আমি, আকবর, তামিম,নাইম সবাই সেট হয়েছিল কিন্তু আপনার শুরুটাকে বড় করতে হবে। ৬০-৭০ রান করতে পারলে কেউ। ম্যাচ আমাদের হাতে থাকতো।’

‘আপনি যদি দেখেন মাঝখানে আমাদের ওভারে ৯-১০ রান করে লাগতো। আমার মনে হয় আকবরের উইকেটটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ নতুন ব্যাটসম্যানের জন্য কঠিন ছিল শেষদিকে। কারণ আপনি আশা করতে পারেন না কোনো ব্যাটসম্যান এসেই তিন ছক্কা হাঁকাবে।’

শেষদিকে কঠিন হওয়া ম্যাচ প্রায় নিজেদের দিকে নিয়ে আসার কৃতিত্ব পেয়েছেন মুক্তার আলি। বেক্সিমকো ঢাকা অধিনায়ক বলেন, ‘কৃতিত্বটা মুক্তারের সে শেষ ওভার ছাড়া খুব ভালো ব্যাট করেছে। আশা করি আমরা এই ম্যাচ থেকে শিখতে পারবো। এটাই খেলার সৌন্দর্য। আপনার ভুল থেকে শিখতে হবে এবং পরের ম্যাচে আরও ভালোভাবে ফিরে আসতে হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

জেতা ম্যাচ থেকেও শিক্ষা নিচ্ছেন শান্ত

Read Next

দর্শকদের জন্য খারাপ লাগা কাজ করছে বিসিবির

Total
25
Share