চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপে চোখ মুশফিকের

চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপে চোখ মুশফিকের

শিরোপা জয়ের আক্ষেপ মুশফিকুর রহিমের বেশ দীর্ঘদিনের। জাতীয় দলের হয়ে কোন বড় টুর্নামেন্ট কিংবা ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টেও শিরোপাজয়ী দলের পাশে নেই তার নাম। তবে সর্বশেষ দুইটি টুর্নামেন্টে (বিপিএল ও বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ) দলকে নিয়ে গেছেন ফাইনালে যা আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে তাকে দিচ্ছে বাড়তি আত্মবিশ্বাস।

তার নেতৃত্বাধীন বেক্সিমকো ঢাকাতে আছে যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। বয়সভিত্তিক পর্যায় হলেও বিশ্বকাপ জয়ের মত চাপ সামলানো তানজিদ হাসান তামিম, আকবর আলি, শাহাদাত হোসেন দিপুদের নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত মুশফিক।

আগামীকাল (২৪ নভেম্বর) উদ্বোধনী ম্যাচেই বেক্সিমকো ঢাকা মোকাবেলা করবে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীকে। মুশফিকের বেক্সিমকো ঢাকায় অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সংখ্যা কম হলেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তরুণদের নিয়ে স্বপ্নটা শিরোপা জয়।

মুশফিকুর রহিম, সাব্বির রহমান, রুবেল হোসেন, আবু হায়দার রনিদের বাইরে দলটিতে বেশিরভাগই সদ্য জাতীয় দলে নাম লেখানো কিংবা জাতীয় দলের অপেক্ষায় থাকা তরুণ ক্রিকেটার। যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের তিন সদস্য আকবর আলি, শাহাদাত হোসেন দিপু, তানজিদ হাসান তামিমকে আলাদা করে গুরুত্ব দিচ্ছেন অধিনায়ক মুশফিক।

ম্যাচ পূর্ববর্তী দিন আজ (২৩ নভেম্বর) মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটা এমন একটা ফরম্যাট যেখানে আসলে রেজাল্ট কখনো গ্যারান্টেড না। হ্যাঁ অবশ্যই টি-টোয়েন্টিতে অভিজ্ঞতা কাজে লাগে। একই সঙ্গে দুইটা বা তিনটা প্লেয়ার ভালো খেললে ওই দিন যেকোনো সময় আপনি জিতে যেতে পারবেন। টেস্ট ওয়ানডে আলাদা। এখানে যেটা বলছেন যে অনভিজ্ঞ বা তরুণ ।’

‘অনভিজ্ঞ বা তরুণ হতে পারে কিন্তু তারা অনেক পরিণত। আমি শেষ ১৫-১৬ বছর খেলেছি একটা বিশ্বকাপও জিততে পারিনি। আমাদের দলে তেমন তিন-চারজন প্লেয়ার আছে ওই টিমের। ওয়ার্ল্ড কাপ জেতার চেয়ে তো বড় চাপের কিছু হতে পারে না। আমি মনে করি ওই রকম মেন্টালিটি বা ম্যাচিউরড প্লেয়ার আছে। তারা যদি নিজেদের মেলে ধরতে পারে আর আমরা সিনিয়র যারা আছি তাদের সাপোর্ট দিতে পারি তাহলে ইন শা আল্লাহ ভালো একটা টুর্নামেন্ট কাটবে।’

এদিকে নিজের শিরোপা খরা ঘুচানো প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা জানাতে গিয়ে মুশফিক যোগ করেন, ‘দেখেন প্রত্যেক টুর্নামেন্টে একটা সুযোগ থাকে। লাস্ট দুইটা টুর্নামেন্ট যেটা খেলেছি বিপিএল এবং প্রেসিডেন্টস কাপে হয়তো একটা হার্ডেলের কারণে পারি নাই। একই সঙ্গে আমার মনে হয় এটা একটা ধারাবাহিকতা যে আমি যে দুইটা টুর্নামেন্টে খেলেছি দুইটাই ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পেরেছি।’

‘আশা থাকবে এবার যেন আমাদের প্রথম লক্ষ্য থাকবে প্রথমে টপ ফোরে যাতে যেতে পারি। অবশ্যই তারপর যাতে ফাইনালটা খেলতে পারি। এরপর যেটা বললেন আল্টিমেটলি লক্ষ্য তো হচ্ছে চ্যাম্পিয়নশিপ। সেদিকেই আমাদের লক্ষ্য আছে। আশা করছি শুরুটা যাতে ভালো করতে পারি।’

বিদেশে ক্রিকেটার না থাকাটাকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বেক্সিমকো ঢাকার অধিনায়ক, ‘সহায়ক তো অবশ্যই। আপনি যদি খেয়াল করে দেখেন স্থানীয় খেলোয়াড়দের কিন্তু প্রায় কম বেশি সবারই জানি। নির্দিষ্ট দিনে কি প্রয়োগ করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় যারা কম ভুল করবে এবং মাঠে প্রয়োগটা ভালো করবে, তারাই সবচেয়ে রেজাল্ট ভালো করবে। আমি মনে করি সেদিক থেকে আমাদের ভারসাম্যও খুব ভালো আছে। আমাদের এখন মাঠের কাজটা মাঠে করতে হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সুর বদলে ফেললেন তামিম ইকবাল

Read Next

শক্তির প্রমাণ মাঠে দিতে চান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

Total
20
Share