চেন্নাইকে নাস্তানাবুদ করে হারাল মুম্বাই

চেন্নাইকে নাস্তানাবুদ করে হারাল মুম্বাই
Vinkmag ad

আইপিএলের সবচেয়ে সফল দুইটি দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বাই চারবার এবং চেন্নাই তিনবারের চ্যাম্পিয়ন। এদের দ্বৈরথটা অনেকে ফুটবলের এল ক্ল্যাসিকোর সঙ্গে তুলনা করে। এবারের আইপিএলে প্রথমবারের দেখায় চেন্নাই জিতলেও দ্বিতীয়বারের সাক্ষাতে মুম্বাই জয়লাভ করেছে, বলা চলে মুম্বাইয়ের কাছে পাত্তাই পায়নি চেন্নাই।

প্রথমে আইপিএলে ট্রেন্ট বোল্টের সেরা পারফরম্যান্স, পরে ইশান কিশানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে চেন্নাইকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারায় মুম্বাই। বিফলে যায় স্যাম কারেনের লড়াকু ফিফটি।

শারজাহর ছোট গ্রাউন্ডে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেন রোহিত শর্মার বদলে মুম্বাইয়ের অধিনায়ক হয়ে আসা কাইরন পোলার্ড। শুরু থেকে চেন্নাই শিবিরে ধ্বংসযজ্ঞ চালান ট্রেন্ট বোল্ট ও জাসপ্রীত বুমরাহ। ১ম ওভারেই চেন্নাইয়ের ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াডকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বোল্ট। ২য় ওভারে চতুর্থ বলে আম্বাতি রায়ডুকে বাউন্সারে পরাস্ত করেন বুমরাহ। পরের বলে এন জাগাদিসানকে বিদায় করেন তিনি।

৩য় ওভারে বোল্টের বলে ফাফ ডু প্লেসিস উইকেটের পেছনে স্বদেশী কুইন্টন ডি ককের গ্লাভস বন্দী হলে মাত্র ৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে চেন্নাই সুপার কিংস। রবীন্দ্র জাদেজা ও অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনিকেও পাওয়ারপ্লের মধ্যে সাজঘরে ফেরান বোল্ট এবং রাহুল চাহার। ৩০ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর যখন আইপিএলের সর্বনিম্ন স্কোর গড়ে অলআউট হওয়ার সম্ভাবনা জাগে, তখন দলের হাল ধরেন চেন্নাইয়ের ইংলিশ রিক্রুট স্যাম কারেন।

একপ্রান্ত আগলে ধরে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন কারেন। শার্দুল ঠাকুরের সাথে ২৮ রানের জুটির পর ইমরান তাহিরের সাথে ৪৩ রানের জুটি গড়ে চেন্নাইকে ১০০ রানের কোটা পার করান, নিজেও তুলে নেন আইপিএলে নিজের ২য় ও চেন্নাইয়ের হয়ে ১ম অর্ধশতরান। ইনিংসের শেষ বলে বোল্টের কাছে পরাভূত হওয়ার আগে ৫২ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন স্যাম কারেন। চেন্নাই শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে।

 

View this post on Instagram

 

⚡ #CSKvMI #Dream11IPL #IPL2020

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

বোল্ট ৪টি এবং বুমরাহ ও রাহুল চাহার ২টি করে উইকেট নেন।

১১৫ রানের সহজ লক্ষ্যে মুম্বাই ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকে মারমুখী ব্যাটিং শুরু করেন মুম্বাইয়ের দুই ওপেনার ইশান কিশান ও কুইন্টন ডি কক। বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন কিশান। রোহিতের বদলে ওপেনিংয়ে নেমে নিজের জাত আরেকবার চেনালেন তিনি।

চেন্নাইয়ের কোন বোলারকে পাত্তা না দিয়ে সপাটে ব্যাটিং করে দ্রুত সময়ে তুলে নেন ফিফটি। যোগ্য সহায়তা দেন অপর প্রান্তে থাকে ডি কক। দুইজন অবিচ্ছিন্ন থেকে ৪৬ বল হাতে রেখে প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে নেন। কিশান ৬টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে মাত্র ৩৭ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে ডি কক সমান ৩৭ বল খেলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কার সহায়তায় ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

ম্যাচ জয়ী বোলিং পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচ সেরা হন মুম্বাইয়ের ট্রেন্ট বোল্ট।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

চেন্নাই সুপার কিংসঃ ১১৪/৯ (২০ ওভার), স্যাম কারেন ৫২, ধোনি ১৬; বোল্ট ৪/১৮, রাহুল চাহার ২/২২

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সঃ ১১৬/০ (১২.২ ওভার), ইশান কিশান ৬৮*, ডি কক ৪৬*

ফলাফলঃ মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১০ উইকেটে জয়ী

ম্যাচ সেরাঃ ট্রেন্ট বোল্ট (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স)।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

অধিনায়কত্ব হারাচ্ছেন আজহার আলি!

Read Next

অক্রিকেটীয় কারণে বদলে গেল পাকিস্তান-জিম্বাবুয়ে সিরিজের ভেন্যু

Total
5
Share