‘জানুয়ারির আগে ডিপিএল শুরু করা সম্ভব না’

খালেদ মাহমুদ সুজন
Vinkmag ad

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের শুরুর দিনে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) এর স্থগিত থাকা আসর মাঠে গড়ানো সম্ভব। দেখিয়ে দিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজনকে, বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ আজ জানালেন ডিপিএল আয়োজনের রূপরেখা নিয়ে এগোচ্ছে বিসিবি। তবে এবছর আর মাঠে গড়াচ্ছে না ডিপিএল।

ডিপিএল আয়োজনের জন্য খালেদ মাহমুদ সুজনকে আলাদা ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সুজন। তবে তার কাছ থেকে ইনপুট নিচ্ছে সিসিডিএম।

গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে সুজন বলেন, ‘আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন কথাটা ঠিক না। সিসিডিএম চেয়ারম্যান তো আছেনই, অন্যরাও আছেন। অবশ্য উনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন যদি আমরা করতে চাই কোথায় করতে পারি, কীভাবে করতে পারি, প্রোটোকলগুলো আমরা মেইনটেইন করতে পারবো কীনা?’

‘জিনিসটা আসলে জটিল, খুব কঠিন। এখানে মাত্র ৩ টা দল বায়ো বাবলে থেকে খেলছে, পরবর্তীতে আমরা ৫-৬ টা দল নিয়ে একটা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট করতে যাচ্ছি। তারপর প্রিমিয়ার লিগ, আপনি দেখেন ওখানে ১২ টি দল। যদি প্রতিটি দলে ১৫ জন করে প্লেয়ার, কোচ, ম্যানেজমেন্ট সহ ধরি অন্তত ২০ জন। যেখানে প্রায় ২৭০ জনের মত লোককে একসাথে আবাসনের ব্যবস্থা করার মত জায়গা কোথায় আছে এটা একটা বড় প্রশ্ন আমাদের জন্য।’

‘এটা নিয়ে কাজ করছি, বিকেএসপির সাথে কথা বলছি, ওখানে কতজনকে আমরা ব্যবস্থা করতে পারি। এটাই আমরা চেষ্টা করছি, কোথায় করতে পারি, বায়ো-বাবলের ব্যাপার আছে। আমরা যদি সিঙ্গেল লিগও করি আরও ১০ টা করে ম্যাচ বাকি আছে, কতটা সময় লাগবে। সবকিছুই আসলে ম্যাটার করে, আর ক্লাবগুলো যেহেতু একটা বড় স্টেক হোল্ডার সিসিডিএম যতক্ষণ পর্যন্ত ক্লাবগুলোর সাথে না বসে, তাদের একটা সিদ্ধান্তও জরুরী।’

‘এটুক শুধু আমি বলতে পারি, আমরা বিসিবি পজিটিভ। প্রেসিডেন্ট স্যারও পজিটিভ যে আমরা যদি প্রিমিয়ার লিগটা শুরু করতে পারি। তবে সবকিছু সমন্বয় করে কবে নাগাদ আমরা করতে পারি এটা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আসলে চেষ্টা করছি, সিসিডিএমের মিটিং টা আগে জরুরী। তারপর যদি বোর্ড বলে খেলতেই হবে, আসলে প্রত্যেকটা ক্লাবেরই একটা মতামত প্রয়োজন কবে নাগাদ শুরু করতে চাই। এটা বলার আগেও আমাদের নিজস্ব একটা মিটিং করতে হবে, কবে নাগাদ শুরু করবো।’

‘কারণ ক্লাবগুলোকে আমাদের বলতে হবে কোথায় করবো। আমরা সেটা নিয়ে কাজ করছি কিন্তু বলবো না যে সেভাবে লক্ষ্যে পৌঁছেছি। কক্সবাজারও আমাদের মাথায় ছিল যেহেতু সেখানে দুটো মাঠ আছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ছেলেদের সুরক্ষিত করা। এতগুলো মানূষ, আল্লাহ না করুক একজন আক্রান্ত হলে সেখান থেকে যদি ছড়ায়, একটা দলের যদি ৭-৮ জনের হয় তবে ঐ পুরো দলের জন্যই খেলা কঠিন হয়ে যাবে। কারণ বেস্ট প্লেয়াররাই অংশ নিবে ওখানে।’

‘সবই আসলে আলোচনা চলছে, প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। কিন্তু আমরা সামনে তাকিয়ে, আমরা ইতিবাচক। আমরা চাই লিগ মাঠে গড়াক। অনেকগুলো ছেলের আর্থিক বিষয় জড়িয়ে আছে। কারণ এটা দিয়েই তাদের পরিবার চলে, সবকিছু চালাতে হয়। এছাড়া আমাদের প্রায় সব লিগই কমপ্লিট ছিল ঢাকা লিগ ছাড়া, এটা হলেই সব কমপ্লিট হয়ে যেত। তো এখন বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপটা শেষ হোক, এরপর টি-টোয়েন্টি লিগটা হলেই এর প্রভাব বোঝা যাবে, আমরা কতটুকু সিকিউরড করতে পারি। ১২০ জনের মত ক্রিকেটার নিয়ে কাজ করবো। এখানে কাজ করে দেখি, এরপর আমাদের আলোচনা চলছে মাথায় আছে।’

খালেদ মাহমুদ সুজনকে জিজ্ঞাসা করা হয় এবছর আর ডিপিএল আয়োজন করা সম্ভব কিনা।

উত্তরে সুজন বলেন, ‘এ বছর তো আসলে সম্ভব না। আমরা শুরু করলে জানুয়ারিতে করতে পারি। কারণ টি-টোয়েন্টি লিগটা নিয়ে আমরা অলরেডি কমিটেড। এটা নভেম্বরে শুরু করলে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শেষ হবে। সে পর্যন্ততো আগে যাই আমরা তার পরে ক্লাবগুলোকে ট্রেনিং করার সুযোগের ব্যবস্থা করতে হবে। তাদের খেলোয়াড়দের একত্রিত করতে হবে। সে হিসেবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ বা ১০ তারিখের আগে মনে হয়না সম্ভব হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ফাইনালের আশা টিকে রইল মাহমুদউল্লাহ একাদশের

Read Next

নেই মালিক-সরফরাজ, নতুন মুখ আব্দুল্লাহ শফিক

Total
7
Share