মুস্তাফিজ-সাইফউদ্দিনের কাছে শরিফুলের অনেক জিজ্ঞাসা

শরিফুলের ৪ উইকেট
Vinkmag ad

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের আগামীকালের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে তামিম একাদশ ও মাহমুদউল্লাহ একাদশ। তিন ম্যাচে এক জয় মাহমুদউল্লাহ একাদশের, দুই ম্যাচে তামিম একাদশেরও জয় একটি। ফাইনালের পথ মসৃণ করতে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই মাহমুদউল্লাহ একাদশের, হারলেও তামিমদের থাকবে আরও একটি সুযোগ। এমন সমীকরণে দাঁড়িয়েও ফাইনালের আগেই এই ম্যাচকে ফাইনাল হিসেবে দেখছেন তামিম একাদশের পেসার শরিফুল ইসলাম।

মাহমুদউল্লাহ একাদশের বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার আগে আজ (১৮ অক্টোবর) দুপুর দুইটা থেকে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করে তামিম একাদশের ক্রিকেটাররা। আগামীকালকের ম্যাচকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে নামছে তামিম একাদশ তা স্পষ্ট বাঁহাতি পেসার শরিফুলের কণ্ঠে। যদিও দুই দলের মুখোমুখি প্রথম লড়াইয়ে শেষ হাসি হেসেছিল মাহমুদউল্লাহ একাদশই।

প্রতিশোধের ভাবনার চাইতে মাহমুদউল্লাহ একাদশকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনাল নিশ্চিত করতে চায় তামিমরা। অনুশীলন শেষে তাইতো শরিফুল জানালেন, ‘আগামীকালের ম্যাচটা ফাইনালের থেকেও খুব গুরুত্বপূর্ণ । যদি জিতি, তাহলে ফাইনালে যেতে পারবো ইনশাআল্লাহ। না গেলে পরেরটা কী হবে বলা যায় না। কালকের ম্যাচটা মূল, তো কালকে আমরা ফাইনাল মনে করেই খেলবো।’

যুব বিশ্বকাপ জয়ী দলের এই পেসার বেশ কয়েকবছর ধরেই সামর্থ্যের জানান দিয়ে প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে খেলছেন নিয়মিত। যুব বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের পর দেশে ফিরে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে (ডিপিএলে) প্রাইম ব্যাংকের হয়ে একটি ম্যাচ খেলার পরই যেতে হয় করোনা বিরতিতে। এরপর সরাসরি বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ দিয়ে মাঠে ফিরেছেন ১৯ বছর বয়সী এই পেসার।

লম্বা বিরতির পর মাঠে ফেরা প্রসঙ্গে শরিফুল বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ এর পর প্রিমিয়ার লিগে একটা ম্যাচ খেলে এরপর ৬-৭ মাস পরে এখানে ডিরেক্ট আসছি। প্র্যাকটিস করার পরে ম্যাচ খেললাম। প্রথম দিকে গেম ফিটনেস, গেম সেন্সটা কাজ করছিলো না। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি খেলেছি। ভালো লাগছে যে এতদিন পরে মাঠে ফিরেছি। মাঠ ছাড়া আসলে ভালো লাগে না।’

এদিকে দলে সতীর্থ হিসেবে অধিনায়ক তামিম ইকবাল, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনদের পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন বাঁহাতি এই পেসার। জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা শরিফুলের নানা কৌতুহল মেটাচ্ছেন বেশ স্বাভাবিকভাবে।

চলতি টুর্নামেন্টে দুই ম্যাচে চার উইকেট শিকার করা এই পেসার যোগ করেন, ‘তামিম ভাই আমাকে বোলিং এর সময় বা নেট করার সময় অনেক কিছু বলে। তারপর মুস্তাফিজ ভাই আছে আমাদের টিমে, উনাকে আমি অনেক প্রশ্ন করি, উনি সব কিছু সুন্দরভাবে শেখায়, বুঝায়।’

 

‘সাইফউদ্দিন ভাইকেও জিজ্ঞাসা করি। ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতার জায়গা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। তাদের সাথে সব কিছু শেয়ার করে ভালো লাগছে যে তাদের কিছু জিজ্ঞাসা করলে সাথে সাথে সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয়।’

বায়ো-বাবলে থাকায় ঘুরাফেরা, আড্ডা বন্ধ হলেও ঘরবন্দী সময়ে ঠিকই ক্রিকেটেই মনযোগ এই তরুণের, ‘বায়ো-বাবলে থাকা অবস্থায় নিজেকে একটু অন্য রকম লাগছে। এর আগে যখন খেলেছি এতটা ঘরবন্দী ছিলাম না, বাইরে যেতাম, ঘুরতাম, অবসর সময়ে একটু আড্ডা দিতাম। এখন আর সেটা হয় না। কিন্তু এখন যতই আমরা রুমে থাকি না কেন, খেলার যখন চিন্তা করি যে তলে তলে ঠিকই আমাদের পজিশন ঠিক থাকে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

গাঙ্গুলির ক্রিকেট ফেরানোর ঘোষণা, রাজ্য দলগুলোতে অস্বস্তি

Read Next

ফার্গুসনের আগুনঝরা বোলিংয়ে ম্যাড়মেড়ে সুপার ওভার!

Total
19
Share