মেহেদী-তাইজুলের প্রশংসা, দায় স্বীকার করছেন তামিম

মেহেদী-তাইজুল জুটিতে তামিম একাদশের ২২১
Vinkmag ad

খাদের কিনারা থেকে দলকে টেনে তুলে জাতীয় লিগ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) সহ ঘরোয়া ক্রিকেটে শেখ মেহেদী হাসান অবিশ্বাস্য কিছু করে দেখিয়েছেন বেশ কয়েকবার। এবার বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার ভীড়ে আরও একবার ব্যাট হাতে খেললেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। ১২৫ রানে ৮ উইকেট হারানো তামিম একাদশকে ৮২ রানের ইনিংসে এনে দেন ২২১ রানে পুঁজি। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরির পরও যা তাড়া করতে ব্যর্থ হয় নাজমুল একাদশ, হেরেছে ৪২ রানে।

১২৫ রানে দল হারিয়েছে ৮ উইকেট, সেখান থেকে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে গড়েন ৯৫ রানের জুটি। তাইজুলের যোগ্য সঙ্গ পেয়ে বাকিদের ব্যর্থতার দিনে ঝড়ো ইনিংস খেলেন মেহেদী। ৪৪ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া এই ব্যাটসম্যান শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে করেন ৫৭ বলে ৯ চার ৩ ছক্কায় ৮২ রান। সৌম্য সরকারের করা ৪৯তম ওভারে সমান দুটি করে চার-ছক্কায় নেন ২২ রান। টুর্নামেন্টে প্রথম দুইশো পেরোনো দলীয় সংগ্রহে তামিম একাদশ থামে ৯ উইকেটে ২২১ রানে। তাইজুল অপরাজিত ছিলেন ২০ রানে।

মেহেদীর এমন ব্যাটিংয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অধিনায়ক তামিম ইকবাল, কৃতিত্ব পেয়েছেন তাইজুল ইসলামও। ম্যাচ পরবর্তী পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তামিম বলেন, ‘আজকে ১১০/১১২ রানে (মূলত ১২৫) আমাদের ৮ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। এরপর দুজনের (মেহেদী-তাইজুল) অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ের কারণে আমরা ২২০ (২২১) পর্যন্ত যেতে পেরেছি।’

তবে ম্যাচ জিতলেও সব ছাপিয়ে আবারও কাঠগড়ায় দলের ব্যাটসম্যানরা। আগের ম্যাচে রুবেলের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ফেরা তামিম নিজেকে কিছুটা দায়মুক্ত রেখেছিলেন। গতকাল ভালো শুরু পেয়েও থেমেছেন ৩৩ রানে, এবার অন্যদের সাথে দায় নিজের কাঁধেও নিয়েছেন।

তামিম একাদশের কাপ্তান বলেন, ‘আমার মনে হয় উইকেট এতটা খারাপ ছিল না যে ১১০ রানে ৮ উইকেট পড়ে যাবে। আমাদের সম্ভবত আরও উন্নতি করতে হবে। আমাদের দলে যে দুই-তিনজন সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন আমি সহ, আমাদের আরও দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের ৩০-৪০ নিয়মিত করতে হবে।’

এদিকে ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়া ইনিংস খেলা শেখ মেহেদী হাসান বলেন, ‘দলের অবস্থা যাই ছিল। পরিকল্পনা ছিল ৪৫ বা ৪৬ ওভার পর্যন্ত সাধারণ ক্রিকেট খেলবো। শেষ দুই ওভারে চান্স নেব। দিন শেষে সেটাই হয়েছে।’

‘ক্যারি করতে করতে শেষ দুই ওভারে চান্স নিয়েছি লেগে গেছে আর ইনিংস বড় হয়ে গেছে। তাইজুল ভাইয়ের সাহায্য ছাড়া এতোদূর আসা সম্ভব ছিল না। একটার পর একটা উইকেট যাচ্ছিলো। তাইজুল ভাই আর আমার জুটিটাই খেলা পুরো বদলে দিয়েছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

দ্রুতগতির বল, ম্যাচ শেষে জানতে পারেন নরকিয়া

Read Next

কোলকাতার অধিনায়কত্ব ছাড়লেন দিনেশ কার্তিক

Total
2
Share