বৃথা গেল মুশফিকের সেঞ্চুরি, তামিম একাদশের জয়

শরিফুলের ৪ উইকেট
Vinkmag ad

গত ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ। আজ (১৫ অক্টোবর) তৃতীয় ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে তামিম একাদশ ও নাজমুল একাদশ। এই ম্যাচের খুটিনাটি হালনাগাদ এই লাইভ রিপোর্টে।

বৃথা গেল মুশফিকের সেঞ্চুরি, তামিম একাদশের জয়ঃ

মুশফিকের অনবদ্য সেঞ্চুরির পরও ৪২ রানে হেরেছে নাজমুল একাদশ। স্রোতের বিপরীতে লড়াই করা মুশফিক ৯ম ব্যাটসম্যান হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে মেহেদী হাসানের হাতে ধরা পড়লে বেশিক্ষণ টিকেনি নাজমুল একাদশের ইনিংস। অল আউট হয়েছে ১৭৯ রানেই। ৪ উইকেট নিয়ে তামিম একাদশের সেরা বোলার শরিফুল ইসলাম। তিনটি উইকেট শিকার মুস্তাফিজুর রহমানের।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

তামিম একাদশ: ২২১/৯ (৫০ ওভার ), তামিম ৩৩, তানজিদ ৮, এনামুল ১২, মিঠুন ৪, শাহাদাত ৩১, মোসাদ্দেক ১২, আকবর ২, সাইফউদ্দিন ৩, মেহেদী ৮২, তাইজুল ২০*, শরিফুল ১*; তাসকিন ১০-০-৪১-১, আল আমিন ১০-১-৪৩-৩, মুকিদুল ১০-০-৪৪-১, নাঈম ১০-৪-২৮-২, সৌম্য ৫-০-৪১-০, রিশাদ ৫-০-২১-২।

নাজমুল একাদশ: ১৭৯/১০ (৪৫.৪ ওভার), সাইফ ৭, সৌম্য ৯, শান্ত ১, মুশফিক ১০৩, আফিফ ১৫, হৃদয় ৪, শুক্কুর ২৪, নাইম ০, রিশাদ ০, তাসকিন ৬, মুকিদুল ১*; শরিফুল ১০-১-৩৭-৪, তাইজুল ১০-০-৪৬-০, সাইফউদ্দিন ৮.৪-০-৪১-১, মুস্তাফিজ ৮-২-১৫-৩, মেহেদী ৯-১-৩৭-০।

ফলাফলঃ তামিম একাদশ ৪২ রানে জয়ী।

সেরা ব্যাটসম্যান- মুশফিকুর রহিম (নাজমুল একাদশ)
সেরা বোলার- মুস্তাফিজুর রহমান (তামিম একাদশ)
সেরা ফিল্ডার- মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (তামিম একাদশ)
ম্যাচসেরা- মেহেদী হাসান (তামিম একাদশ)

সেঞ্চুরি করা মুশফিককে ফেরালেন মুস্তাফিজঃ

অন্য প্রান্তে আসা যাওয়ার মিছিলে একাই লড়ছিলেন মুশফিকুর রহিম। ফলে লক্ষ্যটা কঠিন হয়ে গেলেও সেঞ্চুরি তুলে নেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত এই ব্যাটসম্যান। ১০৩ বলে ৯ চার ১ ছক্কায় তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন মুশফিক। পরে দলের পক্ষে অসাধ্য সাধন করতে পারেননি। আউট হয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ক্যাচ দিয়ে। ১০৯ বলে ৯ চার ও ১ ছয়ে ১০৩ রান করেন মুশফিক।

 

View this post on Instagram

 

First hundred of the tournament #bcbpresidentscup #Cricket #nazmulxivtamimxi

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

দিশেহারা নাজমুল একাদশঃ

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো নাজমুল একাদশ ৭৫ রান তুলতেই হারায় ৫ উইকেট। সেখান থেকেই দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান মুশফিকুর রহিম ও আগের ম্যাচে জয়ের পথে অনবদ্য অবদান রাখা ইরফান শুক্কুর। তবে দুজনের ৫৯ রানের জুটি ভাঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে শুক্কুর রান আউট হলে। ৪০ বল খেলা বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। এক প্রান্তে মুশফিক অনড় থাকলেও তিন বলের ব্যবধানে পেসার শরিফুল দ্রুতই সাজঘরে ফেরান নাইম হাসান (০) ও রিশাদ হোসেনকে (০)। ফলে ১৩৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে গেছে নাজমুল একাদশ।

শরিফুলের জোড়া আঘাতঃ

নাজমুল একাদশের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মিছিল যেন থামছেইনা। শরিফুল ইসলামের টানা দুই শিকারে আসা যাওয়ার এই মিছিলে শামিল হলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব ও আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক তৌহিদ হৃদয়ও। ২৭ বলে ১৫ রান করে লেগ বিফোর হয়েছেন আফিফ। এরপর ক্রিজে আসা নতুন ব্যাটসম্যান তৌহিদ হৃদয়ও টিকেননি বেশিক্ষণ। ৪ রান করে ফিরেছেন বোল্ড হয়ে। তবে স্রোতের বিপরীতে লড়াই করছেন মুশফিকুর রহিম। দল ৭৫ রানে ৫ উইকেট হারালেও, ক্রিজে অপরাজিত আছেন ৩৪ রানে। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে এসেছেন ইরফান শুক্কুর।

সৌম্যের অস্বস্তির ইনিংসঃ

ওপেন করতে নেমে সৌম্য সরকার উইকেটে ছিলেন ১৪.৪ ওভার পর্যন্ত। ৮৮ বলের মধ্যে ৪৭ বলই নিজে মোকাবেলা করেন। তবে অস্বস্তিতে ভোগা সৌম্য রান করতে পারেন কেবল ৯। তাতে অবশ্য ফিল্ডারদেরও দায় আছে, জীবন পেয়েছেন একাধিকবার। শেষমেশ মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসাবে।

 

View this post on Instagram

 

😶😶😶 #bcbpresidentscup #Cricket #nazmulxivtamimxi

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

মুস্তাফিজের জোড়া শিকারঃ

জিততে হলে এখনো পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় লক্ষ্যটা (২২২) তাড়া করতে হবে। এমন সমীকরণে খেলতে নামা নাজমুল একাদশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার শুরুটা করেন বেশ দেখেশুনে। প্রথম ৬ ওভারে আসেনি ১০ রানের বেশি। কিন্তু বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের দ্বিতীয় ও ইনিংসের ৭ম ওভারে অবশ্য ফিরতে হয়েছে সাইফ হাসানকে। মোসাদ্দেক হোসেনের হাতে মিড অফে ক্যাচ দেওয়ার আগে করতে পেরেছেন ২১ বলে ৭ রান। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

৯ম ওভারে মুস্তাফিজ ফেরাতে পারতেন সৌম্যকেও। তবে সৌম্য সরকার ক্যাচ তুলে দিলেও তা তালুবন্দি করতে পারেন নি এনামুল হক বিজয়, ক্যাচ ছাড়েন সাইফউদ্দিনও। পরে ওভারের শেষ বলে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে সাজঘরের পথ দেখান নাজমুল হোসেন শান্তকে। ৬ বলে ১ রান করেন শান্ত।

মেহেদী-তাইজুলের দারুণ জুটিঃ

১২৫ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারানো তামিম একাদশকে পথ দেখান শেখ মেহেদী হাসান ও তাইজুল ইসলাম। দুজনের ৯৫ রানের জুটিতে দল পেয়েছে লড়াইয়ের পুঁজি। তাইজুলের যোগ্য সঙ্গ পেয়ে বাকিদের ব্যর্থতার দিনে ঝড়ো ইনিংস খেলেন মেহেদী। ৪৪ বলে ফিফটি তুলে নেওয়া এই ব্যাটসম্যান শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে করেন ৫৭ বলে ৯ চার ৩ ছক্কায় ৮২ রান। সৌম্য সরকারের করা ৪৯তম ওভারে সমান দুটি করে চার-ছক্কায় আসে ২৩ রান। টুর্নামেন্টে প্রথম দুইশো পেরোনো দলীয় সংগ্রহে তামিম একাদশ থামে ৯ উইকেটে ২২১ রানে। তাইজুল অপরাজিত ছিলেন ২০ রানে।

 

View this post on Instagram

 

How good was Mahedi Hasan? #bcbpresidentscup #Cricket #NazmulxiVTamimxi

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

থেমেছে বৃষ্টিঃ

মিরপুরে থেমেছে বৃষ্টি, খেলা পুনরায় শুরু হয়েছে ৫ টা ৪০ মিনিটে।

তামিম একাদশের দেড়শ পার, মিরপুরে বৃষ্টিঃ

বিসিবি প্রেসিডেন্ট’স কাপে বৃষ্টি আর ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা যেন এক সুতোয় গাঁথা। আগের দুই ম্যাচে শুরুর দিকে হলেও আজ বৃষ্টি নেমেছে তামিম একাদশ ইনিংসের ৪০.৩ ওভারে। ৮ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকা তামিম একাদশকে কিছুটা পথ দেখাচ্ছেন শেখ মেহেদী হাসান ও তাইজুল ইসলাম। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগে তামিম একাদশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১৫৪ রান। ৩০ রানে অপরাজিত শেখ মেহেদী হাসান ও ৯ রানে তাইজুল ইসলাম।

বোল্ড সাইফউদ্দিনঃ

আল আমিন হোসেনের তৃতীয় শিকার হয়ে সাজঘরে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (৮ম ব্যাটসম্যান হিসাবে)। ১১ বলে ৩ রান করে আল আমিনের বলে বোল্ড হন তিনি। আউট হবার আগে মেহেদী হাসানের সঙ্গে ১৭ রানের জুটি গড়েন তিনি।

ইনিংস বড় করা হলনা দিপুরওঃ

উইকেটে থিতু হয়ে বলের গুনাগুণ বিচার করে খেলছিলেন শাহাদাত হোসেন দিপু। তবে অপর প্রান্তে সতীর্থদের সাজঘরে ফেরার মিছিল দেখা দিপু খেই হারিয়েছেন। ৫২ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ৩১ রান করে রিশাদ হোসেনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি, সহজ এক ক্যাচ ধরেন আল আমিন হোসেন। উইকেটে নতুন দুই ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও মেহেদী হাসান।

ব্যর্থ আকবর, মোসাদ্দেককে ফিরিয়েছেন রিশাদঃ

দলীয় ৬৫ রানের মাথায় তামিম ইকবাল সাজঘরে ফেরার পর উইকেটে এসেছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। শাহাদাত হোসেন দিপুর সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়ে ফিরেছেন সৈকত। ৪৬ বলে ১ চারে ১২ রানের অস্বস্তিকর ইনিংস থামে রিশাদ হোশেনের বলে উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিলে। ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করে উঠতে পারেননি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলি। ৫ বলে ২ রান করে আল আমিন হোসেনের বলে নাজমুল হোসেন শান্তকে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি। ১০৮ রানেই নেই তামিম একাদশের ৬ উইকেট।

ইনিংস বড় করতে পারলেন না তামিম ইকবালঃ

দুই তামিমের ওপেনিং জুটি আজও জমেনি তবে সিনিয়র তামিম ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ভালো কিছুর। কিন্তু নাইম হাসানের বলে স্লিপে দাঁড়ানো রিশাদ হোসেনের দারুণ ক্যাচে ফিরে যেতে হয় তাকেও। ৪৫ বলে ৪ চারে ৩৩ রানে থামে তামিমের ইনিংস। যদিও ক্যাচ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে মাথা নাড়তে নাড়তে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। তার বিদায়ে তামিম একাদশ পরিণত হয় ৪ উইকেটে ৬৫ রানে। নতুন ব্যাটসম্যান হিসাবে উইকেটে এসেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

শেষ হল মিঠুনের অস্বস্তির ইনিংসঃ

প্রথম ম্যাচে উইকেটে ছিলেন কেবল ২ বল। সিলভার ডাকের স্বাদ পেয়ে সাজঘরে ফিরেছিলেন তিনি। আজ দ্বিতীয় ম্যাচে রানের খাতা খুললেও করতে পারেননি ৪ রানের বেশি। অস্বস্তির এক ইনিংসে ২১ বল খেলেছেন তিনি। নাইম হাসানের বলে বোল্ড হন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তামিম-মিঠুনের জুটিতে ৬ ওভার ৫ বলে আসে মাত্র ১৬ রান। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছেন শাহাদাত হোসেন দিপু।

তাসকিনের প্রথম শিকার বিজয়ঃ

প্রথম ম্যাচে ভালো শুরু পেয়ে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছিলেন এনামুল হক বিজয়। আজও শুরুটা খারাপ হয়নি। তবে ২ চারে ১৩ বলে ১২ রান করে নাজমুল হাসান শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি, তাসকিন পেয়েছেন নিজের প্রথম উইকেট। ৬.৩ ওভারের মাথায় আউট হন বিজয়, তাতে ভাঙে তামিম ও বিজয়ের ৩০ রানের জুটি। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছেন প্রথম ম্যাচে সিলভার ডাকের স্বাদ পাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন।

তামিমকে ফেরালেন আল আমিনঃ

তামিম ইকবালের সঙ্গে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম শুরুটা করেছিলেন দারুণ। প্রথম চার বলেই ২ টি বাউন্ডারি আদায় করে নিয়েছিলেন। তবে আল আমিন হোসেনের বলে উড়িয়ে মারতে যেয়ে নিজের খেলা পঞ্চম বলেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। ৫ বলে ৮ রান করা তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচ ধরেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছেন এনামুল হক বিজয়।

খেলছেন যারাঃ

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের নিয়ম অনুযায়ী (প্লেয়িং কন্ডিশন) এক ম্যাচে প্রতি দলে ১২ জন ক্রিকেটার থাকবে। যদিও মাঠে একসঙ্গে ফিল্ডিং এ নামবে ১১ জন, ব্যাটিং করতে পারবে ১১ জন। উল্লেখ্য, এই টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো লিস্ট-এ ম্যাচের তকমা পাবে না।

তামিম একাদশে আজ আছেন প্রথম ম্যাচে সুযোগ না পাওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলি। আগের ম্যাচে খেলা মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি বাদ পড়েছেন, আকবর আলি খেলছেন উইকেটরক্ষক হিসাবে। অন্যদিকে কোন পরিবর্তন আসেনি নাজমুল একাদশে। আজও মাঠের বাইরে আবু জায়েদ রাহি, পারভেজ হোসেন ইমন ও নাসুম আহমেদ।

তামিম একাদশ-

তামিম ইকবাল খান (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ মিঠুন, শাহাদাত হোসেন দিপু, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, আকবর আলি (উইকেটরক্ষক) ও মুস্তাফিজুর রহমান।

নাজমুল একাদশ-

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার (সহ অধিনায়ক), মোহাম্মদ সাইফ হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), তৌহিদ হৃদয়, ইরফান শুক্কুর, তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেন, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, মোহাম্মদ নাইম হাসান ও রিশাদ আহমেদ।

টস আপডেটঃ

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতেছেন নাজমুল একাদশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। টসে জিতে আগে তামিম একাদশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

নিজেকে ফিনিশারের ভূমিকায় দেখতে চান স্যাম বিলিংস

Read Next

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট, আইসিসির দিকে তাকিয়ে বিসিবি

Total
15
Share