নিজেকে ফিনিশারের ভূমিকায় দেখতে চান স্যাম বিলিংস

হারানো সময় পুষিয়ে নিতে প্রস্তুত স্যাম বিলিংস
Vinkmag ad

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ইংল্যান্ড দলে ফিনিশার হতে আগ্রহী স্যাম বিলিংস। গ্রীষ্মে দলের হয়ে ভালো খেলার পরও উপরের দিকে ব্যাটিং করতে আগ্রহী নন তিনি।

বর্তমানে ইংল্যান্ডের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা দুর্দান্ত ফর্মে আছেন এবং বিশ্বের সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও আধিপত্য বিস্তার করে খেলছেন। টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ড দলের ওপেনার হিসেবে প্রথম চয়েজে রয়েছে জস বাটলার ও জেসন রয়ের নাম। আর তিন নম্বরে রয়েছে জনি বেয়ারস্টোয়ের নাম, যিনি আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে ডেভিড ওয়ার্নারের সাথে ওপেনিংয়ে দুর্দান্ত খেলছেন।

টম ব্যান্টন, বিশ্বের ১ নাম্বার টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান ডেভিড মালান উপরের দিকে ব্যাটিং করেন। দলে বেন স্টোকস ও অধিনায়ক এউইন মরগানের পরে ব্যাটিংয়ে জায়গা পাওয়াটাও কিছুটা কষ্টসাধ্য বিলিংসের জন্য। তবে টি-টোয়েন্টি দলেও জায়গা পাওয়ার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী তিনি।

বিলিংস বলেন, ‘দলের কম্বিনেশনের জন্য টপ অর্ডারে জায়গা পাওয়াটাও কিছুটা কঠিনই বটে জেসন রয়, টম ব্যান্টন, ফিল সল্টও টপ অর্ডারের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। গ্রীষ্মে আমি যেভাবে খেলেছি, সেভাবেই খেলে যেতে চাই। আশা করি শীতেও আমি আমার ভালো খেলার ধারা অব্যাহত রাখবো।’

‘গত কয়েক বছর ধরে কেন্টের হয়েও আমি ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে গেছি এবং এভাবেই আমি খেলতে পছন্দ করি।’

২৯ বছর বয়সী এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান গতবার চেন্নাইয়ের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। এ বছর অবশ্য কেন্টের হয়ে লাল বলের উপর বেশি জোর দিচ্ছেন। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুইটি ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলার পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম শতরান করেন বিলিংস।

গত বছর সেন্ট কিটসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৩২ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ৪৭ বলে ৮৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস টি-টোয়েন্টি দলে তার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। সে ম্যাচে ইংল্যান্ড ১৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে ক্যারিবিয়ানদের হারায়।

অবশ্য বিশ্বকাপের আগে কাধের ইনজুরিতে পড়ায় বিশ্বকাপে খেলা হয়নি তার। ইনজুরি ফিরেই দুর্দান্ত ফর্মে আছেন বিলিংস।

‘আমি আমার খেলা সম্পর্কে জানি। যদি আমরা দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলি, মাঝের ওভারগুলোতে দেখেশুনে খেলি, স্পিনারদের রোটেট করে খেলি। শেষের দিকে মারমুখী ব্যাটিং করি। আমি হয়তোবা কোন প্রতিযোগিতায় বা টুর্নামেন্টে বড় সংগ্রাহক নই। তবে দলের জয়ের জন্য সর্বাত্নক চেষ্টা করি এবং যেকোন অবস্থানে ব্যাটিংয়ে আগ্রহ প্রকাশ করি। ৩ বলে ১০ রানের প্রয়োজন হলেও আমি সেটা করার জন্য প্রস্তুত থাকি।’

‘বর্তমানে টি-টোয়েন্টিতে ৫ বা ৬ নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নেমে অসাধারণ কিছু করাটা দুঃসাধ্য হয় যখন আপনার হাতে মাত্র দুইটা বল ব্যাটিংয়ের জন্য। কিন্তু এখানে ব্যাটিং নাম্বার কোন সমস্যা নয়। আমার মনে হয় টি-টেন ক্রিকেটের প্রভাবটা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও কাজে লাগানো সম্ভব।’

‘ টি-টোয়েন্টিতে সবাই টপ অর্ডারে ব্যাটিং করতে চায়। ব্যাট করার জন্য আসলেই সেরা টপ অর্ডার। কিন্তু ৬ বলে ২০ রানের অবদানও ৬ নাম্বারের ব্যাটসম্যানের প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করে। সেখানে টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানের কাছে ৩০ বলে ৪০ রানের প্রভাবটা কম দেখা যায়। তাই যেভাবেই ক্রিকেটটা হোক না কেন, ক্রিকেট খেলাটাই অনেক আকর্ষণীয়।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ওয়াইড ও নো বলের ক্ষেত্রেও ডিআরএস চান কোহলি

Read Next

বৃথা গেল মুশফিকের সেঞ্চুরি, তামিম একাদশের জয়

Total
5
Share