শচীনের জীবনে ক্রিকেটীয় ও অক্রিকেটীয় হিরো যারা

Vinkmag ad

ভারতের মাস্টার ব্লাস্টার ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, তার জীবনে ‘ব্যাটিং হিরো’ ছিলেন দুইজন। ভারতের কিংবদন্তি সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার ও ক্যারিবীয় গ্রেট স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস। শচীন যখন ছোট ছিলেন তখন তাঁর ব্যাটিং নায়ক ছিলেন এই দুই কিংবদন্তি। তবে শচীনের বাবা রমেশ টেন্ডুলকারই ছিলেন তাঁর বাস্তব জীবনের আসল নায়ক।

শচীন টেন্ডুলকারের মতে, তার বড় হওয়ার সময় ব্যাটিং আইডল হিসেবে ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডসের চেয়ে বড় মাপের নায়ক কেউ ছিলেন না। কিংবদন্তি প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকার বলেছেন কীভাবে তিনি দুজন ক্রিকেটারের অনুপ্রেরণা অর্জন করেছিলেন।

“আমি তরুণ ছিলাম তখন আমি ক্রিকেটার হয়ে উঠতে চেয়েছিলাম এবং আমার দেশের হয়ে খেলতে চেয়েছিলাম। আমার দুটি নায়ক ছিল – একজন হলেন আমাদের সুনীল গাভাস্কার, যিনি বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতের হয়ে খেলেছিলেন এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন। তিনি আমার ব্যাটিং নায়ক ছিলেন। তাঁর পাশাপাশি ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডস। ক্রিকেট খেলার সময় এরা আমার ব্যাটিং নায়ক ছিল।”

১৯৮৯ সালের ১৫ নভেম্বর। করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক হয় শচীন টেন্ডুলকারের। পরের বছরগুলোয় ব্যাটিংয়ের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছিলেন তিনি। শচীন হয়ে ওঠেন ভারতের ব্যাটিং স্তম্ভে সবচেয়ে মারকুটে, নির্ভরযোগ্য নাম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি রানের মালিক টেন্ডুলকার—৩৪ হাজার ৩৫৭। শচীন টেন্ডুলকারের ক্যারিয়ারের খাতা প্রাপ্তি, অর্জনে ভরা।

ক্রিকেটের বাইরে, টেন্ডুলকার বলেছিলেন যে তাঁর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন বাবা রমেশ টেন্ডুলকার।

“তবে সাধারণত জীবনের ক্ষেত্রে আমি বলব যে আমার নায়ক কিংবা আমার বড় অনুপ্রেরণার জায়গা আমার বাবা (রমেশ টেন্ডুলকার)। আমি তার সাথে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি। তিনি মৃদু, শান্ত ও বন্ধুসুলভ ছিলেন। তিনি একজন ভাল প্রকৃতির মানুষও। সুতরাং, আমি যেন তাঁর মতো হয়ে উঠি এটা আমার স্বপ্ন ছিল সে সময়ের। বাবা আমার জীবনে আমার নায়ক ছিলেন।”

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

জাকজমকের কমতি থাকছে না বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে

Read Next

আরো এক দফা পেছাল এলপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট

Total
1
Share