যেকারণে পুলে ক্রিকেটারের সংখ্যা বাড়ানোর চিন্তা নির্বাচকদের

শ্রীলঙ্কা সফরের আগে খুব একটা প্রস্তুত ছিলাম না- হাবিবুল বাশার
Vinkmag ad

করোনা থাবায় প্রায় একটি বছর হারিয়ে গেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট মানচিত্র থেকে। দলগুলোর সাথে স্থগিত হওয়া সিরিজ পুনঃনির্ধারণ ও পূর্বনির্ধারিত সূচি মিলিয়ে উল্টো চিত্র অবশ্য অপেক্ষা করছে আগামী বছর। টানা খেলার মধ্যে থাকতে হবে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমদের। যে কারণে জাতীয় দলের পুলে ক্রিকেটার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা নির্বাচকদের।

শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত হওয়ায় চলতি বছর আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা হচ্ছে না টাইগারদের। ফলে ঘরোয়া ক্রিকেট ও নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমেই ক্রিকেটারদের ব্যস্ত রাখার প্রয়াস বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবির)। মূল লক্ষ্য এমন কিছু হলেও নির্বাচকদের ভাবতে হচ্ছে ভিন্নভাবে। এসব ঘরোয়া ম্যাচগুলো থেকেই আগামী বছরের জন্য নতুন কোন ক্রিকেটার খুঁজে পাওয়া যায় কীনা দৃষ্টি রাখতে হচ্ছে সেদিকেও।

মাত্রই শেষ হয়েছে নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে দুইদিনের দুইটি প্রস্তুতি ম্যাচে। যেখানে করোনা পরবর্তী প্রথমবার ম্যাচ আবহে খেলতে নেমে ব্যাটে-বলে সমান তালে পারফর্ম করেছেন ক্রিকেটাররা। মুমিনুল হক, সাইফ হাসান, তামিম ইকবাল, সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মাহমুদউল্লাহদের ভালো ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল ছিলেন তাসকিন আহমেদ, খালেদ আহমেদ, হাসান মাহমুদ, নাইম হাসান, তাইজুল ইসলামরাও।

লাল বলের প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ, অপেক্ষায় তিন দলীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। ১১ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াতে যাওয়া টুর্নামেন্টটি সহ অন্যান্য ঘরোয়া ক্রিকেটেও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নির্বাচকদের। আপাতত দুইদিনের ম্যাচের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নির্বাচকরা আগামী বছর আন্তর্জাতিক সূচি মাথায় রেখেই নজর দিবেন ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সে।

গতকাল (৭ অক্টোবর) মিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘ফিজিক্যাল দিক বা স্কিল আপনি যদি মাঠে খেলা দেখেন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে। তো আমরা অবশ্যই সন্তুষ্ট। প্রস্তুতি ম্যাচ হোক কিংবা কোন প্রতিযগিতামূলক ম্যাচই হোক কেউ পারফর্ম করলে আমাদের মনে থাকে। হয়তো এই তিন চার মাসে আমরা নতুন কোন প্লেয়ার পেয়ে যেতে পারি যে খুব ভালো করছে। সেটাতো অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে। এই ম্যাচগুলো এ জন্যইতো আয়োজন হচ্ছে।’

পুলে ক্রিকেটারদের সংখ্যা বাড়ানো প্রসঙ্গে এই নির্বাচক আরও যোগ করেন, ‘পুলের সংখ্যাটা বাড়ানোর সুযোগ (আসন্ন প্রস্তুতি ও ঘরোয়া টুর্নামেন্ট) । এখন যেগুলো করছি সেগুলোর উদ্দেশ্য কিন্তু সেটাই, পুলের সংখ্যা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা বাড়ানো। কারণ যেটা বলছিলাম, সবকিছু স্বাভাবিক করে যদি পরবর্তী বছর শুরু করতে পারি, ঐ বছর কিন্তু অনেক খেলা। প্রায় ৯ মাস খেলা থাকবে। সেক্ষেত্রে আমাদের প্লেয়ারের সংখ্যা একটু বাড়াতে হবে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

দারুণভাবে ফিরে এসে ম্যাচ জিতল কোলকাতা

Read Next

এমসিজিতে ডিন জোন্সের ‘লাস্ট ল্যাপ অব অনার’

Total
5
Share