ইংল্যান্ডে ওয়ার্নারের যে অভিজ্ঞতা এবারই প্রথম

ডেভিড ওয়ার্নার

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু, আয়ারল্যান্ড, পাকিস্তান হয়ে অস্ট্রেলিয়াকেও আতিথেয়তা দিচ্ছে ইংল্যান্ড। করোনা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত কেবল ইংল্যান্ডেই আন্তর্জাতিক ম্যাচ মাঠে গড়িয়েছে। গতকাল (৪ সেপ্টেম্বর) দর্শকবিহীন মাঠে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচই হেরে বসে অস্ট্রেলিয়া।

ম্যাচ হারলেও ইংলিশ দর্শকদের দুয়ো থেকে রেহাই পাওয়া অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ব্যাপারটিকে দারুণ বলছেন। ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ মানেই দুই দলের ক্রিকেটারদের বাকযুদ্ধও। ক্রিকেটারদের সাথে পাল্লা দিয়ে দর্শকরাও কম যান না। বিশেষ করে বল টেম্পারিং কান্ডে এক বছর নিষিদ্ধ থাকা স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে পেলে তো কথাই নেই।

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গতবছর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ দিয়ে মাঠে ফেরেন ওয়ার্নার-স্মিথ। বিশ্বকাপে ইংলিশ দর্শকদের বিদ্রুপের কথা ভুলে যাওয়ার কথা নয় ক্রিকেট ভক্তদের। মাঠে ট্রাউজারের দুই পকেট খুলে দর্শকদের উদ্দেশ্যে দেখানো ওয়ার্নারের সেই অভিব্যক্তি তো হাস্যরসের খোরাকও এনে দিয়েছিল। এরপর অ্যাশেজ সিরিজেও ইংলিশ দর্শকদের আক্রমণ থেকে মুক্তি মেলেনি।

কিন্তু এবার করোনার কারণে শূন্য গ্যলারির সামনেই মাঠে নেমেছে দুই দল। ইংল্যান্ড পৌঁছানোর আগেই স্টিভ স্মিথ জানিয়েছেন ইংলিশ দর্শকদের দুয়ো মিস করবেন। কারণ তাদের এমন আচরণই নাকি তাঁকে ভালো খেলতে অনুপ্রেরণা দেয়।

তবে এই প্রথম ইংল্যান্ডে এসে দর্শকদের কাছ থেকে বাজে ব্যবহার পেতে হয়নি উল্লেখ করে ডেভিড ওয়ার্নার বলেন, ‘এই প্রথম এখানে এলাম এবং বাজে ব্যবহারের মুখোমুখি হইনি। এটা বেশ সুন্দর ব্যাপার ছিল। তবে দর্শকদের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে এটা কিছুটা উদ্ভট ছিল (ফাঁকা গ্যালারি)।’

যদিও গ্যালারি ভর্তি দর্শকের বিদ্রুপ তাকেও তাঁতিয়ে দেয় বলে স্বীকার করেছেন। ওয়ার্নার যোগ করেন, ‘আপনি এমন কিছুর সম্মুখীন হলে বাড়তি তাড়না কাজ করবে। আর এ জন্যই আমরা ঘরের মাঠে ও বাইরের মাঠে খেলতে ভালোবাসি। ঘরের মাঠ ও বাইরের মাঠে দুই জায়গায় দুই রকম সুবিধা রয়েছে। তবে আমরা সবসময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অপেক্ষায়ই থাকি। খেলায় ফিরতে পেরে কৃতজ্ঞ ও সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে চাই।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

‘দুই’ গবেষকের শরণাপন্ন বিসিবি

Read Next

খাজার হতাশা কেটেছে ল্যাঙ্গারের সাথে আলাপে

Total
8
Share