পাশার দান উল্টে দিয়ে সাউদাম্পটনে ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড

৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে ইংল্যান্ড দলপতি এউইন মরগান অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে রেখেছিলেন। সিরিজের ১ম ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে বটে অস্ট্রেলিয়া। তবে শেষ হাসি হেসেছে স্বাগতিকরা। শেষ ওভারে গড়ানো ম্যাচে স্বাগতিকরা জিতেছে ২ রানে।

সাউদাম্পটনের এজেস বোলে টসে জিতে আগে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান অজি দলপতি অ্যারন ফিঞ্চ।

টি-টোয়েন্টি একাদশে ফেরা জস বাটলার ইংল্যান্ডকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। ৪র্থ ওভারের শেষ বলে ব্যক্তিগত ৮ রানের মাথায় আউট হন জনি বেয়ারস্টো, ইংল্যান্ডের রান ততক্ষণে ৪৩! ২৯ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ রান করে আউট হন বাটলার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ওপেন করে সফল হওয়া টম ব্যান্টন চারে নেমে সুবিধা করে উঠতে পারেননি। ১০ বলে ৮ রান করে থামেন তিনি। ব্যান্টনের পর এউইন মরগান (৫), মইন আলি (২), টম কারেনদের (৬) ফিরে যেতে দেখেন তিনে নামা ডেভিড মালান।

তবে একপ্রান্তে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ১৯ তম ওভারে ৭ম ব্যাটসম্যান হিসাবে আউট হন তিনি। ৪৩ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় দলীয় সর্বোচ্চ ৬৬ রান করেন তিনি। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রানে থামে ইংল্যান্ডের ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ২ টি করে উইকেট নেন অ্যাশটন অ্যাগার, কেন রিচার্ডসন ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

জবাব দিতে নেমে ডেভিড ওয়ার্নার ও অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের বদৌলতে দারুণ এক ভিত্তি পায় অস্ট্রেলিয়া। ১১ ওভার স্থায়ী উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৯৮ রান। ৩২ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ৪৬ রান করার পথে দুই হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন অজি অধিনায়ক।

ফিঞ্চ ফিফটি মিস করলেও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৮ তম ফিফটি তুলে নেন ডেভিড ওয়ার্নার। স্টিভ স্মিথের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে যোগ করেন ২৬। ১১ বলে ১৮ রান করে ফেরেন স্মিথ। স্মিথ যখন ফেরেন অজিদের তখন জয়ের জন্য দরকার ৩৪ বলে ৩৯ রান, হাতে ৮ উইকেট।

সেই ৩৪ বলে অজিরা তুলতে পারে কেবল ৩৬ রান, হারায় ৪ উইকেট।

শেষ ২ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ১৯ রান। পেনাল্টিমেট ওভারে ক্রিস জর্ডান দেন কেবল ৪ রান, শেষ বলে রান আউট হন অ্যাশটন অ্যাগার। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার জিততে করতে হত ১৫ রান। দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকানো স্টয়নিস অবশ্য এর পর আর কোন বাউন্ডারি আদায় করতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়াও তাই জয়ের মুখ দেখতে পারেনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

ইংল্যান্ড ১৬২/৭ (২০), বাটলার ৪৪, বেয়ারস্টো ৮, মালান ৬৬, ব্যান্টন ৮, মরগান ৫, মইন ২, কারেন ৬, জর্ডান ১৪*, রশিদ ১*; অ্যাগার ৪-০-৩২-২, কামিন্স ৩-০-২৪-১, রিচার্ডসন ৩-০-১৩-২, ম্যাক্সওয়েল ৩-০-১৪-২

অস্ট্রেলিয়া ১৬০/৬ (২০), ওয়ার্নার ৫৮, ফিঞ্চ ৪৬, স্মিথ ১৮, ম্যাক্সওয়েল ১, স্টয়নিস ২৩*, ক্যারি ১, অ্যাগার ৪, কামিন্স ০*; আর্চার ৪-০-৩৩-২, উড ৪-০-৩১-১, আদিল ৪-০-২৯-২

ফলাফলঃ ইংল্যান্ড ২ রানে জয়ী

ম্যাচসেরাঃ ডেভিড মালান (ইংল্যান্ড)।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

আইপিএল খেলার প্রস্তাব পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ, তবে…

Read Next

বিকেএসপিতে অনুশীলনে সাকিব

Total
21
Share