সতীর্থদের সান্নিধ্য পেয়ে ভালো লাগছে লিটনের

লিটন দাস
Vinkmag ad

একের পর এক সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন টাইগার ক্রিকেটাররা, আন্তর্জাতিক সিরিজের বিরতিতে মাঠে নামেন ঘরোয়া লিগেও। কিন্তু করোনা ঝড়ে মাত্র এক রাউন্ড মাঠে গড়ানোর পরই মার্চে স্থগিত হয় ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল)। প্রায় ৫ মাস ঘরবন্দী থাকতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। আবারও ২২ গজের সবুজ গালিচায় লড়াইয়ের অপেক্ষা, বিসিবির তত্বাবধানে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে অনুশীলনও।

অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ চূড়ান্ত। তার এক মাস আগেই লঙ্কা দ্বীপের উদ্দেশ্যে উড়াল দিবে মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, লিটন দাসরা। আর সে লক্ষ্যেই জুলাইয়ের শেষদিকে ব্যক্তিগত অনুশীলন হয়ে বর্তমান চলছে গ্রুপ ভিত্তিক অনুশীলন।

২৭ সেপ্টেম্বর দেশ ছাড়ার আগেই কয়েকদিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প, দলীয় ট্রেনিং সেশন থাকবে। লম্বা বিরতির পর মাঠে ফেরা, ব্যাট হাতে নেওয়া, উইকেটে অনুশীলন করা সবই স্বস্তির বলছেন লিটন দাস।

বিশেষ করে সতীর্থদের সাথে দেখা হওয়া, কথাবার্তা শেয়ার করতে পারাটাও অন্যরকম অনুভূতি দিচ্ছে উইকেট রক্ষক এই ব্যাটসম্যানকে। আজ (৩১ আগস্ট) মিরপুরে অনুশীলন শেষে ভিডিও বার্তায় লিটন বলেন, ‘মিরপুরে ফিরতে পেরে নিজের অনেক ভালো লাগছে। কারণ অনেক দিন পর ক্রিকেট ব্যাট ধরতে পারছি, ব্যাটিং করতে পারছি। সবচেয়ে বড় জিনিস উইকেটের মধ্যে ব্যাটিং করা।’

‘এ জিনিসটা অনেক স্বস্তি দিচ্ছে যে সামনে হয়তো ক্রিকেট আছে। এবং আসলেই ক্রিকেট আছে সামনে। চেষ্টা করবো সামনে যে সিরিজটা আছে সেটায় এখান থেকে প্রস্তুতি নিয়ে যেন ভালো কিছু করা যায়। সবমিলিয়ে এতদিন পর মাঠে এসে সবার সাথে দেখা হওয়াও ভালো লাগছে। যাদের সাথে আমি সবসময় খেলি তাদের কাছে পাচ্ছি এবং কথাবার্তা শেয়ার করতে পারছি। এ জিনিসটা নিজের কাছে অনেক ভালো লাগছে।’

লকডাউনের সময়টায় ঘরে বসে অলস সময় কাটাননি লিটন, নিজের পুরোনো ভিডিও দেখে উন্নতির জায়গা খুঁজেছেন। করোনার কঠিন সময়ে পরামর্শ নিয়েছেন কোচদেরও। ২৫ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘একটু কঠিন ছিল কারণ আমরা ক্রিকেট খেলছিলাম নিয়মিত। একটা জায়গা থেকে ব্রেক পড়া মাঠে না আসা…। আসলে বাসার আর মাঠের যে জিনিসগুলো হয় তার মধ্যে পার্থক্য থাকে।’

‘এদিক দিয়ে অনেক কষ্ট লাগছে যে অনেকদিন ধরে মাঠে যেতে পারছিনা, খেলতে পারছিনা। ঐ সময়টায় আমি নিজের আগের ব্যাটিং গুলো দেখছি, কী কী জিনিস উন্নতি করা যায়। পাশাপাশি কোচদের সাথেও কথা বলেছি যে কী করলে কি উন্নতি করা যায়। কিছু ড্রিল করেছি যেগুলো বাসায় করা যায়, খুব একটা গ্রাউন্ডের প্রয়োজন নেই। এসব ড্রিলগুলোই বেশিরভাগ করেছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আত্মবিশ্বাসী লিটন, অতি আত্মবিশ্বাসী নন

Read Next

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড ঘোষণা

Total
4
Share