প্রত্যাবর্তনে ম্যাক্সওয়েলের সেঞ্চুরি, স্টয়নিসের অলরাউন্ড নৈপুণ্য

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মার্কাস স্টয়নিস

ফেব্রুয়ারিতে বিগ ব্যাশ লিগের ফাইনাল খেলার পর এই প্রথম মাঠে ব্যাট হাতে নামেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। নেমেই করলেন সেঞ্চুরি। বোলিং ও ব্যাটিং দুই বিভাগেই দাপুটে পারফরম্যান্স মার্কাস স্টয়নিসের। নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে খেলা ইন্ট্রা স্কোয়াড ম্যাচে ফিঞ্চ একাদশকে হারিয়ে দিয়েছে কামিন্স একাদশ।

প্যাট কামিন্স একাদশের জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে মার্কাস স্টয়নিস ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের তৃতীয় উইকেট জুটিতে। ১৫৩ বল খেলে দুজন যোগ করেন ১৭৪ রান।

ব্যাট হাতে ৮৭ রানের ইনিংস খেলার আগে অবশ্য বল হাতেও ৪ উইকেট নেন স্টয়নিস। ৭ ওভার বল করে ৩১ রান খরচ করেন তিনি। তার বোলিং তোপেই ৪৮.৪ ওভারে ২৪৯ রানে অলআউট হয় ফিঞ্চ একাদশ।

অধিনায়ক ফিঞ্চ আউট হন ৯ রান করে, ডেভিড ওয়ার্নার (৪৪ বলে ৩৪), মারনাস লাবুশেইন (১৭ বলে ২১) ভাল শুরু করলেও তা ধরে রাখতে পারেনি।

শেষ দিকে অ্যান্ড্রু টাই ৫০ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন, মিচেল স্টার্ক করেন ৪১ রান। দুই বার ব্যাট করে ড্যানিয়েল সামস করেন সাকুল্যে ৪৮ রান।

স্টয়নিসের ৪ উইকেট ছাড়াও ২ টি করে উইকেট নেন প্যাট কামিন্স ও অ্যাডাম জাম্পা। ১ টি করে উইকেট তুলে নেন জশ হ্যাজেলউড ও অ্যাশটন অ্যাগার।

জবাব দিতে নেমে কামিন্স একাদশ বিপাকে পড়ে শুরুতেই, ইনিংসের ২য় বলেই স্টার্কের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন ম্যাথু ওয়েড। দ্রুতই তাকে অনুসরণ করেন স্টিভ স্মিথ। ৮ রান করা স্মিথকে ফেরান রাইলি মেরেডিথ।

গেলবছরের বিশ্বকাপের পর বাদ পড়েছিলেন স্টয়নিস ও ম্যাক্সওয়েল। আর এই দুজনই কিনা একসঙ্গে জুটি বেধে ম্যাচের ভাগ্য কামিন্স একাদশের পক্ষে আনেন।

৭১ বলে ১২ চার ও ২ ছক্কায় ৮৭ রান করে আউট হন স্টয়নিস। ১১৪ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় ১০৮ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। স্টয়নিসকে ফেরান মেরেডিথ, ম্যাক্সওয়েলকে নাথান লায়ন।

জয় থেকে দল যখন ১৮ রান দূরে তখন পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসাবে আউট হন ম্যাক্সওয়েল। এরপর কামিন্স একাদশ হারায় আরো ৩ উইকেট। তবে শেষমেশ ঠিকই জয় তুলে নেয়, ৫১ বল হাতে রেখে।

মঙ্গলবার আরো এক ইন্ট্রা স্কোয়াড ম্যাচ খেলবে অজিরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

অ্যারন ফিঞ্চ একাদশ ২৪৯/১০ (৪৮.৪), ওয়ার্নার ৩৪, ফিঞ্চ ৯, লাবুশেইন ২১, মার্শ ১৮, ফিলিপ ১, সামস ২৮ ও ২০ (দুইবার ব্যাট করেছে), স্টার্ক ৪১, টাই ৫৯, লায়ন ৩, মেরেডিথ ৪*; কামিন্স ৭.৪-১-৪১-২, হ্যাজেলউড ৭-০-৩৩-১, জাম্পা ৫-০-১৯-২, অ্যাগার ৪-০-২৫-১, স্টয়নিস ৭-০-৩১-৪

প্যাট কামিন্স একাদশ ২৫০/৮ (৪১.৩), ওয়েড ০, স্টয়নিস ৮৭, স্মিথ ৮, ম্যাক্সওয়েল ১০৮, ক্যারি ১৫, অ্যাগার ১১, অ্যাবট ৫, কামিন্স ৮*, জাম্পা ০, রিচার্ডসন ০*; মেরেডিথ ৭-২-৩৭-২, লায়ন ৯.৩-০-৪৭-৩, টাই ৬-০-৩৬-১

ফলাফলঃ কামিন্স একাদশ ২ উইকেটে জয়ী।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সূচি-

ভাইটালিটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ-

১ম টি-টোয়েন্টি- ৪ সেপ্টেম্বর, এজেস বোলে
২য় টি-টোয়েন্টি- ৬ সেপ্টেম্বর, এজেস বোলে
৩য় টি-টোয়েন্টি- ৮ সেপ্টেম্বর, এজেস বোলে

রয়্যাল লন্ডন ওয়ানডে সিরিজ-

১ম ওয়ানডে- ১১ সেপ্টেম্বর, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে
২য় ওয়ানডে- ১৩ সেপ্টেম্বর, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে
৩য় ওয়ানডে- ১৬ সেপ্টেম্বর, ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

পুরানের বিধ্বংসী শতকে গায়ানার সহজ জয়

Read Next

মিসবাহর বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সমালোচনায় ওয়াসিম-ইনজামাম

Total
23
Share