নতুন শুরুর অস্বস্তিতে নারীরাও

নাহিদা আক্তার
Vinkmag ad

দেশের ক্রিকেট সরব হতে শুরু করেছে। গত ১৯ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে পুরুষ ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন। আজ (১০ আগস্ট) থেকে অনুশীলনের অনুমতি মিলেছে নারী ক্রিকেটারদেরও। তিন ভেন্যুতে মোট ৯ জন ক্রিকেটার প্রথব পর্বে অংশ নিচ্ছে ব্যক্তিগত অনুশীলনে। মিরপুরে প্রথম দিনের ট্রেনিং শেষে বাঁহাতি অর্থোডক্স নাহিদা আক্তার জানিয়েছেন শুরুটা অন্য সবার মত অস্বস্তিরই লেগেছে। তবে মাঠে ফিরতে পেরে যারপরানই খুশি এই টাইগ্রেস।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাটিং, বোলিং, ফিটনেস ট্রেনিং করবেন শারমিন সুপ্তা, শামিমা সুলতানা, জাহানারা আলম, নাহিদা আক্তার ও লতা মন্ডল।

আজ (১০ আগস্ট) প্রথম দিন বেলা ১২ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত মূল মাঠে রানিং ও জিমনেশিয়ামে ফিটনেস নিয়ে ঘাম ঝরান নাহিদা আক্তার। এরপর ইনডোরে সেরেছেন বোলিং অনুশীলনও।

প্রথম দিনের ট্রেনিং শেষে ২০ বছর বয়সী এই নারী ক্রিকেটার জানান শুরুটা কষ্টেরই ছিল। তবে সব ছাপিয়ে ভালো লাগাটা জানাতে ভুলেননি, ‘অনেকদিন পর মাঠে আসতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। দীর্ঘ পাঁচ মাস পর আমরা মাঠে আসলাম। জিম করেছি, বোলিং করেছি। যদিও একটু কষ্ট হয়েছে, তারপরেও আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো হয়েছে।’

‘আর বিসিবিকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদেরকে এমন একটা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। করোনা পরিস্থিতিতে বিসিবি আমাদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে, সেগুলো আমরা বাড়িতে টুকটাক কাজ করেছি। এখন মাঠে যে করতে পেরেছি এটাই আলহামদুলিল্লাহ।’

তবে নিয়মিত অনুশীলনে শুরুর অস্বস্তি কেটে যাবে দ্রুতই, এমনটাই বিশ্বাস নাহিদার, ‘বাসায় আমরা কিছু ফ্রি হ্যান্ডের কাজ করেছি বিসিবি থেকে ফিজিও, ট্রেইনার যেগুলো দিয়েছে সেগুলো করেছি। এখন অনেকদিন পর, প্রায় পাঁচ মাস পর আমি বল করতে পেরেছি। একটু কষ্ট হয়েছে, তবে আস্তে আস্তে এটা ঠিক হয়ে যাবে যদি আমরা ধারাবাহিক ভাবে করতে পারি।’

উল্লেখ্য, মিরপুর ছাড়া খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ব্যক্তিগত অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছেন অলরাউন্ডার সালমা খাতুন ও রুমানা আহমেদ। অন্যদিকে বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে স্কিল, ফিটনেস নিয়ে কাজ করছেন খাদিজাতুল কুবরা ও শারমিন সুলতানা।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

সীমিত আকারে খেলাধুলা ও প্রশিক্ষণ চালুর অনুমতি দিল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

Read Next

যেভাবে মানসিকভাবে শক্ত থাকছেন নারী ক্রিকেটাররা

Total
3
Share