করোনাকালে যেভাবে ফিট থাকতে চেয়েছেন সাব্বির

রহমান
Vinkmag ad

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশের ক্রিকেট ফিরতে শুরু করেছে। গত ১৯ জুলাই থেকে ব্যক্তিগত অনুশীলনে ফিরেছে ক্রিকেটাররা। ঈদের ছুটি শেষে দ্বিতীয় পর্বে নতুন করে যোগ দিয়েছেন বেশে কয়েকজন ক্রিকেটার।

মিরপুরে অনুশীলন শুরু করা সাব্বির রহমান জানালেন গৃহবন্দী সময়টা কীভাবে কাজে লাগিয়েছেন। বিসিবির তত্বাবধানে ব্যক্তিগত অনুশীনে যোগ দিয়েও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

মার্চের মাঝামাঝিতে সব ধরণের ক্রিকেট বন্ধ হয় দেশে। ফলে বেশিরভাগ ক্রিকেটারই নিজেদের স্থায়ী নিবাসে ফিরে যায়। সাব্বির রহমানও রাজশাহীতে ফিরে যান। বেশ কয়েকমাস হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন। শেষদিকে অবশ্য নিজ উদ্যোগে বিভাগীয় স্টেডিয়ামের ইনডোর ও বাসার সিঁড়িকে হাতিয়ার বানিয়ে করেছেন রানিং, ফিটনেসের কাজ।

শেষদিকে ব্যাটিং অনুশীলনে ব্যবহার করেছেন ক্লেমন একাডেমির মাঠও। আজ (৯ আগস্ট) মিরপুরে অনুশীলন শেষে সাব্বির বলেন, ‘আমার বাসা রাজশাহী, আমি ২৫ মার্চ ওখানে চলে যাই। তবে করোনার কারণে খুব একটা সুযোগ সুবিধা পাইনি অনুশীলনের। আমি নিজেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখছি, আমার পরিবার ছিল।’

‘বাসায় কিছু কাজ ছিল ফিটনেসের, রাবার ব্যান্ডের কাজ। এরপর রাজশাহীতে ইনডোরের সুবিধা নিয়েছি একা একা। ক্লেমনে জিমনেসিয়াম ব্যবহার করতে পেরেছি। ওখানে আমি সন্ধ্যা বা রাতে একা একা কাজ করেছি। আর রানিংটা বাসার সিঁড়িকে কাজে লাগিয়েছি। ক্লেমন ইনডোরে ব্যাটিং, বোলিং অনুশীলন করেছি।’

সব ছাপিয়ে মিরপুরে বিসিবির অনুমতি সাপেক্ষে অনুশীলনে ফেরাটা বাড়তি আনন্দ দিচ্ছে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানকে। ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার জানান, ‘প্রায় চার মাস পর এই মাঠে (মিরপুর) আসা। অনুভূতি প্রকাশ করতে পারবোনা, খুব ভালো লাগছে। অনেকদিন পর অনুশীলন শুরু করলাম মিরপুর স্টেডিয়ামে।’

‘ব্যাটিং করলাম, বিসিবি যেসব নির্দেশনা দিয়েছে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখা ও অন্যান্য সুন্দর সুন্দর নিয়ম সেসব মেনে চলছি। খুব ভালো সুযোগ সুবিধা অনুশীলনের জন্য, ওয়ান বাই ওয়ান। সবাই টাইম মেইনটেইন করছে। আজ আমার দুইটা থেকে ছিল, ট্রেনিং শেষ করলাম খুব ভালো লাগছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

‘মাঝে মাঝে হতাশা কাজ করছে’

Read Next

সেরা দশে ঢুকলেন আব্বাস, ওকস-শানদের লম্বা লাফ

Total
4
Share