চেনা আঙিনাও অচেনা লাগছে মিঠুনের কাছে

মোহাম্মদ মিঠুন
Vinkmag ad

গত চার মাসে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মানেই যেন একটা হাহাকার, শূন্যতা। ক্রিকেটার, গণমাধ্যমকর্মী, কিংবা বোর্ডের কর্মকর্তাদের ব্যস্ততা ছিলনা হোম অফ ক্রিকেটে। করোনা প্রভাবে সবকিছুই যেন থমকে গিয়েছিল এক প্রকার। আজ (১৯ জুলাই) থেকে সেই চেনা দৃশ্যগুলোরই কিছুটা হলেও পুনরাবৃত্তি হতে শুরু করেছে। আগামী এক সপ্তাহ মিরপুর সহ দেশের চারটি ভেন্যুতে ৯ জন ক্রিকেটার নিজেদের মত করে ট্রেনিং করবেন।

বিসিবির দেওয়া সূচি মোতাবেক আজ মিরপুরে সবার আগে আসেন মোহাম্মদ মিঠুন। একাডেমি মাঠে বেঁধে দেওয়া সময় অনুসারে রানিং, জিম শেষে ইনডোরে কিছুটা সময় কাটিয়েছেন স্কিল নিয়েও। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে দূরত্ব ছিল বেশ ভালো রকমেরই। নিরাপত্তা বিবেচনায় রেখে বিসিবিই দেখভাল করছে বিষয়টি। যেকজন সাংবাদিক মাঠে গিয়েছেন তাদেরও বেশ দূর থেকে ছবি ও ভিডিও নিতে হয়েছে। আর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগেরদিনই এমন নির্দেশনা দেয় বিসিবি।

মোহাম্মদ মিঠুন

মিঠুনের ট্রেনিং শেষ দিকে মাঠে আসেন মুশফিকুর রহিমও। সূচি অনুসারে তিনিও একই কাজগুলো করেন। সবার শেষে আসেন পেসার শফিউল ইসলাম। তার অবশ্য স্কিল ট্রেনিং করার সুযোগ ছিলনা, জিম আর রানিং শেষেই ফিরতে হয়েছে এই পেসারকে। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরে মোহাম্মদ মিঠুন জানিয়েছেন কঠিন লাগছে সবকিছুই।

বাসায় প্রায় সব ক্রিকেটারই ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন। তবে সবুজ ঘাসে মোড়ানো মাঠ আর আধুনিক প্রযুক্তির উপহার ফিটনেস সরঞ্জামের মধ্যে ফারাকটাতো স্পষ্ট। তা না হলে ট্রেডমিল রেখে মুশফিক কেন বাড়ির সামনে রাস্তায় দৌড়াবেন কিংবা ব্যক্তিগত যোগাযোগে বেছে নিবেন কোন প্রতিষ্ঠানের মাঠ।

ডানহাতি ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন অবশ্য বলছেন মাঠে রানিং, ব্যাটিং শুরুতে কঠিন মনে হলেও ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।

আজ অনুশীলন শেষে ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ৪ মাস পর আজ মাঠে ফিরেছি। ব্যাটিং-রানিং সব কিছুই একটু কঠিন মনে হচ্ছে। এতোদিন সব ইন্ডোরে করেছি, এখন বাইরে। একটু সময় লাগবে। আশা করছি যতদিন যাবে সব কিছুই আগের মতো ফিরে পাব।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

আয়ারল্যান্ডের ওয়ানডে স্কোয়াডে ঢুকলেন থম্পসন

Read Next

করোনা টেস্টে পজিটিভ সাকিবের বাবা

Total
4
Share