বাদ পড়ে হতাশার সাথে রাগও ঝাড়লেন ব্রড

স্টুয়ার্ট ব্রড
Vinkmag ad

টেস্টে জিমি অ্যান্ডারসনের সাথে জুটি বেঁধে বল করছেন স্টুয়ার্ট ব্রড, এটাইতো ইংলিশ ক্রিকেটে নিয়মিত ঘটনা ছিল। বিশেষ করে ঘরের মাঠে ২০১২ সালের পর কখনো কখনো চোটে পড়ে অ্যান্ডারসনকে ছিটকে যেতে হলেও এক পাশে ব্রড ছিলেন নিশ্চিতই। পরিসংখ্যান বলছে টানা ৫১ টেস্ট খেলেছেন ঘরের মাঠে, উইকেট শিকার করেছেন ২০০ এর বেশি। অথচ তাকেই কীনা বাদ পড়তে হল করোনা পরবর্তী প্রথম টেস্টে।

সাউদাম্পটনে গত ৮ জুলাই থেকে মাঠে গড়িয়েছে ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটি। অথচ দলে নেই স্টুয়ার্ট ব্রড, যিনি ঘরের মাঠে সবশেষ সিরিজেও দলের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন। গতবছর ইংল্যান্ডের মাটিতেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে ৫ ম্যাচে তুলে নেন ২৩ উইকেট।

দলের কম্বিনেশন বিবেচনায় ইংলিশদের টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিকে বাদ পড়তে হয়েছে। মার্ক উডকে জায়গা দিতে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে ডানহাতি এই পেসারকে। ৪৮৫ টেস্ট উইকেটের মালিক নিজে অবশ্য সেটিকে ভালোভাবে নিতে পারেননি। আবেগপ্রবণ হয়ে করেছেন হতাশার বহিঃপ্রকাশও।

আজ (১০ জুলাই) সাউদাম্পটন টেস্টের তৃতীয় দিন স্কাই স্পোর্টসের সাথে আলাপে ব্রড বলেন, ‘আমি খেলার আগেরদিন সন্ধ্যা ৬ টার দিকে জানতে পারি। স্টোকস (বেন স্টোকস) আমাকে বলেছে তারা অতিরিক্ত গতি নিয়ে এগোতে যাচ্ছে। এমনিতে আমি খুব একটা আবেগী না। তবে শেষ দুইদিন আমার জন্য বেশ কঠিন ছিল। শুধু হতাশ বললেও কম হয়ে যায়। ফোনে পড়ে গিয়ে স্ক্রিণ ভেঙে গেলে অনেক হতাশ হয়।’

‘আমি হতাশ, রাগান্বিত ও উদাসীন হয়ে পড়েছি। কারণ এই সিদ্ধান্ত বোঝাটা আমার জন্য কঠিন ছিল। গত দুই বছর সম্ভবত আমি আমার সেরা বোলিংটাই করেছি। মনে হচ্ছে এই জায়গা আমারই। অ্যাশেজের দলে ছিলাম, দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েও জিতেছি।’

ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেও দল থেকে বাদ পড়ে ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা জাগে ইংলিশ পেসারের। নির্বাচকের সাথে কথা বলেন খোলামেলাভাবে তবে পেয়েছেন ইতিবাচক বার্তা। ব্রড যোগ করেন, ‘আমি ভবিষ্যত সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেতে চেয়েছি। তারা আমাকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সামনে অগ্রসর হওয়ার ক্ষেত্রে।’

‘আমার মনে হয়েছে দলে অন্যদের মত আমিও জায়গা পাওয়ার যোগ্য। ক্রিস ওকস, স্যাম কারেন সত্যিই দুর্দান্ত বোলিং করছিল। আর তারাও একাদশে থাকার যোগ্য। গতরাতে আমি এড স্মিথের (নির্বাচক) সাথে কথা বলি। তিনি জানান ১৩ জন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সেরা পন্থাই অবলম্বন করেছেন।’

নিজেকে প্রমাণ করার কিছু নেই উল্লেখ করে ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার বলেন, ‘আমি মনে করিনা আমার প্রমানের কিছু আছে। ইংল্যান্ড জানে আমি কি করতে পারি। এবং আমি যখন আবার সুযোগটি পাব আপনি বাজি ধরতে পারেন আমি শীর্ষেই থাকবো।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ক্যানেরিয়া-মালিক ইস্যুতে পিসিবির বিবৃতি

Read Next

আয়ারল্যান্ডের ওয়ানডে স্কোয়াড ঘোষণা, দুই নতুন মুখ

Total
2
Share