টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ভীত মাইক হাসি

মাইক হাসি
Vinkmag ad

করোনা প্রভাবে অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে শঙ্কায় খোদ অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড। বাস্তবতা পর্যালোচনায় অনেকটা অসম্ভব বলেও জানিয়েছেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান আর্ল এডিংস। এবার দেশটির সাবেক তারকা ক্রিকেটার মাইক হাসিও বলছেন বিশ্বকাপ আয়োজনকে অনেকটা দুঃস্বপ্ন মনে হচ্ছে। যদিও দফায় দফায় আলোচনা করেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি আইসিসি।

হটস্পট নামে একটি পডকাস্টে মাইক হাসি বলেন, ‘সত্যি বলতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে আমি কিছুটা ভীত। আমি মনে করি টুর্নামেন্ট আয়োজনের লক্ষ্যে দলগুলোকে এখানে (অস্ট্রেলিয়া) আনা, তাদেরকে আইসোলেশনে রাখা ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রেখে ভালো একটা প্রস্তুতি নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত হবে।’

‘কিন্তু এতগুলো দলকে একসাথে উড়িয়ে এনে তাদের যথাযথভাবে প্রস্তুত করতে আলাদা রাখা এবং এরপর দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে ঘুরিয়ে খেলানো আমার কাছে যৌক্তিকভাবে দুঃস্বপ্ন মনে হয়। আমরা যা শুনছি তাতে মনে হচ্ছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২১ বা ২০২২ সালে পিছিয়ে যেতে পারে।’

তবে সব ছাপিয়ে অস্ট্রেলিয়ানদের মূল লক্ষ্য অবশ্যই বছরের শেষে আতিথেয়তা দেওয়া। সেভাবেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। সাবেক অজি তারকা মাইক হাসিও মনে করেন যথাসময়েই মাঠে গড়াবে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ।

তিনি যোগ করেন, ‘ভারতের অস্ট্রেলিয়া সফর আমার কাছে ইতিবাচকভাবেই সামনে এগোচ্ছে বলে মনে হয়। আমি মনে করি একটা নির্দিষ্ট দলকে এখানে আনা এবং সব নিরাপত্তা ঠিকঠাকভাবে নিশ্চিত করা তুলনামূলক সহজ।’

‘উদাহরণস্বরূপ বলা যায় অ্যাডিলেড ওভাল স্টেডিয়ামের পাশেই একটি হোটেল তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ভারতীয়রা নিজেদের আস্তানা গড়তে পারে। তারা বেশ ভালোভাবেই নিজেদের ট্রেনিং চালিয়ে যেতে পারবে এবং ভালো প্রস্তুতি নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারবে।’

অজিদের হয়ে ১২ হাজারের বেশি রান করা মাইক হাসি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে অবশ্য বেশ কঠিন অবস্থানের কথা জানালেন। তার মতে একজন এই ভাইরাসে পজিটিভ হলেই খেলাটা বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ।

৪৫ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান বলেন, ‘এই ভাইরাসটি ভয়াবহ রকমের সংক্রামক। আপনি যদি ভাবেন যে একজন পজিটিভ হয় তবে তার আশেপাশে যারা আছে তারাও ঝুঁকিতে। এমনকি পুরো দলের মধ্যেই সংক্রমিত হতে পারে।’

‘আপনি কি করতে যাচ্ছেন? ৫-৭ জন ক্রিকেটারের বিকল্প প্রস্তুত রাখতে পারবেন সর্বোচ্চ। এটাও অনেক ক্ষেত্রে কঠিন। কেউ যদি করোনা পজিটিভ প্রমাণিত হয় কিংবা কারও মধ্যে লক্ষ্মণ দেখা যায় তবে সাথে সাথে পুরো খেলাই বন্ধ করে দিতে হবে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে লঙ্কান ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিশেষ তদন্ত কমিটি

Read Next

২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফিক্সিং ইস্যুতে আইসিসির বিবৃতি

Total
5
Share