‘১২’ বাছাইকৃত পেসার নিয়ে পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন ওটিস গিবসন

ওটিস গিবসন
Vinkmag ad

করোনা পরবর্তী সময়ে মাঠে ক্রিকেট ফিরলে বোলাররা লালা ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন না সহসায়। মূলত স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা ভেবেই সাময়িক সময়ের জন্য লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন সিদ্ধান্তের পর বিকল্প কিছুর ভাবনায় পেসাররা। বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন মনে করেন পুরোনো বলে ভালো করার দক্ষতা বৃদ্ধিই হতে পারে সমাধান। ঘরোয়া ক্রিকেটেও পুরোনো বলে কয়েক স্পেল করে অভ্যস্ত হওয়ার পরামর্শ তার।

বলা হয়ে থাকে নতুন বলে উজ্জ্বলতা যতক্ষণ থাকে ততক্ষণই পেসারদের রাজত্ব। ধীরে ধীরে বল পুরোনো হলে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় স্পিনারদের হাতে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মত কন্ডিশনে এমন কিছু নিয়মিতই দেখা যায়। বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচে পুরোনো বলে পেসারদের খুব একটা বল করার অভ্যাস নেই।

ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে ওটিস গিবসন বলেন, ‘বাংলাদেশে পেসাররা পুরোনো বলে খুব একটা বল করেনা। যখন বলের উজ্জ্বলতা কমে যায়, স্পিনাররা দায়িত্ব নেয়। এমনকি ঘরোয়া ক্রিকেটেও এটিই হয়ে থাকে। স্পিনাররা বল হাতে নেয় এবং তারাই ইনিংস শেষ করে। এর ফলে পেসাররা পুরোনো বলে বল করার সুযোগ পায়না।’

‘এটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ঘরোয়া ক্রিকেটে পেসারদের প্রয়োজন দুই-তিনটি স্পেল পুরোনো বলে অনুশীলন করা। যাতে তারা দেশের বাইরে বোলিং করার ক্ষেত্রে অভ্যস্ত হতে পারে। যে সব কন্ডিশনে পেস বোলিং আরও অনুকূলে থাকবে।’

বাংলাদেশের পেস বোলিং বিভাগে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) কোচ চম্পাকা রামানায়েকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দুই বছরের চুক্তি বাংলাদেশ পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব নেওয়া ওটিস গিবসনও তুলে ধরলেন তার অবদান।

‘আমি মনে করি প্রতিটি দলেই এখন বিশেষজ্ঞ পেস বোলিং গ্রুপ আছে। বাংলাদেশও এর চেয়ে আলাদা নয়। চম্পাকা পেস বোলারদের দেখভাল করছে আর সে দারুণভাবে ব্যাপারটি সামলে নিচ্ছে।’

আল-আমিন হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমানদের সাথে বিপিএলে নজর কাড়া মেহেদী হাসান রানা, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, হাসান মাহমুদদের নিয়ে বেশ আশাবাদী গিবসন।

তিনি বলেন, ‘সীমিত ওভারের জন্য আপনি আল আমিন, সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, মুস্তাফিজ, শফিউলদের পাচ্ছেন। এর বাইরে টেস্টের দিকে তাকালে তাসকিন, এবাদতদের নিয়ে কাজ করতে পারেন। তারা খুব বেশি অবশ্য খেলেনি।’

বাছাইকৃত ১২ জন পেসারকে নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন বলেও জানান টাইগারদের পেস বোলিং কোচ, ‘বিপিএলে আমি দুজন পেসার দেখেছি, মুকিদুল ইসলাম ও বাঁহাতি মেহেদী হাসান রানাকে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রতিভার অভাব নেই। ১২ জন পেসার ইতোমধ্যে আমাদের তালিকায় আছে। আর তাদেরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে তোলার প্রচেষ্টা আমাদের। তাদের প্রতি আস্থা না রাখার কোন কারণ নেই। আমি বিশ্বাস করি তাদের সে সম্ভাবনা ভালোভাবেই আছে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

সেরা টেস্ট একাদশ বেঁছে ট্রোলড পিযুশ চাওলা!

Read Next

‘সাইনোসাইটিসে’ চিকিৎসাধীন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব

Total
13
Share