‘দ্য নিউ নরমালে’ মানিয়ে নিতে মনোবিদের শরণাপন্ন ব্রড

স্টুয়ার্ট ব্রড
Vinkmag ad

অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডে টেস্ট ম্যাচ অথচ মাঠে নেই কোন দর্শক, এমনটা হয়তো দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। তবে এটাই এখন ‘দ্য নিউ নরমাল’। কিন্তু করোনা প্রভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজ দর্শকবিহীন গ্যালারির সামনেই খেলবে ইংলিশরা। আগে এমন উদ্ভট পরিস্থিতির সামনে না পড়া পেসার স্ট্রুয়ার্ট ব্রডতো বেশ উদ্বিগ্নতার সাথে সময় কাটাচ্ছেন। মানসিকভাবে ঠিক থাকতে কথা বলেছেন মনোবিদের সাথেও।

আগামী ৮ জুলাই সাউদাম্পটনে টেস্ট দিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজটি মাঠে গড়াবে। করোনা পরবর্তী যা প্রথম আন্তর্জাতিক সিরিজ। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মাঠে ক্রিকেট ফেরাতে বেশ কিছু সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই যেতে হচ্ছে দলগুলোকে। ইংল্যান্ডে পৌঁছে আইসোলেশন শেষেই অনুশীলনের সুযোগ মিলেছিল ক্যারিবিয়ানদের।

কিন্তু সব ছাপিয়ে দর্শকবিহীন মাঠে খেলাটাই যেন মানসিকভাবে বিষিয়ে তুলেছে ইংলিশ পেসার ব্রডকে। ৩৪ বছর বয়সী ডানহাতি এই পেসার বলেন, ‘এটি (দর্শকবিহীন মাঠ) আমার জন্য উদ্বেগের বিষয়। কারণ আমি জানি যে খেলোয়াড় হিসেবে কখন আমি সেরা পারফর্মটা করতে পারি। মূলত খেলা যখন চূড়ান্ত উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় থাকে ও যখন খেলায় পরিবর্তন প্রয়োজন হয়।’

‘আমি আরও জানি যে এখানে কিছু নির্দিষ্ট দৃশ্য রয়েছে যা আমাকে খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে খারাপ পারফর্মের দিকে নিয়ে যায়। আর তা হল যখন আমি অনুভব করি যে খেলাটি তার প্রকৃত অবস্থায় নেই।’

সিরিজ শুরুর আগে মানসিক দ্বিধায় পড়া ইংলিশ পেসার মনোবিদের সাথে আলাপ করেছেন বলেও জানান। ব্রড বলেন, ‘প্রতিটি খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের লড়াইয়ে নামার জন্য সঠিক অবস্থায় আছে কীনা তা জানার মানসিক পরীক্ষা দিতে হবে। এ ব্যাপারে আমি বেশ সচেতন। আমি আমাদের স্পোর্টস সাইকোলোজিস্টের সাথে ইতোমধ্যে মানসিকভাবে ঠিক থাকার ব্যাপারে কিছুটা আলাপও করেছি।

‘আমার সেরাটা দেওয়ার জন্য যেখানে প্রয়োজন সেখানে আবেগের পুরোটা যেন আসতে পারে সেটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।’ টেস্টে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টেস্ট উইকেট সংগ্রাহক যোগ করেন।

ব্রড আরও বলেন, ‘আপনি যদি আমাকে অ্যাশেজ বা মৌসুম শুরুর আগে একটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে বলেন সেক্ষেত্রে আমি জানি কোথায় আমার সেরাটা আসবে। তাই একটি আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচের আগে আমি আমার পুরো আবেগের বহিঃপ্রকাশ করতে চাই যেখানে প্রয়োজন। আর এটা এমন জিনিস যা নিয়ে আমি জুনের শুরু থেকে কাজ করছি।’

‘এখানে কেউ নেই, কিছু হচ্ছেনা (গ্যালারিতে দর্শক) এমন কিছু যেন আগে থেকেই মস্তিষ্কে গেঁথে দিতে পারি সে প্রশিক্ষণটাই দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমি নিশ্চিত হতে পারছি যে আমার মস্তিষ্ক টেস্ট খেলার মুডেই আছে। আমি বলছিনা আমি পুরোপুরি মানসিকতা ধারণ করছি তবে বেশ কাজ করছি এসব নিয়ে। প্রশিক্ষণের কারণে ব্যাপারটা দৃঢ় হচ্ছে কিন্তু দর্শকছাড়া খেলতে আমরা অভ্যস্তও (ঘরোয়া ক্রিকেটে)।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

শচীন-সৌরভকে বিশ্বকাপ না খেলতে প্রনোদিত করেছিলেন দ্রাবিড়

Read Next

নাইজেল লংয়ের স্থলাভিষিক্ত হলেন নিতিন মেনন

Total
7
Share