আশাবাদী মুমিনুল, সতীর্থদের জন্য দিলেন বার্তা

মুমিনুল হক
Vinkmag ad

এমনিতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ হয়না। মুমিনুল হকের মত শুধুমাত্র টেস্ট নির্ভর খেলোয়াড়দের জন্য যা হতাশারই বলা যায়। তবে অন্য ফরম্যাটে নিয়মিত খেলা থাকায় খুব বেশি ফাঁকা সময় যায়না বাকিদের। চলতি বছর অবশ্য সুযোগ ছিল সেই আক্ষেপ কমানোর, বেশ ব্যস্ত সময় কাটানোর কথা ছিল সাদা পোশাকে। করোনা ভাইরাস প্রভাবে একের পর এক স্থগিত হয়েছে সিরিজ। যেভাবে চলছে তাতে কোন ফরম্যাটেই এ বছর টাইগারদের মাঠে নামা হচ্ছে কীনা রয়েছে সে সংশয়।

টেস্ট কাপ্তান মুমিনুল হক অবশ্য মন খারাপ করলেও হতাশ হচ্ছেন না। প্রাকৃতিক দূর্যোগ বলে সময়টা ভিন্নভাবে কাজে লাগানোর পরামর্শও দিচ্ছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। অন্যদিকে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ বলে স্থগিত হওয়া সিরিজগুলো নিয়ে আশাবাদী মুমিনুল। তার মতে চলতি বছর না হলেও আগামী বছর সিরিজগুলো খেলার সুযোগ থাকছে।

টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এটা সত্য যে করোনার উপরে কারও হাত নেই। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে খারাপতো লাগেই। কারণ আমরাতো খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাইনা। এ বছর অনেক সুযোগ ছিল। আমি আশাবাদী যেহেতু টেস্টগুলো টেস্ট চ্যাম্পিনশিপের অংশ সেহেতু এ বছর না হলেও আগামী বছর হবে।’

তিন মাসের বেশি সময় ধরে গৃহবন্দী ক্রিকেটাররা। স্কিল নিয়ে কাজ করার সুযোগ নেই, ফিটনেসে মনযোগ দেওয়া ছাড়া উপায়ও নেই। তবে মুমিনুলের মতে এ সময় মানসিকভাবে নিজেকে ঠিক রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ, ‘আমার কাছে মনে হয় এ সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং হল মানসিকভাবে নিজেকে ঠিক রাখা। মানসিকভাবে ঠিক থাকতে আমার কাছে যেটা মনে হয় নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরের এসব ব্যাপার নিয়ে মাথা না ঘামানোটা উচিৎ।’

‘দিনশেষে হতাশা আসবে স্বাভাবিক, তবে সেসব দূরে রেখে ভালো ভালো জিনিস নিয়ে চিন্তা করে নিজেকে ব্যস্ত রাখা যায়। যেমন অনেকে আছে বই পড়ে, বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী পড়ে। আপনার যদি মনে হয় অনেক ইবাদত বন্দেগী করতে পারেন। এভাবে সময় পার করা যায়। আসলে এসব যার যার মানসিকতার উপর।’

পরিস্থিতি বিবেচনায় বাস্তবতা বলছে চলতি বছর আর মাঠে নামা নাও হতে পারে মুমিনুলদের। কিন্তু বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক বলছেন আলৌকিক কিছু হলে দ্রুতই বদলে যেতে পারে চিত্র। ফলে পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রাখতেই মনযোগ তার, ‘পরিস্থিতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে এটা বলাটা কঠিন এ বছর খেলা হবে কি হবেনা। আল্লাহ যদি চায় আলৌকিকভাবে এক দুই মাসের মধ্যে পরিস্তিতি স্বাভাবিক হয়েও যেতে পারে।’

‘পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমি মনে করি আমাদের সবার সেভাবে প্রস্তুত থাকা উচিৎ। যেকোন সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে খেলা হতে পারে। এ বছর খেলা হবেনা এমন কিছু না ভেবে ভালো চিন্তা নিয়ে প্রস্তুত থাকা উচিৎ। যেহেতু মানুষ, মানুষ আশা নিয়েই বাঁচে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

যুবরাজকে ‘রসিকতা’ ফিরিয়ে দিলেন শাস্ত্রী

Read Next

রিজওয়ানের সর্বনাশে রোহেলের পৌষ মাস!

Total
4
Share