তামিম-মুমিনুলদের জন্য বিসিবি’র ‘ওয়েলনেস অ্যাপ’

বাংলাদেশ জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প
Vinkmag ad

দেশের করোনা পরিস্থিতি একই অবস্থায় দীর্ঘদিন, নেই উন্নতির লক্ষ্মণ। ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মত দেশগুলো অনুশীলন শুরু করলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের গৃহবন্দী সময় লম্বা হচ্ছে। দফায় দফায় নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েও কোনটাই বাস্তবায়নে কাজ শুরু করতে পারেনি বিসিবি। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার খাতিরেই কোন ঝুঁকি নিতে চায়না দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা। তবে ঘরে বসে স্কিল না হোক অন্তত ফিটনেসের ব্যাপারে নিজেদের ভূমিকা পালনে বদ্ধপরিকর বিসিবি।

করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেস ট্রেনিংয়ের রুটিন তৈরি করে দেয় বিসিবি। এর বাইরেও নানা ধরণের পরামর্শ দিয়ে আসছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এবার ঘরে বসেই ক্রিকেটারদের শারীরিক অবস্থা জানতে ওয়েলনেস অ্যাপের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করতে যাচ্ছে তারা।

প্রতিদিন অ্যাপসের মাধ্যমে কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ক্রিকেটাররা জানাবেন তাদের ফিটনেসের অবস্থা। কোন সমস্যা হচ্ছে কীনা সেটিও খুব সহজে ধরতে পারবে অ্যাপসটি। আজ (২৫ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানায় বিসিবি।

ক্রিকেটারদের মানসিক ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানার অ্যাপসটিতে ‘ইডিজিই১০ স্পোর্টস অ্যানালিটিকস’ সফটওয়্যার ব্যবহার হয়েছে। খেলোয়াড়েরা অ্যাপসটি যেকোন স্মার্টফোন বা স্মার্ট ডিভাইস থেকে সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন। এতে করে বিসিবি ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্যের সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে প্রতিনিয়ত অবগত থাকবে।

বিসিবির ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) ম্যানেজার নাসির আহমেদ বলেন, ‘খেলোয়াড়েরা প্রতিদিন কোভিড-১৯ উপসর্গ ও আচরণগত নিদর্শন সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দিবেন। প্রশ্নগুলো বিসিবির মেডিকেল টিমের সাথে একত্রে সেট করা হয়েছে। যেসব প্রশ্নের উত্তরের উপর ভিত্তি করে ক্রিকেটারদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যাবে।’

‘করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের এই অ্যাপসটি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করে। ইতোমধ্যে খেলোয়াড়েরা তাদের তথ্য দেওয়া শুরু করেছে। খুব শীঘ্রয়ই হোক কিংবা একটু সময় নিয়ে হোক আমাদের ক্রিকেটারদের মাঠে ফিরতে হবে। কোভিড-১৯ ওয়েলনেস অ্যাপসটি ক্রিকেটার ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় একটি টুলস।’

কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে বলে খুব দ্রুতই অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলেও মনে করেন বিসিবি এমআইএস ম্যানেজার। ক্রিকেটারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে তাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থাকে লাল, কমলা ও সবুজ শ্রেণিতে ভাগ করা হবে। যখনই কোন ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে লাল সংকেত আসবে তার ঝুঁকির পরিমাণ বেশি হিসেবে ধরা হবে। যা সাথে সাথে বিসিবি চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে এসএমএস আকারে চলে আসবে।

শুরুতে অ্যাপসটির মাধ্যমে জাতীয় পুরুষ দলের ক্রিকেটারদের সাথে কাজ করা হবে। এরপর নারী দল ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটারদেরও অন্তর্ভূক্ত করা হবে। প্রয়োজনে বাড়ান হতে পারে বিস্তৃতি।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

টুইট করে পিসিবিকে বিপাকে ফেলেছেন হাফিজ

Read Next

ভারতে বিশ্বকাপঃ ভিসা ইস্যুতে নিশ্চয়তা চায় পাকিস্তান

Total
19
Share