‘ফিল্ডিং ও ব্যাটিংয়ে কাজ করলে এশিয়া কাপ জেতা সম্ভব’

আজগর আফগান
Vinkmag ad

এশিয়ান ক্রিকেটে দ্রুত নিজেদের জাত চিনিয়েছে আফগানিস্তান। বেশ কয়েকজন দুর্দান্ত অলরাউন্ডারের পাশাপাশি রাশিদ খানের মত বিশ্বমানের লেগ স্পিনার রয়েছে দলটিতে। নিজেদের বোলিং নিয়ে সন্তুষ্ট আফগান অধিনায়ক আজগর আফগান বলছেন ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে উন্নতি করতে পারলে এশিয়া কাপের মত টুর্নামেন্ট জয়ও অসম্ভব নয়।

পূর্ব নির্ধারিত সময়ানুসারে সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এবারের এশিয়া কাপ। তবে ভারতের পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে অনাগ্রহের কারণে ভেন্যু পরিবর্তন হয়ে শ্রীলঙ্কায় যাচ্ছে বলে দাবি লঙ্কান বোর্ডের। কিন্তু করোনা ভাইরাস প্রভাবে যথাসময়ে টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে কীনা এ নিয়ে রয়েছে বেশ সংশয়। ঝুলে আছে অক্টোবর- নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্যও।

ঠিক সময়ে টুর্নামেন্ট দুটো মাঠে গড়াক বা না গড়াক নিজেদের প্রস্তুত রাখতে চায় আফগান শিবির। গত ৬ জুন থেকে কাবুল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপ সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করেছে রাশিদ খানরা।

এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কিংবা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বি পাক্ষিক সিরিজ সামনে বেশ ব্যস্ত সূচী টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। ফলে টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড়দের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে আফগানিস্তান,

‘টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড়দের প্রতি আমরা বেশি মনযোগ দিচ্ছি। সুতরাং যদি এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ ও দ্বি-পাক্ষিক সিরিজ যেটাই সামনে খেলতে হয় আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আশা করি খেলা শুরুর আগেই আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবো।’

আসন্ন এশিয়া কাপে নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে আফগান কাপ্তান যোগ করেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এশিয়া কাপে আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। কারণ খেলা হবে এশিয়াতে আর আমাদের আছে বিশ্বমানের কয়েকজন স্পিনার। আর এ কারণেই এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলা এমনকি শিরোপা জয়ের জন্য আমাদের ব্যাটিং ও ফিল্ডিং নিয়ে বেশ ভালো কাজ করতে হবে।’

অনুশীলন শুরু করলেও আইসিসির বেঁধে দেওয়া নিয়ম অনুসরণ করেই করছেন বলে জানান আজগর আফগান। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পটা খুব জরুরী ছিল। কারণ আপনি যদি দেখেন শেষ ৩০, ৪০ কিংবা ৫০ বছরেও এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি বিশ্ব ক্রিকেটকে। করোনা ভাইরাসের কারণে সব যেন থমকে গিয়েছে। আর এ জন্য আমাদের ক্যাম্পটি খুব জরুরী ছিল।’

‘সেক্ষেত্রে আমি কোচদের ধন্যবাদ দিতে চাই যারা এমন পরিস্থিতিতে আলাদা আলাদা হয়ে বিভিন্ন মাঠে আমাদের ক্যাম্পটি চালিয়ে নিচ্ছেন। তারা সকাল থেকে বিকেল পাঁচ টা পর্যন্ত পরিশ্রম করছেন। করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে আমাদের আইসিসি ও নিজস্ব স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। অনুশীলনে পাঁচ জনের বেশি একসাথে থাকছেনা।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

মালিকের জন্য বিশেষ ছাড় দিল পিসিবি

Read Next

করোনা টেস্টে পজিটিভ মাশরাফি

Total
5
Share