‘মিয়াদাদ যা করত, কোহলিও ও তাই করছে’

জাভেদ মিয়াদাদ ভিরাট কোহলি
Vinkmag ad

সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ভিরাট কোহলি নিজেকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। ভারতীয় ব্যাটিং ঈশ্বর খ্যাত শচীন টেন্ডুলকারতো বটেই পরবর্তী ডন ব্র্যাডম্যান হিসেবেও তার নামই উচ্চারিত হচ্ছে বেশি। নিজের এই যাত্রা শেষ পর্যন্ত কোথায় থামাবেন কোহলি সেটা সময়ই বলে দিবে। তবে ভারতীয় কাপ্তান ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্কে ইতোমধ্যে নিজেকে অনুসরণযোগ্য করে তুলেছেন সতীর্থ ও প্রতিপক্ষ ক্রিকেটারদের কাছে।

প্রতিটি দেশেই নিজেদের আইকনিক কোন ক্রিকেটার থাকে যাদের দেখে অনুপ্রেরণা পায় তরুণ ক্রিকেটাররা। বড় মিয়া খ্যাত জাভেদ মিয়াঁদাদ পাকিস্তানিদের কাছে নিঃসন্দেহে তেমনই একজন। পাকিস্তানের আরেক সাবেক ক্রিকেটার আমির সোহেল কোহলিকে তুলনা করছেন স্বদেশী জাভেদ মিয়াঁদাদের সাথে।

২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মিয়াঁদাদ পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন ১২৪ টেস্ট ও ২৩৩ ওয়ানডে ম্যাচ। রান করেছেন যথাক্রমে ৫২.৫৭ গড়ে ৮৮৩২ ও ৪১.৪৭ গড়ে ৭৩৮১। তবে পরিসংখ্যান দিয়ে মিয়াঁদাদকে বোঝানো প্রায় অসাধ্য। দলের প্রতি নিবেদন, লড়াকু মানসিকতা আর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে নিজেকে আলাদা করেছেন অন্য অনেকের চাইতে।

অন্যদিকে রান মেশিন খ্যাত ভারতীয় কাপ্তান ইতোমধ্যে রান করেছেন ২১ হাজারের বেশি। সেঞ্চুরি সংখ্যা ১০০ সেঞ্চুরির মালিক টেন্ডুলকারের পরেই অবস্থান তার (৭০)। যেভাবে ছুটছেন তাতে টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলবেন ক্যারিয়ার শেষের আগে এমনটাই মত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের। ফিটনেস ইস্যুতে কোন ছাড় না দেওয়া ও আগ্রাসী মানসিকতা তাকে আরও বেশি অনুসরণযোগ্য করে তুলেছে।

সাবেক পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান আমির সোহেল তার ইউটিউব চ্যানেলে কোহলি ও মিয়াঁদাদের প্রসঙ্গে বলেন, ‘বড় ক্রিকেটারদের আবির্ভাব আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এই সব ক্রিকেটার হঠাৎই যেন আবির্ভূত হন। তবে তাঁরা নিজেরা বিশাল পর্যায়ের হলেও তাতে দলে বিশেষ প্রভাব পড়ে। পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে গ্রেটনেসের কথা বললে প্রথম যে নামটা ভেসে ওঠে তা জাভেদ মিয়াঁদাদের। বাকি দলের খেলার মানেও উন্নতি ঘটিয়েছিলেন বলে তাঁর কথা এখনও আলোচিত হয়।’

‘ওর সঙ্গে লম্বা জুটি গড়লে অনেক কিছু শেখা যেত, অনুপ্রেরণা মিলত। যা নিজেকে ভাল করতে উদ্দীপ্ত করত। কোহলিও সেটাই করেছে। ওর আশপাশের প্রত্যেক ক্রিকেট নিজেকে উন্নত করেছে। আর এই কারণেই কোহলি গ্রেট ক্রিকেটার।’

‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলি যখন এসেছিল তখন ও ছিল ফ্ল্যামবয়েন্ট, আগ্রাসী, প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর। খুব দ্রুত ও উপলব্ধি করে ফেলে যে, ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে পেশাদার জীবনকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না। এটাই সাহায্য করেছে ওকে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

তিন গ্রেট বোলারের কাছ থেকে যেসব গুণ নিতে চান রাবাদা

Read Next

শ্রীলঙ্কা সফরে যাবার প্রশ্নে ক্রিকেটারদের ‘না’

Total
4
Share