মুশফিকের চেয়ে সাকিবের সঙ্গে বোঝাপড়া বেশি ভাল মাহমুদউল্লাহর

মাহমুদউল্লাহ

সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের সাথে জুটি বেঁধে বাংলাদেশের বহু জয়ে অবদান রেখেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পরিসংখ্যান মাহমুদউল্লাহ-মুশফিক জুটির কথা বললেও মাহমুদউল্লাহ নিজে অবশ্য এগিয়ে রাখছেন সাকিবের সাথে জুটি বাঁধাকে, দুজনের বোঝাপড়াও দুর্দান্ত।

‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ খ্যাত মুশফিকুর রহিমের সাথে টাইগারদের বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের আছে ৫ টি শতরান ও ২৮ টি ফিফটি পেরোনো জুটি। আবার দুজনে সম্পর্কে বায়রা ভাইও। ক্রিজে দুজনের কথাও হয় বেশ ভালো। তবে সব ছাপিয়ে স্বল্পভাষী সাকিবই এগিয়ে থাকছেন রিয়াদের চোখে। কথা কম বললেও চোখের ইশারায় আর শরীরি ভাষাতেই জানান দিয়ে দেন কি করতে যাচ্ছেন কিংবা কি করতে চান।

সাকিব-মাহমুদউল্লাহ জুটির বিজ্ঞাপন হয়ে থাকবে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কার্ডিফে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলে জয় নিশ্চিত করা ২২৪ রানের অসাধারণ জুটিটি। গতকাল (২৮ মে) ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘বিডিক্রিকটাইমের’ লাইভ আড্ডায় এসে রিয়াদ বলেন,

‘মুশফিকের সাথে আমার ভালোই পার্টনারশিপ হয়। তবে আমার কাছে মনে হয় সাকিবের সাথে আমার বোঝাপড়া আরও ভালো। আমরা যদিও কথা কম বলি, সাকিবও কথা কম বলে, আমিও কম বলি।’

‘কিন্তু আমরা আমাদের শরীরি ভাষা ভালো বুঝতে পারি। এমনকি রানিংয়ে আমাদের কলও দিতে হয় না। সাকিব আমার দিকে তাকায়, এরপর আমরা দৌড় শুরু করি। আমারও সেরকম কল দেওয়া লাগে না। আমাদের বোঝাপড়া খুব ভালো এবং আমি এটা খুব উপভোগ করি।’

অন্যদিকে মুশফিকের সাথে ২২ গজের দারুণ রসায়ণটা শুরু থেকেই ছিল বলে জানান রিয়াদ। দুজনের আত্মীয়তার সম্পর্ক এখানে খুব একটা প্রভাব ফেলেনি বলে মত টাইগারদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের, ‘এই বন্ধন (জুটি) শুরু থেকেই ছিল। তারপর নাহয় আমরা পারিবারিকভাবে সম্পর্কে যুক্ত হয়েছি। মাঠের সম্পর্কটা শুরু থেকেই ছিল। মুশফিক খুবই জ্ঞানসম্পন্ন একটি ছেলে। পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচনা করে পারফর্ম করে।’

‘কি হচ্ছে না হচ্ছে এই জিনিসগুলো তার পার্টনারকে অবগত করার চেষ্টা করে। এটা খুব ভালো একটা জিনিস। একটা সময় আমি হয়ত কিছু ভালো বুঝতে পারছি না, বা বুঝতে পারছি না কখন কী করা উচিৎ, তখন ও এসে ঐ বিষয়ে পরামর্শ দেয়। ওর সাথে ব্যাটিংও উপভোগ করি। সাকিবের সাথে বোঝাপড়া এরকম, ওর সাথে আরেকরকম।’

তিন ফরম্যাট মিলে জুটি বেঁধে সর্বোচ্চ রান (একপ্রান্তে মাহমুদউল্লাহকে রেখে)-

মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিম- ১১১ ইনিংসে ৩৫.৭৭ গড়ে ৩৭২১ রান
মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব আল হাসান- ৮২ ইনিংসে ৩২.২৪ গড়ে ২৫৪৭ রান
মাহমুদউল্লাহ ও তামিম ইকবাল- ৩৭ ইনিংসে ৪৮.৬১ গড়ে ১৬৫৩ রান

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

অবশেষে বিশ্বকাপের প্রাপ্য উইনিং বোনাস পাচ্ছেন সাকিব-তামিমরা

Read Next

তামিমের নেতৃত্বে কাজলের পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন ক্রিকেটাররা

Total
57
Share