মাহমুদউল্লাহর নাম সুপারিশ করেছিলেন শচীন

শচীন টেন্ডুলকার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

ব্যাটিং ঈশ্বর খ্যাত ভারতীয় তারকা ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার ২২ গজের বাইরেও একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্বের নজির গড়েছেন। মাঠের বাইরে ব্যক্তিগত জীবনেও ভারতীয় কিংবদন্তী তরুণদের জন্য অনুসরণীয় একজন। বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ সেনানী মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ স্মৃতিচারণ করলেন শচীনের তেমনই এক উদারতার কথা।

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেক হওয়া মাহমুদউল্লাহকে ২০০৮ সালেই স্পনসরশিপের প্রস্তাব দেয় অ্যাডিডাসের মত বিখ্যাত কোম্পানি। মাহমুদউল্লাহ শোনালেন তার মত তরুণ একজন ক্রিকেটারকে তখনই স্পনসর করতে চাওয়ার পেছনের কারিগর শচীনের গল্প। ভারতীয় তারকার পরামর্শেই রিয়াদকে প্রস্তাব দেয় ‘অ্যাডিডাস।’

ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ক্রিকফ্রেঞ্জির’ লাইভ আড্ডায় গতকাল (২১ মে) অতিথি হিসেবে যোগ দেন টাইগারদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। একযুগের বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মাহমুদউল্লাহ পরিণত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে।

রিয়াদের তারকা হওয়ার আভাস আগেই পেয়েছেন শচীন টেন্ডুলকার এমনটাই জানান অনুষ্ঠান সঞ্চালক কাজী সাবির। জনপ্রিয় এই ক্রীড়া উপস্থাপক এ প্রসঙ্গে বলেন,

‘শচীন শেষ বাংলাদেশ সফরে এসে কাঁধে চোট নিয়ে চলে গেছে যেদিন সেদিনই যাওয়ার সময় গাড়িতে থাকা লিয়াজু অফিসারকে বলেছিলেন যে বাংলাদেশের পরবর্তী বড় তারকা হতে পারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ও অনেক কিছু দিবে বাংলাদেশকে।’

রিয়াদকে উদ্দেশ্য করে কাজী সাবিরের প্রশ্ন, ‘আপনি কী এ ব্যাপারটা জানতেন?’

জবাবে মাহমুদউল্লাহ অবশ্য বলছেন এ ব্যাপারটি এর আগে জানতেন না তিনি, ‘না, আমি আপনার কাছেই শুনলাম। এতবড় একটা কমপ্লিমেন্ট আসলেই অসাধারণ ব্যাপার, ভালো লাগলো।’

তবে শচীনের সাথে নিজে খেলতে পারা ও অ্যাডিডাসের তাকে স্পন্সরশিপের প্রস্তাব দেওয়ার গল্প শুনিয়েছেন ঠিকই, ‘উনার সাথে খেলেছি ২০০৮ সালে হোম সিরিজ ছিল আমাদের। আমার অভিষেক হয়েছিল ২০০৭ এর জুলাইয়ে। ঐ সিরিজটাতে আমি মোটামুটি ভালো করেছিলাম। একদিন আমি অনুশীলন থেকে বাসায় ফিরছিলাম, গাড়িতে একজন আমাকে ফোন দেয়। তখন অ্যাডিডাস স্পনসর ছিল সম্ভবত শচীন স্যারের। যেহেতু আমি তরুণ ক্রিকেটার তখন তাই কোন স্পনসরও ছিলনা। উনি আমাকে বলছেন যে শচীন স্যার রিকমেন্ড করেছে আমাকে স্পনসর করার জন্য।’

‘আমি বুঝতে পারছিলাম না কি বলবো। এখনো আমি তাকে ধন্যবাদ দেই। হয়তো সামনাসামনি কখনো বলা হয়নি। উনার খেলা দেখে বড় হয়েছি, উনার সাথে খেলতে পারা সৌভাগ্য বলতে হয়। তো উনার কাছ থেকে এতবড় কমপ্লিমেন্ট ও সাজেশন (স্পনসর) পাওয়া অনেক বড় পাওয়া। উনাকে সত্যি অনেক ধন্যবাদ।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

তামিম, উইলিয়ামসনের ক্রাইস্টচার্চের ভয়ঙ্কর স্মৃতি রোমন্থন

Read Next

অপু-তামিমদের সঙ্গে যোগ দিলেন মুশফিক

Total
323
Share