আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত টি-টোয়েন্টি সিরিজ

ভিরাট কোহলি কুইন্টন ডি কক
Vinkmag ad

আগামী আগস্টে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে ভারত। বিধি নিষেধ মেনে দুই দেশের সরকারি অনুমতি মিললেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিমানে চড়বে ভিরাট কোহলিরা। আইসিসি এফটিপির বাইরের এই সিরিজটি গতকাল (২১ মে) বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ও ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পরিচালক গ্রায়েম স্মিথ টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে চূড়ান্ত করেন।

তবে চলমান করোনা পরিস্থিতি বেশ শঙ্কা তৈরি করতে পারে সিরিজটিকে ঘিরে। দুই দেশেই এখনো পর্যন্ত সরকারি লকডাউন চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়াটাই চ্যালেঞ্জিং। সবমিলিয়ে সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্রিকেট পুরোদমে ফেরার প্রস্তুতি চলছে।

কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে সিরিজ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ দক্ষিণ আফ্রিকানদের কাছে। আর ভারতের মত দলকে নিয়ে সিরিজ আয়োজন নিশ্চিতভাবেই আর্থিক দিক থেকে লাভবান করবে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকাকে। সম্ভাব্য পরিস্থিতির কারণে আগস্টে সিরিজটি মাঠে না গড়ালেও গ্রীষ্মের পর ভারত খেলতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জ্যাকস ফল।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্তমানে বেশ কড়াকড়ির মধ্য দিয়ে লকডাউন পালিত হচ্ছে। আগস্টে ভারতের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সাথে এসবও বিবেচিত উল্লেখ করে জ্যাকস ফল বলে, ‘এসব ভারতের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের সম্ভাব্যতার সাথে সম্পৃক্ত।’

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান চিকিৎসক শুয়েব মাঞ্জরা বলছেন সরকারি অনুমতি মিললে ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ডের মত স্যানিটাইজড ক্রিকেট বায়োস্ফিয়ার তৈরি করে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্যানিটাইজড ক্রিকেট বায়োস্ফিয়ার হবে যেখানে কঠোরভাবে প্রবেশের মান এবং বেষ্টনীর বাইরে সীমাবদ্ধ চলাচল থাকবে ও সংশ্লিষ্ট সকলের নিয়মিত পরীক্ষা করা হবে।’

আগস্টের শেষদিকে ভারত সিরিজটি আয়োজন করতে হলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে অন্যান্য সূচী বিপর্যয়ে পড়তে হবে। জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে দুইটি টেস্ট ও পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সূচী নির্ধারিত জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে, তবে এই সিরিজটি পরবর্তীতে স্থানান্তর হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পরিচালক গ্রায়েম স্মিথ বলেন, ‘আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের সাথে একটা উইন্ডো খোঁজার চেষ্টা করছি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের সিরিজের পরই আমরা সূচী নিয়ে আলোচনা করবো। আমরা সব উপায়ের দিকে নজর দিচ্ছি।’

‘ত্রিনিদাদ তাদের খেলাধুলা ও স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে সেরা জায়গা বলে মনে হচ্ছে। অথবা সিরিজটি নিরপেক্ষ ভেন্যু বা দক্ষিণ আফ্রিকাতেও অনুষ্ঠিত হতে পারে। ক্রিকেটকে আবারও মাঠে ফেরাতে সদস্যগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে, একে অপরের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

উইলিয়ামসনকে বিপিএল খেলার আমন্ত্রণ জানালেন তামিম

Read Next

সৌরভ গাঙ্গুলিকে আইসিসির চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান স্মিথ

Total
54
Share