যেসব বোলারদের খেলতে কঠিন লেগেছে মাইক হাসির

মাইক হাসি
Vinkmag ad

মাইকেল হাসি খেলোয়াড়ি জীবনে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম ব্যাটিং ভরসার নাম। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ওপেন করা মাইক হাসি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বেশিরভাগ সময়ে খেলেছেন মিডল অর্ডারে। তাই পেস ও স্পিন দুই বিভাগের বোলারদের বিরুদ্ধেই অসাধারণ ছিলেন তিনি।

টেস্টে অনিল কুম্বলের বিপক্ষে ব্যাট করে তার ব্যাটিং গড় ছিল ১৭০, রঙ্গনা হেরাথের বিপক্ষে ব্যাট করে গড় ১৪৪। হরভজন সিংয়ের বিরুদ্ধে ৬৬.৩৩ গড়ে রান তুলেছেন হাসি, সোয়ানের বিরুদ্ধে ৬৩.৭৫ গড়ে। মুত্তিয়াহ মুরালিধরন, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, দানিশ ক্যানেরিয়াদের মতো বোলারদের বিপক্ষে কখনো আউটই হননি হাসি।

ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকইনজিআইএফকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাইক হাসি জানান স্পিনারদের মোকাবেলা করাটা উপভোগ করতেন তিনি।

হাসি বলেন, ‘আমি আসলেই স্পিনের বিপক্ষে খেলাটা উপভোগ করেছি। আমার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ওপেন করে। যেখানে সব সময়ই নতুন বলে পেসারদের সামলাতে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আমি মিডল অর্ডারেই বেশিরভাগ সময়ে খেলেছি। তখন আমাকে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছে।’

‘কাউন্টি ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা কাজে লেগেছে, আমি স্পিনারদের বিপক্ষে খেলতে উপভোগ করতাম। বিশেষ করে টার্নিং ট্র্যাকে, সেখানে স্পিনারদের উইকেট তুলে নেবার চাপ থাকে। আমি তখন তাদের হতাশ করতে পছন্দ করতাম। বিশেষ করে বল রাফ এরিয়ায় পড়লে স্ট্রাইক রোটেট করে। এটা দারুণ এক চ্যালেঞ্জ যেটা আমি উপভোগ করেছি।’

স্পিনারদের বিপক্ষে মাইক হাসির পরিসংখ্যান ভালো হলেও স্পিনারদের সামলাতে কষ্টই হয়েছে বলে জানান হাসি।

‘হতে পারে আমার পরিসংখ্যান তাদের বিপক্ষে (স্পিনার) ভাল, তবে তাদেরকে সামলাতে আমার কষ্টই হয়েছে। সাইদ, আজমল, হরভজন সিংরা অসাধারণ ছিলেন। যাদের বিরুদ্ধে আমি ব্যাট করেছি তাদের মধ্যে মুরালিধরণ সবচেয়ে কঠিনতম ছিল। ভাগ্য ভালো আমি তার বিপক্ষে বেশি অস্ট্রেলিয়ান কন্ডিশনে খেলেছি যেখানে বল অতোটা স্পিন করে না। সে অবিশ্বাস্য বোলার ছিল। অনিল কুম্বলের বিপক্ষে লড়াইটা আমি উপভোগ করতাম। আমার গ্রায়েম সোয়ানকেও কঠিন লেগেছে। আমি জানি না তার বিরুদ্ধে আমার গড় কেমন! সে আমাকে কয়েকবার আউট করেছে।’

পেসারদের মধ্যে পাকিস্তানি ও প্রোটিয়া পেসাররাই বিপাকে ফেলতেন হাসিকে। সবমিলিয়ে ডেল স্টেইনকেই সবচেয়ে কঠিন লেগেছে খেলতে।

হাসি বলেন ‘পেসারদের মধ্যে পাকিস্তানিরা আমাকে খুব বিপাকে ফেলেছে। ২০০৯ এর দিকে মোহাম্মদ আমির এসেছিল তখন। মোহাম্মদ আসিফ দুর্দান্ত একজন বোলার ছিলেন, খুবই স্কিলফুল। উমর গুল খুবই আন্ডাররেটেড একজন ফাস্ট বোলার।’

‘দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আমি সবচেয়ে বেশি ঝামেলায় পড়েছি। ডেল স্টেইন ও মরনে মরকেল দারুণ দুই ফাস্ট বোলার। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকান কন্ডিশনে আমি তাদের মোকাবেলা করতে একটুও পছন্দ করতাম না। মরনে মরকেল আমাকে বেশ কয়েকবার আউট করেছে। আমার মনে হয় ডেল স্টেইনকেই আমি মোকাবেলা করতে সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করতাম।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

পিএসএলে কাশ্মীরের দল চান আফ্রিদি

Read Next

মাশরাফিকে অবসর নেওয়ার আহ্বান জানালেন ওটিস গিবসন

Total
3
Share