নাফিস ইকবাল ও রোহিত পত্নীর বন্ধুত্ব, নেপথ্যে ‘ফ্রেঞ্চ ফ্রাই’!

নাফিস ইকবাল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স রোহিত শর্মা রিতিকা
Vinkmag ad

আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে কাজ করার সুবাদে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও তামিম ইকবালের বড় ভাই নাফিস ইকবালের সাথে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মার স্ত্রী ঋতিকা সাজদেহ’র বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে। আইপিএল চলাকালীন দুজনে একসাথে ঘুরেছেন, মাঠে খেলা দেখেছেন। তামিম ইকবালের সাথে লাইভ আড্ডা দিতে গিয়ে নাফিস ইকবাল প্রসঙ্গ উঠতে ঋতিকা-নাফিসের বন্ধুত্ব সম্পর্কে জানালেন রোহিত শর্মা।

করোনার কারণে সৃষ্ট সংকটময় সময়কে ভক্তদের কাছে কিছুটা উপভোগ্য করতে জাতীয় দলের নয়া ওয়ানডে কাপ্তান তামিম ইকবাল নিয়মিত লাইভ আড্ডায় আসছেন সতীর্থ কিংবা বিদেশি কোন তারকা ক্রিকেটারকে নিয়ে। গতকাল (১৫ মে) তার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ভারতীয় তারকা ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা।

দুজনের আলাপের এক পর্যায়ে তামিম বলেন, ‘তুমি নাফিস (নাফিস ইকবাল) ভাইকে চেন, আমার বড় ভাই। সে তোমাকে হাই দিয়েছে।’

জবাবে রোহিত বলেন, ‘হ্যা আমি তোমাকে তার সম্পর্কে এখনই জিজ্ঞেস করতাম। সে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাথে ছিল সম্ভবত ২০১৮ সালে। যে বছর মুস্তাফিজ আমাদের দলে ছিল। আমার পক্ষ থেকে তাকে অভিবাদন জানিও। আমার স্ত্রীর সাথে কথা হচ্ছিল তোমার সাথে চ্যাটের ব্যাপারে। সে আমাকে বলেছে নাফীস ভাইকে হাই দেওয়ার জন্য।’

স্ত্রী ঋতিকার কাছে নাফিসের প্রিয় হওয়ার কারণও জানিয়েছেন ভারতীয় এই ব্যাটসম্যান, ‘তুমি জানো সে কীভাবে তাকে (নাফিস) মনে রেখেছে? কারণ নাফিস ভাই তাকে এয়ারপোর্টে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়েছিল। যে তাকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের প্রস্তাব দিবে সে তাকে বেশ পছন্দ করে, সে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খুব ভালোবাসে।’

নাফিস ইকবাল আইপিএল থেকে ফেরার পর রোহিতের স্ত্রীকে নিয়ে একটি মজার ঘটনা শেয়ার করেন তামিমের সাথে। তামিমও সেটি জানালেন রোহিতকে, ‘আমার ভাই ও ভাবিকে (রোহিতের স্ত্রী) নিয়ে একটা ছোট্ট ঘটনা আছে তোমাকে বলি। সে যখন আইপিএল শেষে দেশে ফিরেছে আমি তাকে নানা বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কথা, দলের কথা, আরও বেশ কিছু বিষয়ে। সে অনেক গল্পই বলেছে। তোমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের বাড়িতে ট্রেজার হান্ট গেম খেলা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই। এসব শুনতেও ভালো লাগছিল।’

‘তো একটা ম্যাচে কি হয়েছে শোন। আমার ভাই খেলা দেখতেছিল ভাবির সাথে (রোহিতের স্ত্রী)। সম্ভবত ফ্যামিলি স্পেস বা মাঠের এরকম কোন একটা জায়গায়। আমার ভাইয়া খুবই ক্ষুধার্ত ছিল, তার কিছু খেতেই হবে। এ কারণে সে একটু বের হতেই চাইলো কিছু আনার জন্য। কিন্তু ভাবি সেটার অনুমতি দিচ্ছেনা। সে বলছিল তুমি খেলা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যেতে পারবেনা। তখন ভাইয়া বলল ততক্ষণে আমিতো মরে যাবো।’

স্ত্রীর প্রশংসা করে নাফিস-ঋতিকার বন্ধুত্ব তুলে ধরেন রোহিত, ‘সবকিছু মিলিয়ে সে সত্যি দারুণ একজন সহধর্মীনি। আসলে খেলার অমন পরিস্থিতিতে অনেকেই উঠতে চায়না। আমি মনে করি নাফিস ভাই ও আমার স্ত্রীর মধ্যে ঐ দুই মাসে ভালো একটা বন্ধুত্ব হয়েছিল। তারা এক সাথে ঘুরতে গিয়েছে, ফ্যামিলি বক্সে বসে খেলা দেখেছে, তাদের বেশ কিছু দারুণ মুহূর্ত কেটেছে। তাদের একটা ভালো বন্ধুত্বও তৈরি হয়েছে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বাংলাদেশেই কেবল সমর্থন পাননা, রোহিতের আক্ষেপ

Read Next

বিপিএল নিয়ে বিসিবিকে রোহিতের পরামর্শ

Total
58
Share