তামিমের লাইভ সেশনে আসা প্রসঙ্গে সাকিবের ভাষ্য

সাকিব তামিম
Vinkmag ad

বর্তমানে শুধু ক্রীড়াঙ্গনেই নয়, বাংলাদেশের মানুষের কাছে অন্যতম আলোচনার বিষয় তামিম ইকবালের লাইভ আড্ডা। বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামিমের লাইভে প্রাণবন্ত আড্ডা অনেকেরই হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। সংকটকালীন মুহূর্তে অনেকেই বিনোদনের খোরাক পাচ্ছেন এতে। পঞ্চপান্ডবের ৪ জন এই লাইভ আড্ডার অংশ হলেও এখনো সাকিব আল হাসানের দেখা মেলেনি।

আজ (১১ মে) ডয়েচে ভেলে বাংলার খালেদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে আড্ডা দেন সাকিব আল হাসান। সেখানে খালেদ মহিউদ্দিন জিজ্ঞাসা করেন তামিমের লাইভ সেশন দেখছেন কিনা আর সেখানে তার অংশগ্রহণের সুযোগ আছে কিনা।

সাকিব উত্তরে বলেন, ‘পর্ব যদি বলেন, ২ টা পর্ব দেখা হয়েছে। টাইম ডিফারেন্সের কারণে দেখা হয়না, পরে ইউটিউবে অবশ্য দেখা যায়। ২ টা পর্ব ইউটিউবেই দেখা হয়েছে। যেটা হয় কি দুই মেয়েকে সামলাবার পর যতটুকু টাইম থাকে ভাবি যে কীভাবে নিজেকে দেওয়া যায়। এখন একটা ভালো টাইম রাত দুইটা (যুক্তরাষ্ট্রের সময়), একটু পর সেহরির টাইম হয়ে যাবে এখানে। দুইটা মেয়ে এখন ঘুমাচ্ছে। ১ ঘন্টা পর ছোট মেয়ে উঠে যাবে। ও তিন ঘন্টা পর পর জেগে যায়। ওর তখন ডায়পার বদলাতে হয়।’

খালেদ মহিউদ্দিন তখন বলেন আপনি না থাকলেও প্রায় সব আলাপেই আপনার কথা আসছে। করোনার কারণে তো বটেই ১ বছর নিষিদ্ধ (৬ মাস পার হয়ে গেছে) থাকা সাকিব এমনিতেই মাঠের বাইরে। তো এমতাবস্থায় কতটুকু খারাপ লাগা কাজ করছে সাকিবের তা জানতে চাওয়া হয়।

সাকিব বলেন, ‘সিচুয়েশন তো অবশ্যই আমার জন্য খুব ডিফিকাল্ট, টাফ। তবে একটা দিক থেকে ভাল, মানে খারাপের মধ্যে থেকে আমি সবসময় ভালোটা খোঁজার চেষ্টা করি। যত খারাপ সময়ই যাক, আমি চেষ্টা করি ওখান থেকে ভালো কোন জিনিস নেওয়া। এর মধ্যে ভালো দিক যেটা স্ত্রী গর্ভবতী ছিল, শেষ পর্যায় ছিল। এখন পাশে থাকাটা খুব ইম্পরট্যান্ট। প্রথম সন্তানের সময় থাকতে পারিনি। এটা একটা ভাল দিক। বাচ্চা হয়ে গেলো টেক কেয়ার করার সুযোগ পাচ্ছি। প্রথম সন্তানের সময় পারিনি। এই দুইটা ভালো দিক।’

‘স্বাভাবিকভাবে এটা তো মনে হতেই থাকে যে আমি খেলতে পারছি না কিংবা খেলতে পারব না। এখন যদিও কোন খেলাই হচ্ছে না, অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে কখন খেলা শুরু হবে। যখন খেলা শুরু হবে তখনো তো আমি জানি না আমি কবে ফিরতে পারবো। আমার টাইম তো আছে এখনো ৬ মাস/ সাড়ে ৫ মাসের মতো। যদি এক মাস পর খেলা শুরু হয়ে যায়, আমি তারও চার-পাচ মাস পর খেলবো। ঐ জায়গাটাতে অবশ্যই খারাপ লাগে, এবং খারাপ লাগার মতোই বিষয়। তবে আমার কাছে মনে হয় এটাও একটা এক্সপেরিয়েন্স, শেখার অনেক কিছু আছে আসলে। অনেক সময় অনেক কিছুই আমরা অবহেলার চোখে দেখি বা নেবার চেষ্টা করি, যেটা আমার কাছে মনে হয় নেওয়া উচিৎ না। আমার মনে হয় এই বড় শিক্ষাটা আমি ভালো ভাবেই পেয়েছি।’

মাঠে যেয়ে খেলতে না পারাটা পীড়া দিচ্ছে সাকিবকে। কোথায় খেলছেন সাকিব এটা তার কাছে মুখ্য নয়, খেলাটাই সাকিবের কাছে মুখ্য বলে জানান তিনি।

‘মাঠে না যাওয়াটাই সবচেয়ে কষ্টের বিষয়। ধরেন আমি খেলছি, কোথায় খেলছি সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। আমি যে খেলছি এটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ঐ জায়গাতে আপনি যখন যেতে পারছেন না বা খেলতে পারছেন না তখন স্বাভাবিকভাবেই অনেক খারাপ লাগার বিষয় থাকেই।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

একই দিনে খেলবে ভারতের দুই দল

Read Next

খেলায় ফিরে তবেই অধিনায়কত্ব নিয়ে ভাববেন সাকিব

Total
71
Share