পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মৃত্যুঞ্জয়ের, নিজেই ড্রেসিং করেছেন সাদমান

মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী সাদমান ইসলাম অনিক
Vinkmag ad

বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম ও যুব দলের পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী অস্ত্রোপচার শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন ১৬ মার্চ। এরপর সরকারি নির্দেশনা মেনে বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী সহ ছিলেন ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হওয়ায় দেশে জারি হয় অঘোষিত লকডাউন। সাদমান ইসলাম হাতের ড্রেসিং করানো নিয়েও পড়েছিলেন বেকায়দায়। অগত্যা বাসায় নিজেই করেছেন ড্রেসিং, পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে কয়েকদিনের মধ্যে। অন্যদিকে ৬ দিন আগেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছেন পেসার মৃত্যুঞ্জয়, বিরক্তির সাথে কাটছে গৃহবন্দী সময়।

চোটের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে ‘ক্রিকেট৯৭’ কে সাদমান ইসলাম বলেন, ‘এখন কিছুটা উন্নতির দিকে। আসলে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়নি এখনো, আপাতত ড্রেসিং করেছি। দেবাশীষ স্যারের পরামর্শ মেনে বাসায় নিজে নিজেই করেছি। তো উনি বলেছেন ৩ সপ্তাহ পর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে, ইতোমধ্যে দুই সপ্তাহ গিয়েছে। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরুর আগে খুব বেশি করণীয় নেই। স্যারের পরামর্শ মেনে চলছি।’

নভেম্বরে ভারত সফরে কব্জিতে চোট পান সাদমান, শুরুতে তীব্রতা বোঝা না গেলেও পরে করাতে হয়েছে অস্ত্রোপচারও। মাঝে মিস করেছেন পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টও। জাতীয় দলের হয়ে ৬ টেস্ট খেলা সাদমান জানালেন লকডাউনের সময় কাটাচ্ছেন কীভাবে, ‘টিভি দেখা, গেমস খেলা এসবের বাইরে কিছু করা যাচ্ছেনা। এখনতো রোজার মাস ফলে কিছু বিষয়ে রুটিনও পরিবর্তন হয়েছে। মোটামুটি গৃহবন্দী সময়টা পুরো বন্দী জীবনেই কাটছে। এর মধ্যে ফিটনেস নিয়ে যতটুক কাজ করা যায় সেসব করছি।’

এদিকে কাঁধের চোটে ইতিহাস গড়া যুব বিশ্বকাপের মাঝপথেই ফিরতে হয়েছে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে। বাঁহাতি এই পেসার অস্ত্রোপচার শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরেই চলে যান সাতক্ষীরায়। ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইন সহ প্রথম একমাস খুব একটা অনুভব করতে পারেননি গৃহবন্দী সময়ের কষ্ট। এখন পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করে সময় কাটছে বিরক্তিকে সঙ্গী করে।r

পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে মৃত্যুঞ্জয় বলেন, ‘আমার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু হল ৬ দিন হয়েছে। দেবাশীষ স্যারের সাথে যোগাযোগ করছি, উনি ফোনে পরামর্শ দিচ্ছেন কি করতে হবে না করতে হবে। এটা আমার পুরোনো চোট বলে একটা সুবিধা হল আমি আগেই থেকেই জানি এই সময়টায় কি করতে হবে, কিভাবে কাজগুলো করা যায়। আমার ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু পরিস্থিতির কারণে হচ্ছেনা, তবে স্যার আমাকে ফোনেই পরামর্শ দিচ্ছেন।’

‘লকডাউনের সময়টা একদম বাসায় কাটছে প্রথম একমাস এতটা অনুভব করিনি কারণ আমার অস্ত্রোপচার হয়েছিল, লকডাউন না থাকলেও আমি বাসাতেই থাকতাম ঐ সময়টা। তবে এখন খুব বিরক্তি লাগছে বের হতে পারিনা, কোথাও যাওয়া যাচ্ছেনা। বুঝেনই তো এতটা সময় ঘরবন্দী কখনোই ছিলাম না, ক্রিকেট নিয়েই সবসময় ব্যস্ত থেকেছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

যেভাবে হবে গেইল-রিয়াদদের স্বাক্ষরিত ব্যাটের নিলাম

Read Next

অস্বচ্ছলতা নয়, দায়িত্ববোধ থেকে সঞ্চয় করতেন নাফিস

Total
23
Share