উমেশ যাদবকে দেখলেই তামিমের মারতে ইচ্ছে করে!

উমেশ যাদব তামিম ইকবাল
Vinkmag ad

বাংলাদেশ জাতীয় ওয়ানডে দলের নব নির্বাচিত অধিনায়ক তামিম ইকবাল। করোনা ভাইরাসের কারণে যখন সবধরণের ক্রিকেট বন্ধ রয়েছে, দেশজুড়ে চলছে অঘোষিত লকডাউন, তখন ঘরবন্দি সময়ই কাটাচ্ছেন ক্রিকেটাররা। এমন সময় অধিনায়ক তামিম ইনস্টাগ্রামে আড্ডা দেওয়া আরম্ভ করেছেন সতীর্থদের সঙ্গে। ২ মে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে এক প্রাণবন্ত আড্ডার পর ৩ মে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে আসর জমান তামিম।

ইনস্টাগ্রাম লাইভ সেশনে ক্রিকেটীয়-অক্রিকেটীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন দুজন। তামিমকে মাহমুদউল্লাহ আলাপের এক পর্যায়ে একটি মজার প্রশ্ন করেন।

মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আচ্ছা, একটা জিনিস। আমার একটা প্রশ্ন আছে। সেটা হল, কয়েকদিন আগে তোর একটা ইন্টারভিউ দেখছিলাম। তুই বলছিলি কোন কোন বোলারের বিপক্ষে খেলতে তোর সমস্যা হয়। তিনটা বোলারের নাম শুনলাম। সাইদ আজমল, রবিচন্দ্রন অস্বিন ও মরনে মরকেল।’

‘আচ্ছা, তুই আমাকে এটা বল- এমন কোন বোলার আছে যাকে তোর দেখলেই মারতে ইচ্ছে করে। মানে ওরে দেখলেই, যে আমি মারব। এরকম আরকি, একদম ফাটায়ে ফেলব আরকি।’

কোন ভাবনা চিন্তা ছাড়াই তামিমের ঝটপট উত্তর- ‘উমেশ যাদব (হাসি), ওরে দেখলেই আমার মারতে ইচ্ছে করে।’

অভিষেকের পর একযুগের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে এখনো পর্যন্ত ৩৯৮ বার দেশের হয়ে ব্যাট করতে নেমেছেন তামিম। ১৩ হাজারের বেশি রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে সামলাতে হয়েছে বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলারকে। এক যুগের বেশি সময়ের এই যাত্রায় তামিম তুলে ধরেন (কিছুদিন আগে) তার চোখে সবচেয়ে কঠিন তিন বোলারের নাম।

এক জনপ্রিয় দৈনিকের ফেসবুক পেইজে লাইভে এসে তামিম বলেন, ‘সাইদ আজমলের কথা বলবো। সে ভয়ঙ্কর একজন বোলার। আমার কোনো ধারণা থাকতো না সে কোন সময় কি বল করতো। এরপরে মরনে মরকেলের কথা বলতে হবে।’

‘সে অনেক কঠিন বোলার ছিল। কারণ সে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে আসলেই দারুণ বোলিং করতো। বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচে সে অনেক কঠিন ছিল বাঁহাতিদের বিপক্ষে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন আরেকজন। সে এখনও খেলছে। আমি তাঁর বিপক্ষে খেলতে কখনো কখনো গলদঘর্ম হতাম। এই বোলারের বিপক্ষে খেলা আমার কাছে মনে হয়েছে কঠিন।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

একই প্রতিষ্ঠান কিনে নিল তাসকিনের ‘বল’, সৌম্যের ‘ব্যাট’

Read Next

তামিমদের কথা বুঝলেও মুমিনুলের কথা বোঝেন না মাহমুদউল্লাহ

Total
80
Share