মালিকের ক্রিকেটে ফেরার প্রশ্নে পিসিবির ‘না’

পিসিবি
Vinkmag ad

নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তে আজীবন ক্রিকেটীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি লাভের পরও ইংল্যান্ডে বিতর্কিত মিটিংগুলোর জবাব না দেওয়ায় নিষিদ্ধই থাকছেন সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক সেলিম মালিক, এমনটাই জানিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

ক্রিকেট বোর্ডের এক সূত্র থেকে জানা যায় যে ম্যাচ ফিক্সিং বিষয়ক কর্মকাণ্ডে ২০০০ সালে নিষিদ্ধ হওয়ার পর ২০১৩ সালে পিসিবির প্রেরিত নোটিশে তিনি কোন প্রকার সাড়া দেননি ।

“ঐ তারিখ পর্যন্ত নোটিশের কোন সাড়া দেননি মালিক এবং এ কারণে পিসিবি ও আইসিসি কোন প্রকার সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি কবে নাগাদ সেলিম মালিক ক্রিকেটীয় কার্যক্রমে যুক্ত হতে পারবেন”- এমনটিই বলেন এক পিসিবি কর্তা।

জুডিসিয়াল কমিশনের রায় অনুযায়ী পিসিবি থেকে ২০০০ সালে নিষিদ্ধ হওয়ার পর ইংল্যান্ডে কিছু মিটিংয়ে বসেছিলেন মালিক। ফলে আইসিসি তার উপর আরো বেশি সন্দেহ প্রকাশ করে।

সূত্রে আরও জানা যায় মালিক ২০১১ সালে ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে কাজের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু বোর্ড থেকে প্রথমে নোটিশের ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছিল এবং তার কাছে সেই নোটিশের কপিও প্রেরণ করা হয়।

লাহোরের নিম্ন আদালত থেকে ২০০৮ সালে মালিক আজীবন নিষিদ্ধ হওয়া থেকে মুক্তি পান।  বোর্ড এ সিদ্ধান্তে প্রথমে সহানুভূতি প্রকাশ করলেও আইসিসি সেই বিতর্কিত মিটিংগুলোর নোটিশ প্রেরণ করার পর পিসিবি নড়েচড়ে বসে।

৫৭ বছর বয়সী সেলিম মালিক পাকিস্তানের হয়ে ১০৩টি টেস্ট ও ২৮৩টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন। তাকে পাকিস্তানের সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে গণ্য করা হয়।

তিন বছর তদন্তের পর ২০০০ সালে তার সহযোগী খেলোয়াড়দের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের জাস্টিস কাউয়ুম কমিশন ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করে।

বুধবার তিনি এক বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলেন পিসিবি কেন তাকে ক্রিকেটীয় কোচিং কার্যক্রম করানোর অনুমতি দিচ্ছে না যেখানে দুর্নীতির দায়ে শাস্তিশেষে অভিযুক্ত ক্রিকেটার মোহাম্মদ আমির ও শারজিল খান ক্রিকেটে ফিরে আসলেন।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ব্যাটের ভিত্তি মূল্যই ১৫-২০ লাখ রাখছেন আশরাফুল

Read Next

ক্রিকেটারদের দেখানো পথে হাঁটছেন আসিফ

Total
8
Share