সাকিব জানালেন আজকের অবস্থানে আসতে অবদান যাদের

সাকিব আল হাসান
Vinkmag ad

এক যুগের বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে, টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা হয়ে খেলেছেন বিশ্বের প্রায় সব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। ক্রিকেট খেলার বদলৌতে সাকিব আল হাসানকে চষে বেড়াতে হয় পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত। ক্রিকেট খেলুড়ে কোন দেশে ক্রিকেট খেলাটা সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন বাংলাদেশের পোস্টারবয় জানিয়েছেন ভক্তদের। যাদের অবদানকে অস্বীকার করতে পারেননা, তাদেরকে নিয়ে কথা বলেছেন সাকিব।

করোনা সংক্রমণ প্রভাব বিস্তারের শুরু থেকেই অসহায়, দুস্থ মানুষের জন্য কাজ করতে বেশ সচেষ্ট সাকিব। পরিকল্পনা মাফিক আরও পরে শুরু করার কথা থাকলেও স্বল্প প্রস্তুতিতেই কার্যক্রম শুরু হয় তার প্রতিষ্ঠিত ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের’। ফাউন্ডেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল (২১ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন সাকিব।

লাইভ সেশনে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার জানান বিশ্বের কোন দেশে ক্রিকেট খেলতে সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেন। সাকিব বলেন, ‘ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ড এই দুইটা জায়গায় খেলতে আমার ভালো লাগে। মূলত পরিবেশের কারণে। নিউজিল্যান্ড অসাধারণ একটি সুন্দর জায়গা আর ইংল্যান্ডে ভালো লাগে এ জায়গাটায় ক্রিকেট সংস্কৃতি অন্যরকম। এখানে সবসময় খেলার মজাই আলাদা। এদের ক্রিকেট সংস্কৃতিটা আমি খুব উপভোগ করি।’

‘আর সবচেয়ে মজা লাগে আসলে ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলতে কারণ ওখানে গেলে খেলার থেকে হলিডে হলিডে ফিল থাকে। কারও কোন সিরিয়াস অবস্থা নাই, খেলা শেষ হলে হোটেল্গুলো সব বিচের পাশে, বিশ্রামের জন্য একদম উপযুক্ত একটা জায়গা। ওখানে আসলে খুব মনযোগী হয়ে খেলাটা খুবই কষ্টকর। কিন্তু আমার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা।’

তার আজকের অবস্থানে আসার পেছনে কার অবদান সবচেয়ে বেশি এমন প্রশ্নের জবাবেও সাকিব নির্দিষ্ট কারও নাম বলেননি। কৃতিত্ব দিয়েছেন জীবনে যাদের কাছে সামান্যতম কিছু শিখেছেন কিংবা যে সতীর্থ এক গ্লাস পানি খাইয়েছে তাকেও,

‘অনেকেই আছে আসলে একজন দুজনের নাম বললে অন্যদেরকে কষ্ট দেওয়া হবে। অনেকের অবদান আছে এ পর্যন্ত যারা আমাকে কোচিং করিয়েছে, আমার বাবা মায়ের অবদান অনেক বেশি। প্রতিটি কোচের কাছে আমি কৃতজ্ঞ যারা একদিন হলেও আমাকে কোচিং করিয়েছে, প্রতিটি টিমমেট যাদের সাথে আমি অনূর্ধ্ব-১৩, ১৫ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত খেলেছি।’

‘যেসব আম্পায়ার ছিল, গ্রাউন্ডসম্যান ছিলেন সবার কাছে আসলেই কৃতজ্ঞ। যে সতীর্থের সাথে কখনো খেলা হয়নি কিন্তু আমাকে এক গ্লাস পানি দিয়ে সাহায্য করেছে এরকম প্রতিটি ক্ষেত্রেই অনেকের অবদান আছে আমার এতদূর আসার পেছনে। এটা একজন দুইজনের কৃতিত্ব না, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসলে আমি এখানে আসতে পেরেছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

চড়া মূল্যে বিক্রি হল সাকিবের ব্যাট

Read Next

‘১০’ এর চেয়ে ‘১১’ এর স্মৃতি শফিউলের বেশি প্রিয়

Total
16
Share