সাকিব জানালেন যাদের বিপক্ষে ব্যাট করা কঠিন ছিল

সাকিব আল হাসান ইংল্যান্ড মরগান আর্চার
Vinkmag ad

সাকিব আল হাসানের ইচ্ছে ছিল বেশ গুছিয়ে তবেই যাত্রা শুরু করবেন দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের। কিন্তু করোনা সংক্রমণ প্রভাবে সৃষ্ট সংকটকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে কয়েকদিন আগেই শুরু হয়ে যায় দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম।

আজ (১৭ এপ্রিল) নিজের ফাউন্ডেশনের ফেসবুক পেইজে এক লাইভ সেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটের কার্যক্রমও শুরু করেন সাকিব। লাইভে ভক্তদের করা প্রশ্নেরও জবাব দেন সাকিব, সেখানেই জানান ক্যারিয়ারে কোন বোলারদের মোকাবেলা করা কঠিন মনে হয়েছিল।

১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বাংলাদেশের জার্সিতে সাকিব রান করেছেন প্রায় ১২ হাজার। বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্জাইজি লিগ ও অন্যান্য টুর্নামেন্টেও দাপিয়ে বেড়িয়েছেন নিজের মত করে। বহু ভয়ংকর বোলারকে সামলেই এগিয়ে যেতে হয়েছে সামনে, জিতিয়েছেন দলকে। তার নিজের চোখে ভয়ংকর বোলার কাকে মনে হয়েছে যাকে সামলানো কঠিনই ছিল?

এক ভক্তের এমন প্রশ্নে সাকিব জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার মরনে মরকেল, ইংলিশ পেসার জফরা আর্চার ও লঙ্কান কিংবদন্তী অফ স্পিনার মুত্তিয়াহ মুরালিধরনের নাম।

মরনে মরকেল জফরা আর্চার মুত্তিয়াহ মুরালিধরন

বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার সাকিব বলেন, ‘পরিস্থিতির কারণে ভিন্ন হয় মানে স্পিনিং উইকেট হলে একজন স্পিনারকেই ভয়ংকর মনে হয় এবং পেস বান্ধব কন্ডিশন হলে একজন পেসারকে ভয়ংকর মনে হয় স্পিনারের তুলনায়। সুতরাং আমি যদি দুই বিভাগেই নাম বলি মরনে মরকেল একজন। আমি তখন কেবলই একটা বাচ্চা ছেলে মাত্র ১৯-২০ বছর বয়স, জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করছি। দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে গিয়েছি আর ওদিকে মরনে মরকেলের সেরা সময় তখন, তো তাকেই আমার বেশি ভয়ংকর মনে হয়েছিল ঐ সময়। আর সাম্প্রতিক সময়ের কারও নাম বলতে হলে জফরা আর্চার বিশ্বকাপের (২০১৯) সময়। পেসারদের মধ্যে এই দুজন। আর স্পিনার হলে অবশ্যই মুত্তিয়াহ মুরালিধরন, নিঃসন্দেহে সেই একমাত্র কঠিন স্পিনার যাকে আমি মোকাবেলা করেছি।’

তথ্য গোপনের অভিযোগে এমনিতেই ছিলেন আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় কিন্তু করোনা প্রভাবে সাকিবের সাথে বিশ্বজুড়ে সব ক্রীড়াবিদও আছেন অনেকটা নিষেধাজ্ঞায়। গৃহবন্দী এই সময়টা নিজেদের ফিটনেস ও সংকটকালীন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সচেতনতায় থাকতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের। কিন্তু একদিকে নিষেধাজ্ঞা অন্যদিকে করোনা ভাইরাস প্রভাবের কারণে ২২ গজ থকে দূরে থাকা সাকিব হেঁটেছেন উল্টো পথে।

হোম কোয়ারেন্টাইনের সময়টায় কীভাবে কাটছে সাকিবের জানাতে গিয়ে বলেন, ‘আমি যেটা দেখেছি সবাই স্বাস্থ্য সচেতন এই মুহূর্তে। যেহেতু ডাক্তাররাও পরামর্শ দিয়েছে যে যত বেশি ফিট থাকা যায়, যত বেশি স্বাস্থ্যকে ভালো রাখা যায়, এই ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার সুযোগ তত বেশি। তো সবাই সেটাই অনুসরণ করছে। আর আমিও কিছু অনুসরণ করার চেষ্টা করছি। আর একই সাথে এতদিন আসলে না খেয়ে অনেক ত্যাগ করেছি ক্রিকেটের জন্য। তাই আমি ভাবলাম এখন আমি একটু উল্টা দিকে যাই। আমি খাওয়া দাওয়া করছি, একটু মোটাও হয়ে গিয়েছি। কিন্তু কিছুটা তো অনুসরণ করতেই হয়। আমি চেষ্টা করছি যাতে করে স্বাস্থ্যটা ভালো থাকে, সুস্থ্য থাকি। কারণ এই সময়টাতে সচেতন না হবার কোনো কারণ নেই। আমাকে সুস্থ্য রাখার জন্য যেটা করা জরুরি সেটাই করছি।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

পেছনের যোদ্ধা হবার আহ্বান জানালেন সাকিব

Read Next

নিলামে উঠবে সাকিবদের জার্সি, ব্যাট…

Total
26
Share