পেসার থেকে স্পিনার হবার গল্প শোনালেন নাইম

featured photo1 18
Vinkmag ad

টেস্ট অভিষেকেই ৫ উইকেট নিয়ে গড়েছিলেন সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে অভিষেকেই ৫ উইকেট শিকারের রেকর্ড। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে জাতীয় দল, সবখানেই সামর্থ্যের জানান দিচ্ছেন পারফর্ম করেই। সবশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টেও ৯ উইকেট শিকার করেছেন। অথচ তরুণ অফস্পিনার নাইম হাসান ক্রিকেট খেলা শুরু করেন পেসার হিসেবে। যদিও সেটা ক্রিকেট একাডেমি ভর্তির শুরুর সময়টায়। তার মধ্যে স্পিনার হওয়ার গুনাগুণ লক্ষ্য করে শৈশব কোচ ও সিনিয়রদের পরামর্শ আমলে নিয়ে হয়ে যান স্পিনার।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে বর্তমানে স্থগিত আছে সবধরণের ক্রিকেট। গৃহবন্দী সময় কাটছে ক্রিকেটারদের। এই ফাঁকা সময়ে নিজ শহর চট্টগ্রাম থেকে মুঠোফোনে ‘ক্রিকেট৯৭’ এর সাথে আলাপে নানা বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জানান পেসার থেকে স্পিনার হওয়ার কারণ।

নাইম বলেন, ‘আমি তখন একাডেমিতে ঢুকেছিলাম মাত্র, বয়স ৮ বছরের মত হবে। এরপর একবছর পেস করে স্পিনে আসছি। আমার বড় ভাইয়েরা ও কোচ বলছে তুমি স্পিন কর। ওভাবেই স্পিনে আসা।’

৫ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ার, বল হাতে নিয়েছেন ৪ টেস্টে। দুইবার ৫ উইকেট শিকারসহ এখনো পর্যন্ত ঝুলিতে পুরেছেন ১৯ উইকেট। ঘরোয়া ক্রিকেটেও খেলছেন দাপটের সাথে, জাতীয় লিগ, বিসিএলে পারফরম্যান্সে দেখিয়েছেন চমক। বাংলাদেশ দলের বর্তমান স্পিন কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরি শুরু থেকেই মুগ্ধ নাইম হাসানে। ১৯ বছর বয়সী এই তরুণকে নিয়ে নিউজিল্যান্ড কিংবদন্তীর কণ্ঠে ছিল ভূয়সী প্রশংসা। কিউই সাবেক তারকার প্রশংসায় অবশ্য ভেসে যাচ্ছেন না নাইম হাসান, বরং ভাল করেই জানেন টিকে থাকতে সেরাটা দিতে হবে।

ভেট্টোরির কাছ থেকে পাওয়া প্রশংসা নিয়ে বলতে গিয়ে নাইম জানান, ‘সেভাবে চিন্তা করিনা। কোচ বলছে, হ্যাঁ খুশি লাগছে। কিন্তু ব্যাপারটা হল সবাই যখন খেলতে নামে চিন্তা থাকে বাংলাদেশের জন্য খেলছি সবাই, সাহস করে ক্রিকেট খেলতে হবে। চাপ না নিয়ে খেলাটা উপভোগ করতে পারলে ভালো হয়।’

নাইম বলছেন ভেট্টোরির সাথে কাজ করে উন্নতি হচ্ছে টাইগার স্পিনারদের, ‘উনার সাথে কাজ করে আমার অনেক উপকার হচ্ছে। আমাদের সব স্পিনারদেরকে দিয়ে উনি কাজ করাচ্ছেন, বিভিন্ন ধরণের বৈচিত্র নিয়েও কাজ করিয়েছেন ভারত সফরে। সবাই পরামর্শ মেনে চলছে, উন্নতিও হচ্ছে। আর ওটাই চালিয়ে যাচ্ছি। সবতো একদিনে হবেনা, উনি আমাদের যা শিখিয়েছেন সেগুলো আয়ত্ব করার চেষ্টা করছি। উনি বলেছেন (প্রশংসা) দেখে আত্ববিশ্বাস বাড়ছে, ভালো লাগছে।’

দলে জায়গা ধরে রাখতে হবে এমন চিন্তা না করে দলের জন্য ভালো কিছু করার তাগিদেই খেলতে চান তরুণ এই অফ স্পিনার, ‘আমরাতো চিন্তা করি খেলতে হবে, জায়গা ধরে রাখতে হবে। এটা চিন্তা না করে যদি দলের জন্য খেলি, দল ভালো করবে। দল ভালো করতে গিয়ে প্রকৃতপক্ষে ফলটা নিজের দিকেই আসবে। জাতীয় দলে ডাক পাওয়া মানেইতো নিজের মধ্যে কিছু একটা ছিল, এখন সেটা দলের জন্য উজাড় করে দিতে চাই।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

অ্যাডিলেড ওভাল হোটেলে আইসোলেশনে থাকবেন কোহলিরা

Read Next

বিশ্বের এক নম্বর বোলার হতে চান নাইম

Total
17
Share