মাঠে ক্রিকেট ফেরাতে ইংল্যান্ডের অভিনব পরিকল্পনা

ইংল্যান্ড
Vinkmag ad

করোনা আশঙ্কায় থমকে আছে গোটা পৃথিবী, ক্রীড়াঙ্গনেও শুনশান নিরবতা। স্থগিত হয়ে আছে সব ধরনের খেলাধুলা। তবে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুতই খেলা শুরু করার পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। ২৮ মে পর্যন্ত দেশটির সবধরণের ক্রিকেট স্থগিত হয়েছে আগেই, তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে স্থগিতাদেশ শেষ হওয়ার পর দ্রুত ম্যাচ আয়োজনের ভাবনা ইংলিশ বোর্ডের। দর্শকহীন মাঠে করোনা ভাইরাস চেক পয়েন্ট ও আইসোলেশন ইউনিট ব্যবহার করে মাঠে খেলা ফেরানো যায় কিনা এ নিয়ে চলছে আলোচনা।

ইসিবির ইভেন্ট পরিচালক স্টিভ এলকোয়ার্ট ‘দ্যা গার্ডিয়ানকে’ জানিয়েছেন তারা দর্শকহীন মাঠে খেলা ফেরানোর উপায় খুঁজছেন।  ভাইরাসটি বহনকারী আশেপাশের যে কোনও ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব এমন ব্যবস্থাও করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্লোজ ডোর ম্যাচ আয়োজন করা যায় কিনা সেটি দেখছি।’

দর্শকশূন্য গ্যালারী হলেও একটা ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে মাঠকর্মী, সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান, ম্যাচ অফিসিয়ালসহ নানাভাবে যুক্ত অনেক লোকের সমাগম করতে হয়। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার লকডাউনের আগেও যে নির্দেশনা দিয়েছে তাতে ৫০০ লোক জমায়েত হয় এমন কোন আয়োজন নিষিদ্ধ করেছিল। ফলে ক্লোজ ডোর ম্যাচ আয়োজন করতে গেলেও ইসিবিকে ভাবতে হবে নান বিষয়।

এ প্রসঙ্গে এলকোয়ার্ট বলেন, ‘আপনাকে নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক দিয়ে কাজ সেরে নিতে হবে। চিকিৎসার সেবা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ সম্পর্কেও ভাবতে হবে। মাঠের চারপাশ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে নিরাপদ করতে হবে যাতে যারাই আসবে যেন নিরাপদ থাকে।’

‘সুতরাং কীভাবে আপনি তাদের গেটে পরীক্ষা করবেন যে আইসোলেশন ইউনিট আপনি স্থাপন করবেন তা দিয়ে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।’ যোগ করেন ইসিবির এই ইভেন্ট পরিচালক।

চলতি বছর দেশটির ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ডকে আতিথেয়তা দেওয়ার সুচী নির্ধারিত ছিল। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত নারী দলেরও ইংল্যান্ড সফর চূড়ান্তই ছিল।

এলকোয়ার্ট আরও জানান, ‘আমরা এখন সব বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। যেসব ঝুঁকি সামনে আসছে এসব আরও বাড়তে পারে।  আর সেটা হলে যা চাচ্ছি তা সম্ভব নয়। সেক্ষত্রে প্রতিটি বিষয়ে নিশ্চিত হয়েই পরিকল্পনা সাজানো হবে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

ঝুঁকি ও দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন তুষার-লিখনরা

Read Next

করোনা ভাইরাস নিয়ে ব্রাভোর গান

Total
16
Share