নির্বাচক প্যানেলে যুক্ত হচ্ছেন রাজ্জাক!

Vinkmag ad

দেশের অন্যতম অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনারদের একজন আব্দুর রাজ্জাক। ওয়ানডে ফরম্যাটে স্পিনারদের মধ্যে জাতীয় দলের হয়ে তার চেয়ে বেশি উইকেট কেবল সাকিব আল হাসানের। বয়সের সাথে কিছুটা পড়তি ফর্মে জায়গা হারান ২০১৪ সালে। যদিও ২০১৮ সালে সুযোগ হয় একটি টেস্ট ম্যাচ খেলার, এরপর আবার দলের বাইরে। আরেকবার বোর্ডের ভাবনায় এসেছেন রাজ্জাক। তবে এবার খেলোয়াড় নয়, নির্বাচক হিসেবে।

জুনের ১৫ তারিখ ঘরোয়া লিগে নিয়মিত খেলে যাওয়া বাঁহাতি এই অর্থোডক্সের পূর্ণ হবে ৩৮ বছর। জাতীয় দলের বিবেচনায় যে রাজ্জাক আর নেই সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। তবে রাজ্জাকের দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বোর্ড।

২০১৬ সালে নির্বাচক প্যানেল থেকে ফারুক আহমেদের সরে যাওয়ার পর থেকে দুজন নির্বাচক দিয়েই চলছে জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটি। ফারুক আহমেদের খালি হওয়া চেয়ার এতদিন ফাঁকা থাকলেও বোর্ড চায় রাজ্জাকের মত অভিজ্ঞ কেউ আসুক দায়িত্বে। ইতোমধ্যে বর্তমান নির্বাচক ও রাজ্জাকের সাবেক সতীর্থ হাবিবুল বাশারকে দিয়ে প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

এখনো নিয়মিত ঘরোয়া লিগ খেলা বাঁহাতি এই স্পিনার এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নাম লিখিয়েছেন মোহামেডানে। ঢাকা লিগ শেষেই নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর কথা ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ৬০০ উইকেট শিকারি রাজ্জাক। তবে করোনা আশঙ্কায় ঢাকা লিগ স্থগিত হওয়াতে সিদ্ধান্ত জানাতেও বাঁহাতি এই স্পিনারকে পড়তে হচ্ছে দ্বিধায়।

জাতীয় দৈনিক ‘সমকালকে’ রাজ্জাক বলেন, ‘হ্যাঁ আমার সাথে কথা হয়েছে। একটু ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে সময় চেয়েছি। প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে জানাতে চেয়েছি। এখন খেলাও স্থগিত হয়ে আছে, ভেবে দেখতে হবে।’

জাতীয় দলের জার্সি অঘোষিতভাবে তুলে রাখতে হলেও ঘরোয়া লিগে রাজ্জাক দলগুলোর প্রথম সারির পছন্দের ক্রিকেটার। ফলে আর্থিক নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় নিলে বাহাঁতি এই স্পিনার অনেকটা নিরাপদেই কাটাচ্ছেন জাতীয় দলের বাইরে থেকেও। কিন্তু নির্বাচক হলে ছাড়তে হবে ক্রিকেট। তাই চিন্তার জায়গাটা বেশি রাজ্জাকের।

এ প্রসঙ্গে রাজ্জাক ‘সমকালকে’ আরও বলেন, ‘খেলা ছেড়ে দিয়ে নতুন কাজে যেতে হবে। এটা সহজ সিদ্ধান্ত নয়। যেকোন সিদ্ধান্ত ভেবে চিন্তে নেওয়া উচিত যেন পরবর্তীতে আফসোস করা না লাগে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জার্সিতে রাজ্জাকের শিকার ১৪ টেস্টে ২৮, ওয়ানডেতে ১৫৩ ম্যাচে ২০৭ ও টি-টোয়েন্টি ৩৪ ম্যাচে ৪৩ উইকেট। ১৩৭ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে বাঁহাতি এই স্পিনারের উইকেট রেকর্ড সংখ্যক ৬৩৪ টি যা বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবার উপরে।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

করোনা ভাইরাস এর সাথে জিততে তামিমের যত পরামর্শ

Read Next

শারজিল ইস্যুতে কথা বলে তিরস্কার হয়েছেন হাফিজ

Total
124
Share