লিটনের কাছ থেকে প্রেরণা পেয়েছেন সৌম্য

সৌম্য সরকার
Vinkmag ad

দেশের ক্রিকেটে অন্যতম ব্যাটিং শিল্পী বলতে হয় লিটন কুমার দাসকে।  যতক্ষণ ক্রিজে থাকেন চোখের প্রশান্তি দেন দৃষ্টিনন্দন সব শটে। জাতীয় দলে নিজের ব্যাটিং সামর্থ্যের জানান দিতে পারছিলেন না শুরুর সময়টাতে। সময় গড়িয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আস্তে আস্তে খাপ খাওয়াতে শুরু করেছেন লিটন। ধারাবাহিকতার স্পষ্ট ছাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে তুলে নিয়েছেন দুই সেঞ্চুরি।

নিজের মত খেলে গড়েছেন দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ওয়ানডে ইনিংসের রেকর্ড। তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৭৬ রানের ইনিংসটি খেলার পথে কচু কাটা করেছেন জিম্বাবুয়ে বোলারদের। গতকাল (৯ মার্চ) প্রথম  টি-টোয়েন্টিতেও খেলেন ৫৯ রানের ইনিংস। আর লিটনের এমন সাবলীল ব্যাটিং অনুপ্রেরণা দিয়েছে সৌম্য সরকারকেও।

বিয়ের ছুটি কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের দলে ফিরলেও একাদশে সুযোগ হয়নি সৌম্য সরকারের। তবে গতকাল (৯ মার্চ) মিরপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নেমেই খেলেন ৩২ বলে ৬২ রানের অপরাজিত ইনিংস। দুই বছরের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফিফটির দেখা পেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।  ওয়ানডে সিরিজের লিটনের ব্যাটিং দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন বলে জানান সৌম্য সরকার।

লিটনের ইনিংসগুলো দেখে বাড়তি কিছু করার তাড়না কিংবা অনুপ্রেরণা ছিল কিনা জানতে চাইলে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই ছিল (লিটনের কাছ থেকে অনুপ্ররণা) তো। ওয়ানডের ম্যাচগুলো আমি দেখেছিলাম যে স্লগে ওরা এতোটা ভালো করেনি। আমার চিন্তা ছিল যে শেষ ৫ ওভারে যাওয়া। যতটুকু পারি গভীরে যাওয়া। কারণ ১টা ওভার পেলেই অনেকটা পুষিয়ে নিতে পারবো।’

২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচে সুযোগ পেয়ে ২০ রান করেই জায়গা পান ২০১৫ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সৌম্য সরকারকে। ৫৫ ম্যাচে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে অভিষেক ম্যাচের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছেন আর একটি মাত্র ম্যাচ। বাজে ফর্মে নিজেকে হারিয়ে খোঁজা সৌম্য চট্টগ্রামে সেই ম্যাচে হাঁকান সেঞ্চুরি। এদিকে ২০১৮ সালের পর টি-টোয়েন্টিতে ফিফটিহীন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ২১ ইনিংস পর আবারও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পেলেন ফিফটির দেখা।

ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটি সৌম্যকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে যা কাজে লেগেছে পরে। গতকাল (৯ মার্চ) লম্বাব বিরতির পর পাওয়া টি-টোয়েন্টি ফিফটিও নিশ্চিতভাবে কামব্যাক ইনিংস হিসেবে কাজে লাগবে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এভাবে ফিরে আসার ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করেছেন সৌম্য নিজেই, ‘জিম্বাবুয়ের সাথেই আমার অভিষেক। সবসময় আমি তাদের সাথে বেশি ফোকাস থাকি। আসলে পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে, আগেরটাতেও (ওয়ানডে সেঞ্চুরি) এরকম (বাজে সময়)সময়েই খেলেছি।’

তবে প্রতিপক্ষ নয় গতকাল (৯ মার্চ) নিজের ব্যাটিংয়ের দিকেই বেশি মনযোগ ছিল বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের, ‘অনেক দিন পরের ম্যাচ। তাই ফোকাসটাও বেশি ছিল। আর ওভাবেও দেখি নাই যে জিম্বাবুয়ের সাথে খেলছি। মানে আমার ফোকাসটা একটু বেশি ছিল আমার নিজের ব্যাটিং নিয়ে।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিয়ের পর পরিবর্তন আসবে, বুঝতে পারছেন সৌম্য

Read Next

৫ লক্ষ ডলার ক্ষতিপূরণ পেতে যাওয়া পেরেরা ফিরলেন টেস্ট দলে

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
17
Share