স্বাগতিকদের হারিয়ে সেমিফাইনালে টাইগার যুবারা

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল

বাংলাদেশের কাছে ১০৪ রানের ব্যবধানে হেরে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ শেষ দক্ষিণ আফ্রিকান যুবাদের। পচেফস্ট্রুমে তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের দেওয়া ২৬২ রানের জবাবে রাকিবুলের স্পিন ঘূর্ণিতে প্রোটিয়া যুবারা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৭ রানে। স্বাগতিকদের বিদায় করে বাংলাদেশ পেল সেমিফাইনালের টিকিট।

 

View this post on Instagram

 

We are through to the Semi. Rate this team’s performance. #FutureStars #u19worldcup #SAvBAN

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

বাংলাদেশের দেওয়া ২৬২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই চাপে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকান যুবারা। ৯.৩ ওভার স্থায়ী ওপেনিং জুটিতে বেশ ভুগেছেন কোটানি-বার্ড। শরিফুল, সাকিবের গতির সাথে রাকিবুলের স্পিন ঘূর্ণিতে নাকাল দক্ষিণ আফ্রিকা যুবা দল। দলীয় ৩৪ রানে কোটানিকে ফিরিয়ে শুরুটা করেন সাকিব। ৩৩ বল খেলে করেছেন ১৫ রান।

রাকিবুলের শিকার হয়ে দ্রতই ফেরেন আরেক ওপেনার জনাথন বার্ড (৩৪) ও ব্রাইস পারসনস (৭)। সাকিবের দ্বিতীয় শিকার হয়ে টাইরিস কারেলস মাত্র ৪ রান করে আউট হলে ৭৭ রানেই ৪ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রানের সমীকরণ আর মেলাতে পারেনি ব্রাইস পারসনসের দল।

৯১ বলে ৬০ রানের ইনিংসে কেবল দলের হারের ব্যবধানটাই কমিয়েছেন লুক বিউফোর্ট। তানজিদ হাসানকে ক্যাচ দিয়ে ৯ম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন বিউফোর্ট। তাকে ফিরিয়ে ম্যাচে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল। তার বিদায়ের পর আর কোন রান যোগ করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা, গুটিয়ে যায় ১৫৭ রানে।

১৯ রান আসে জ্যাক লিসের ব্যাট থেকে, এছাড়া বলার মত স্কোর করতে পারেনি আর কেউ। বাংলাদেশের হয়ে রাকিবুল ৫ টি ছাড়াও দুটি উইকেট নেন সাকিব৷ একটি করে শিকার শরিফুল ও শামীম হোসেনের।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে টাইগার দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হোসেন ভালো শুরু এনে দেন। ১২.১ ওভার স্থায়ী জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৬০ রান। ৪০ বলে ১৭ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে পারভেজ আউট হলে ভাঙে জুটি। পারভেজ ধীরে খেললেও অন্য প্রান্তে ঝড় তোলেন তানজিদ হাসান।

পারভেজের পর দ্রুত ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়ও (৩)। ৭৩ রানে ২ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে পথেই রাখেন তানজিদ-তৌহিদ হৃদয় জুটি। দুজনে মিলে যোগ করেন ৫৭ রান। ৮৪ বলে ১২ চারে ৮০ রান করে ওপেনার তানজিদ ফিরলে বিচ্ছেদ হয় দুজনের। এরপর শাহাদাত হোসেনকে নিয়ে ১০২ রানের জুটি গড়েন তৌহিদ হৃদয়। ৭৩ বলে ৫১ রান করে মোলেটশেনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তৌহিদ হৃদয়।

তৌহিদ হৃদয় বিদায় নিলে রানের চাকা সচল রাখার দায়িত্ব নেন শাহাদাত হোসেন। তার ৭৬ বলে ৭৪ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ পায় ৫ উইকেটে ২৬১ রানের পুঁজি। ৭ চার ১ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান শাহাদাত হোসেন। শেষদিকে কাপ্তান আকবর আলির ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান। দক্ষিণ আফ্রিকান যুবাদের হয়ে দুটি উইকেট শিকার মোলেটশেনের, একটি নেন ভিউরেন।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিসিএল দিয়েই টেস্টের প্রস্তুতি নিবেন মুমিনুলরা

Read Next

অধিনায়কত্ব উপভোগ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
23
Share