রাজশাহীকে হারিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম

ইমরুল কায়েস
Vinkmag ad

দু’দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত, সমান সংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে অবস্থানও এক ও দুইয়ে। শেষ দুই ম্যাচে দু’দল একে অপরের প্রতিপক্ষ। নিজেদের সেরা প্রমাণের মঞ্চও, এমন ম্যাচেই রাজশাহী রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আধিপত্য ধরে রাখলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

রাজশাহীর দেওয়া ১৬৭ রান ইমরুল কায়েস ও লেন্ডল সিমন্সের জোড়া ফিফটিতে চট্টগ্রাম টপকে যায় ৯ বল হাতে রেখেই। প্রথমবার মাঠে নেমে অবশ্য খুব বেশি যেতে পারেননি ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইল।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মন্দ হয়নি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের। ঝড়ো ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দেওয়া গেইল-সিমন্স মিলে তুলে ফেলেন ৩৫ রান। ১০ বলে ১ চার ৩ ছক্কায় ২৩ রানের বেশি করতে পারেনি টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ক্যারিবিয়ান  ব্যাটিং দানব গেইল। যদিও আফিফের করা ইনিংসের তিন নম্বর ওভার থেকেই ৩ ছক্কার সাথে ১ চারে তুলে নেন ২২ রান। কামরুল ইসলামের বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে গেইল ফেরার পর  তবে গেইল বিদায় নিলেও ইমরুল কায়েসকে নিয়ে ৭৭ রানের জুটিতে দলের জয়কে অনেকটা সহজ করে দেন লেন্দল সিমন্স।

৪৩ বলে ২ চার ৪ ছক্কায় ৫১ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়েন সিমন্স। সিমন্সের পর ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েও চট কাটিয়ে মাঠে ফেরা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহও (১০) ফিরে গেলে বাকি পথ চ্যাডউইক ওয়ালটনকে নিয়ে  টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমরুল কায়েস সহজেই পাড়ি দেন।  টুর্নামেন্টের চতুর্থ ফিফটির দেখা পান ইমরুল কায়েস। দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছানোর আগে অপরাজিত থাকেন ৩৪ বলে ২ চার ৪ ছক্কায় ৫৩ রানে। রাজশাহীর হয়ে একটি করে উইকেট নেন কামরুল ইসলাম রাব্বি ও ফরহাদ রেজা।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আজ আর শুভ সূচনা করতে পারেনি রাজশাহীর উদ্বোধনী জুটি। রুবেল হোসেনের আগুন ঝরানো বোলিংয়ে প্রথম শিকার হয়ে আফিফ হোসেন মাত্র ৯ রান করে ফিরলে ভাঙে জুটি, জুটিতে আসে ১৬ রান। আফিফের বিদায়ের পর দ্রুত ফিরতে পারতেন লিটন দাসও, ব্যক্তিগত ১৪ রানে কেসরিক উইলিয়ামস সহজ ক্যাচ ছাড়ায় জীবন পেয়ে অবশ্য তুলে নেন ফিফটি। তার ফিফটির সাথে ইরফান শুক্কুর, শোয়েব মালিকের ছোট ছোট ইনিংসের সাথে শেষদিকে আন্দ্রে রাসেল ও ফরহাদ রেজার ক্যামিও ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৬৬ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী রয়্যালস।

আফিফের বিদায়ের পর ইরফান শুক্কুরকে নিয়ে ৩৭ রানের জুটি লিটনের, শুক্কুর রান আউটে কাটা পড়ে ফেরেন ১৮ রান করে। এরপর মালিকের সাথে লিটনের ৩৯ রানের জুটি। লিটন ফেরেন ৪৫ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় ৫৬ রান করে। ২৮ রান আসে মালিকের ব্যাট থেকে। মাঝে বোপারা (৪) ও অলক কপালি (১) ব্যর্থ হলেও রাসেলের ১০ বলে ২০ ও ফরহাদ রেজার ৮ বলে ২১ রানে ভর করে টেবিলের শীর্ষস্থানের দল চট্টগ্রামের জন্য মাঝারি লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় পদ্মাপাড়ের দলটি। মাত্র ২০ রান খরচায় ৩ উইকেট তুলে নেন রুবেল হোসেন, মিতব্যয়ী বোলিংয়ে জিয়ার শিকারও তিনটি।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

পাকিস্তান সফরে যাবেন না মুশফিক!

Read Next

গেইলকে যেভাবে ফেরালেন কামরুল ইসলাম রাব্বি

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
12
Share