বিশ্বকাপে যাবার আগে যা বললেন টাইগার যুবাদের কোচ ও অধিনায়ক

আকবর আলি নাভিদ নেওয়াজ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ
Vinkmag ad

২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলতে আগামীকাল আকবর আলির নেতৃত্বে দেশ ছাড়বে টাইগার যুবারা। আগামীকাল সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিটের ফ্লাইটে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে যাবেন আকবর আলিরা। এর আগে আজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব দলের অধিনায়ক ও কোচ।

২০১৮ সালের জুলাইতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে কোচ হিসাবে যোগ দেন শ্রীলঙ্কার হয়ে এক টেস্ট ও তিন ওয়ানডে খেলা নাভিদ নেওয়াজ। ২০২০ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তার চুক্তি। টাইগার যুবাদের হয়ে এই বড় অ্যাসাইনমেন্টের আগে আশাবাদী নাভিদ নেওয়াজ।

আজ গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নাভিদ নেওয়াজ বলেন, ‘বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আমরা নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, এশিয়া কাপ ও দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলো দিয়ে বেশ ভালোই প্রস্তুতি নিয়েছি। মাঠে ও মাঠের বাইরে দল যেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে তাতে আমি খুশি। এবং দল যেভাবে এগিয়েছে তাতেও আমি খুশি এবং সেটা পেশাদার আমি বলব।’

দলের শক্তির কথা জানতে চাইলে কোচ অকপটে বললেন ব্যাটিংয়ের কথা, ‘শক্তির কথা জানতে চাইলে আমি বলব ব্যাটিংই আমাদের মূল শক্তি যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আপনি যদি আমাদের সাম্প্রতিক অতীতের ম্যাচগুলোর দিকে তাকান বুঝবেন। এটা উল্লেখ করা প্রয়োজন নেই যে আমাদের বোলিংটা দূর্বল। সম্প্রতি কিছু অলরাউন্ডার উঠে এসেছে। তবে আমরা আমাদের ব্যাটসম্যানদের ওপরেই নির্ভর করব।’

টুর্নামেন্টে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করাকেই পাখির চোখ করছেন নাভিদ নেওয়াজ, ‘বড় ছবিটির দিকে তাকিয়ে আমি বলব, আমাদের প্রথম লক্ষ্যটিই হবে টুর্নামেন্টের নক আউট পর্ব নিশ্চিত করা। এবং সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

কোচের মতো করে আকবর আলিও জানালেন নিজেদের সাম্প্রতিক অতীতের পারফরম্যান্স বিবেচনায় দল হিসাবে তারা ভালো কিছু করার আশাই করছেন, ‘আমরা সম্প্রতি ভাল খেলেছি দেখেই কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট যারা অনুসরণ করে তাদের প্রত্যাশা বাড়ছে। আমরা ফলাফলের দিকে তাকাচ্ছি না প্রতিটি ম্যাচকেই ম্যাচ বাই এবং ম্যাচের যে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করি সেটাই করার। এবং কোচ যেটা বললেন, আমরা বহুদূরে দেখতে চাচ্ছি না, সেটা আমাদেরকে বাড়তি চাপের মধ্যে ফেলে দিতে পারে। তো আমাদের প্রথম লক্ষ্যটাই থাকবে নক আউট নিশ্চিত করা এবং ম্যাচ বাই ম্যাচ পরিকল্পনা করা। শেষ তিন চার মাসে যে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করেছি বিশ্বকাপেও সেটাই ধরে রাখব।’

দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন মাথায় রেখে টাইগার যুবারা বগুড়ায় ঘাসের উইকেটে ক্যাম্প করেছিল। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে আগেভাগেই যাচ্ছেন আকবর আলিরা। আকবর আলির বিশ্বাস মানিয়ে নিতে এটাই যথেষ্ট হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে অসুবিধা হবে কিনা জানতে চাইলে আকবর আলি বলেন, ‘দেখুন আমরা তিন সপ্তাহের একটা ক্যাম্প করেছিলাম বগুড়ায়। আমরা আশা করি সাউথ আফ্রিকায় একটা সিমিং কন্ডিশন পাব। বগুড়ায় ঘাসের উইকেটে ব্যাটিং করার সুযোগ পেয়েছি এবং ওখানকার যে কন্ডিশনের কথা বলছেন সেটা আমরা দুই সপ্তাহ সময় পাব ওখানে গিয়ে। আমার মনে হয় সেখানকার কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ওটাই যথেষ্ট।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

বিপিএল খেলতে আসা শেহজাদ বাংলাদেশকে পাকিস্তান যেতে বললেন

Read Next

বিসিবি সভাপতিকে নিয়ে যেতে পারবেন আকবর আলিরা

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
6
Share