ফাইনাল হেরেও ব্যর্থ কিংবা হতাশ নন শান্ত

Shanto

ফাইনাল মানেই যেন বাংলাদেশের আক্ষেপের নাম ,নাহয় প্রথমবারের মত ইমার্জিং এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেই কেন খেই হারাবে বাংলাদেশ। অথচ পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে কি সাবলীলভাবেই খেলে আসছিল সৌম্য-শান্ত-সুমন খানরা। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচে জিতেছে বড় ব্যবধানে, সেমিফাইনালে আফগানদেরও হারিয়েছে দাপটের সাথে। যদিও প্রতিপক্ষ পাকিস্তানও ফাইনাল নিশ্চিত করে কোন ম্যাচ না হেরে।

টুর্নামেন্টের সেরা দুই দলই ফাইনাল খেলেছে নিশ্চিতভাবে। তবে বেশ কয়েকজন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নিয়ে দল গড়া বাংলাদেশ ইমার্জিংয়ের কাছে প্রত্যাশাটা ছিল বেশ উঁচুতেই। কিন্তু সৌম্য, শান্ত, আফিফ, নাইম শেখদের মত জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানোদের নিয়ে বাংলাদেশ হেরে বসে ৭৭ রানের বিশাল ব্যবধানে।

ব্যাট হাতে পাকিস্তানের রোহাইল নাজির একাই করেছেন ১১৩, ইমরান রফিক করেছে ৬২ রান। অন্যদিকে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ৪৯ আসে মিডল অর্ডারের আফিফ হোসেনের ব্যাট থেকে। এমন একটি দল নিয়েও বাজে হারের ফলে অধিনায়ক শান্ত কি হতাশ নাকি ব্যর্থ?

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকের করা এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ কাপ্তান বলছেন, ‘আমার কাছে যেটা মনে হয় হতাশা-ব্যর্থতা কোনো কিছুই না। এরকম বড় ম্যাচে আরেকটু বুঝেশুনে খেলা উচিত ছিল। যেরকম উইকেট ছিল তাতে রানটা অবশ্যই চেজেবল ছিল। আমরা ফিল্ডিংয়ে কিছু মিসটেক করেছি ওটা না হলে বেটার কিছু হতে পারত।’

যেকোন পর্যায়ের ক্রিকেটেই ফাইনাল হারা বাংলাদেশের নিয়মিত ঘটনা, মানসিকভাবে চাপ নেওয়ার অক্ষমতা নাকি অন্য কোন সমস্যা? নাজমুল হোসেন বলছেন, ‘আমার কাছে যেটা মনে হয় বড় ম্যাচে আমরা যে প্ল্যানিং করি ওই অনুযায়ী যদি খেলতে পারি তাহলে জেতা সম্ভব। আরেকটু রিল্যাক্স থাকা উচিত ছিল আমাদের সবার।’

‘ফিল্ডিংয়ে দেখেছি যে বেশ কয়েকটা মিসটেক হয়েছে বা বোলিংয়ে মাঝখানে কিছু ওভার প্ল্যান অনুযায়ী করতে পারিনি। আবার যদি দেখেন আমাদের ব্যাটিংয়ে বড় পার্টনারশিপ হয়নি। আমার মনে হয় যদি নরম্যাল ম্যাচের মতো রিল্যাক্স থাকতে পারি তাহলে ফাইনালে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

ফাইনালে আবারও বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ, পাকিস্তানের শিরোপা জয়

Read Next

প্লে-অফেই থামতে হল বাংলা টাইগার্সকে

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
2
Share