সাকিবের অনুরোধেই ভারত সফরের আগে নিষেধাজ্ঞা!

আকরাম খান
Vinkmag ad

ক্রিকেটারদের ধর্মঘট শেষের এক সপ্তাহের ব্যবধানে আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশের পোস্টারবয় সাকিব আল হাসান। জুয়াড়ির কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়ে প্রত্যাখ্যান করলেও তা আইসিসিকে না জানানোর অভিযোগে আগামী একবছর মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে তাকে। কিন্তু ধর্মঘটের পরপরই এমন ঘটনা বলে অনেকেই সন্দেহের তীর ছুঁড়েছেন বিসিবির দিকে। কিন্তু বিসিবি নয় সাকিবের ইচ্ছেতেই শাস্তির সময়টা নির্ধারণ হয় ভারত সিরিজের আগে।

বাস্তবতা  ভিন্ন, আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করে থাকে। তদন্তের গোপনীয়তা রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকেও সেটা টের পেতে দেন না। সাকিবের ক্ষেত্রেও হয়েছে তাই, চলতি বছর দুই দফায় ঢাকায় এসে সাকিবের সাক্ষাৎকার নেয় আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (এসিইউ) সদস্যরা। শুধু সাকিব নয় সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিমকেও যা ওই সময় আঁচ করতে পারেনি কেউই।

সাকিবের নিষেধাজ্ঞা আরপের দিনই সাকিবকে পাশে রেখে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘এখানে সাকিবও আছে একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, সেই বড় সাক্ষী। বিসিবি কিংবা আমরা কেউই বিষয়টা জানতাম না। এই যে ওরা বলছে জানুয়ারি থেকে তদন্ত চলছে কি হচ্ছে না হচ্ছে আমরা কিছু জানিনা। দুর্নীতি দমন ইউনিট একটি সম্পূর্ণ আলাদা একটা ইউনিট আইসিসির৷ ওরা সম্পূর্ণ স্বাধীন, আমাদের জানামতে তারা কেবল সাকিবের সাথেই যোগাযোগ করেছে।’

এরপর নানা সূত্র নিশ্চিত করেছে সাকিব আগেই জানতে পেরেছেন নিষেধাজ্ঞা আসতে যাচ্ছে। কিন্তু তদন্ত শেষে রায়ের সময়টা হতে পারে ভারত সফর চলাকালীন যা সাকিব ও দলের মনোভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া অনিশ্চয়তার দোলাচলে থাকা একজন মাঠের ক্রিকেটে কতটা মনযোগ দিতে পারছেন সেটাও একটা চিন্তার কারণ হত। ফলে তার অনুরোধেই শাস্তির সময়টা ভারত সফরের আগেই নির্ধারণ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন আকরাম খানও।

বেসরকারি টিভি চ্যানেল ‘যমুনা টেলিভিশন’ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান বলেন, ‘আগেই আমরা বলেছি কোনকিছু জানতাম না। অনেকেই ভাবছেন এটা এই সময় কেন এলো? সাকিবকে কিন্তু তারা বলেছে কিছুদিন পর নিষেধাজ্ঞা আসতে যাচ্ছে। এটা ভারত সফরের মাঝামাঝিও হতে পারতো যা পুরো দলের জন্যই খারাপ কিছু হত।’

দলের ও নিজের মনোবল চাঙ্গা রাখতে সাকিবই চাননি ভারত সফরের মাঝামাঝিতে এমন কিছু হোক উল্লেখ করেন আকরাম খান,  ‘সাকিবই সেটা চায়নি। এটা তার নিজের মুখের কথা, এছাড়া আর কিছুদিন পর থেকে হলে ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা মিস করতো। এখন সে সম্ভাবনাটা আছে। সময়টা এখানে গুরুত্বপূর্ণ না কতদিন নিষিদ্ধ হল সেটাই বড় বিষয়। ‘

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

প্রতিপক্ষের স্কোয়াড নিয়ে ভাবছেন না লিটন

Read Next

সাকিবের শাস্তির মেয়াদ কমাতে বিসিএসএ’র উদ্যোগ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
14
Share