ওয়ার্নারের দাপুটে শতকে অজিদের রান পাহাড়

ডেভিড ওয়ার্নার
Vinkmag ad

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অ্যাডিলেডে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে প্রায় দেড়বছর পর ঘরের মাঠে প্রত্যাবর্তন হল ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের। প্রত্যাবর্তনে ওয়ার্নার লঙ্কান বোলারদের কচুকাটা করেই স্মরণীয় করে রাখলেন। ওয়ার্নারের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড়ে চাপা পড়লো লাসিথ মালিঙ্গার শ্রীলঙ্কা। টি-টোয়েন্টিতে ঘরের মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চ ২৩৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চড়াও হয় অজি দুই ওপেনার ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে মাত্র ৬৫ বলে যোগ করেন ১২২ রান। ৩৬ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৪ রান করে সান্দাকানের বলে ফিঞ্চ ফিরলে ভাঙে জুটি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের ১০ম ফিফটি তুলে ফিঞ্চ ফিরে গেলেও তান্ডব চালাতে থাকেন ওয়ার্নার-ম্যাক্সওয়েল।

বরং ওয়ার্নার-ম্যাক্সওয়েল জুটি আরও বেশি চড়াও হয়ে লঙ্কান বোলারদের নাকের জল চোখের জল এক করে দেয়। শেষ ওভারে ম্যাক্সওয়েল ফেরার আগে দুজনে যোগ করেন মাত্র ৫২ বলে ১০৭ রান। ২২ বলে ফিফটিতে পৌঁছানো ম্যাক্সওয়েল থামেন ২৮ বলে ৭ চার তিন ছক্কায় ৬২ রানে।

অন্যদিকে ডেভিড ওয়ার্নার সেঞ্চুরি করেছেন বেশ টান টান উত্তেজনা জাগিয়ে। ২৮ বলে ফিফটিতে পৌঁছানো ওয়ার্নার ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির দেখা পান ৫৬ বলে। অর্থাৎ দুই ফিফটিতেই বল খেলেছেন সমান ২৮ টি করে। শেষ ওভারে ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি করতে লাগে ৮ রান, ওভারের প্রথম বৈধ বলে চার মারার পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে দেন ম্যাক্সওয়েলকে। তৃতীয় বলে আউট হয়ে ম্যাক্সওয়েল আউট হয়ে ফিরলে ননস্ট্রাইক প্রান্তে থাকা ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি নিয়ে জাগে শঙ্কা।

 

View this post on Instagram

 

Maiden T20I hundred for David Warner. #AUSvSL

A post shared by cricket97 (@cricket97bd) on

সেঞ্চুরি থেকে তিন রান দূরে থাকা ওয়ার্নারকে অবশ্য হতাশ করেনি নতুন ব্যাটসম্যান টার্নার। চতুর্থ বলেই সিঙ্গেল নিয়ে দিলে ওয়ার্নার তিন অঙ্ক ছুঁতে বল পান দুটি। প্রথম বলে দুই রান নিয়ে দর্শকদের অপেক্ষায় রাখেন শেষ বল পর্যন্ত। ইনিংসের শেষ বলে এক রান নিয়ে ৫৬ বলে ১০ চার ৪ ছক্কায় ঠিক ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন ওয়ার্নার।

লঙ্কান বোলারদের মধ্যে বেশি ঝড় সহ্য করেছেন ডানহাতি পেসার কাসুন রজিথা, ৪ ওভারে খরচ করেছেন ৭৫ রান। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই সবচেয়ে খরুচে বোলিং ফিগার। লাকসান সান্দাকান ৪১ রান ও দাসুন সানাকা ১০ রানে একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেন। অন্যদিকে ৩৭ রান খরচায় মালিঙ্গা, ২৮ রানে নুয়ান প্রদীপ ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ৪২ রান খরচায় ছিলেন উইকেট শূন্য।

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

কক্সবাজারের দুই মাঠে যেমন গেল প্রথম দিন

Read Next

জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ড থেকেই সুযোগ সুবিধা বাড়ছে ক্রিকেটারদের

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
3
Share