ত্যাগী সরফরাজের পাশে দাঁড়ালেন সাবেকরা, স্বার্থপর বলছেন বাবর আজমকে

সরফরাজ আহমেদ
Vinkmag ad

সম্প্রতি টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাকিস্তানের অধিনায়কত্ব হারানো সরফরাজ আহমেদকে নিয়ে হচ্ছে নানা আলোচনা সমালোচনা। সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকেই পাশে দাঁড়াচ্ছেন সদ্য সাবেক অধিনায়ক বনে যাওয়া এই উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যানের। শোয়েব আখতার, রমিজ রাজারা সরফরাজকে ধুয়ে দিলেও জাভেদ মিঁয়াদাদ, মইন খান, মহসীন খান, রশিদ লতিফরা দিয়েছেন সমর্থন।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আর আস্থা রাখতে পারেনি সরফরাজের ওপর। তাকে সরিয়ে দিয়ে টেস্টে আজহার আলি ও টি-টোয়েন্টিতে বাবর আজমকে দায়িত্ব দিয়েছে পিসিবি, যদিও ওয়ানডে অধিনায়কের নাম এখনো ঘোষণা করেনি পিসিবি।

দেশটির বেশির ভাগ সাবেক ক্রিকেটারই সরফরাজের অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়ার পেছনে নতুন প্রধান কোচ ও নির্বাচক এবং বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুসকে দায়ী করছেন। সরফরাজের অধীনেই পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে এক নম্বর অবস্থানে পৌঁছায়। অধিনায়কত্ব হারানোর পাশাপাশি পাকিস্তানের পরবর্তী অস্ট্রেলিয়া সিরিজের টি-টোয়েন্টি দল থেকেও বাদ পড়েন সরফরাজ।

‘টেস্টে আজহার আলির অধিনায়কত্ব না হয় ঠিক আছে। কিন্তু এখনই বাবর আজমকে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দেওয়ার আগে বোর্ডের আরও ভাবা দরকার ছিল। তাকে সাহস ও অভিজ্ঞতার দিক দিয়ে আরও পরিণত করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত।’ পাকিস্তানের সাবেক তারকা ব্যাটসম্যান জাভেদ মিঁয়াদাদ সরফরাজের অধিনায়কত্ব হারানো প্রসঙ্গে এমনটাই জানান।

করাচি সহ পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গাতে সরফরাজ আহমেদকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেবার সমালোচনা করে মিসবাহ, ওয়াকারদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে সমর্থকরা।

সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ তো বাবর আজমকে স্বার্থপর আখ্যাও দেন, ‘বাবর আজম একজন স্বার্থপর ক্রিকেটার সেটা আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বারবার প্রমাণিত। সেক্ষেত্রে সরফরাজ একজন ত্যাগী অধিনায়ক, দলের জন্য সে অনেকবারই ত্যাগ স্বীকার করেছে।’

সাবেক উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান মইন খান বলেন, ‘সরফরাজ অনেক দুর্দান্ত অধিনায়ক। শেষ দিকে সময়টা হয়তো খারাপ যাচ্ছিলো তবে একজন সিনিয়র ক্রিকেটার এভাবে বাজে সময় পার করলে পাশে থেকে সমর্থন জোগাতে হয়। এভাবে ছুড়ে ফেলার কোন মানে হয়না।’

পাকিস্তানের সাবেক টেস্ট ব্যাটসম্যান ও প্রধান কোচ মহসীন খান বলেন, ‘সরফরাজ পাকিস্তান দলকে টি-টোয়েন্টিতে ১ নম্বর দল করেছিলো। এবং সে একজন যোদ্ধা। তাঁকে সরিয়ে বাবরকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত বাবরের ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলতে পারে।’

৯৭ প্রতিবেদক

Read Previous

যেমন হলো দ্যা হান্ড্রেডের ‘৮’ দল

Read Next

শাস্তি পেলেন আম্পায়ারকে গালি দেওয়া নাসির, অপু

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
7
Share