পেসারদেরই কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন রনি

আবু হায়দার রনি
Vinkmag ad

আসন্ন জাতীয় লিগ নিয়ে এবার আলোচনার কমতি নেই। বলা হচ্ছে বেশ কিছু জায়গায় কাঠামো বদলে যাচ্ছে জাতীয় লিগের। বিশেষ করে জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড়দের খেলা ও ফিটনেস নিয়ে বিসিবির শক্ত অবস্থান যোগ করছে বাড়তি মাত্রা। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ তরুণদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে বিশ্বাস পেসার আবু হায়দার রনির।

আবু হায়দার রনি
ফাইল ছবি

আজ (৩ অক্টোবর) মিরপুরে অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের বাঁহাতি এই পেসার জানান, ‘জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা খেলবে,একজন জুনিয়র প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার নতুন নতুন মাত্রই শুরু করলো তারা যখন একজন জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের সাথে খেলবে অবশ্যই তাদের জন্য এটি ভালো ব্যাপার। এছাড়া অন্যান্য বিষয়ও এবারতো দেখলাম সব নতুন করে হচ্ছে আমার মনে হয় খুব ভালো কিছু হবে।’

ঢাকা মেট্রোর হয়ে খেলা ২৩ বছর বয়সী আবু হায়দার রনির এবারের জাতীয় লিগে ব্যক্তিগত লক্ষ্য কী? এছাড়া ভারতের বিপক্ষে সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের জন্য এটি প্রমাণের জায়গা কিনা জানতে চাইলে রনি বলেন, ‘আমরা পেশাদার ক্রিকেটার যেখানেই খেলি পারফর্ম করতে হবে, টিকে থাকতে হলে পারফর্ম করতে হবে। এটা বিসিএল বলেন, এনসিএল, ডিপিএল কিংবা বিপিএল বলেন পারফর্ম করতে হবে, পারফর্ম করলেই সুযোগ আসবে। আমি আসলে এইভাবে চিন্তা করিনা যে আমার এখানেই পারফর্ম করে জাতীয় দলে ঢুকতে হবে। আমার কাজ হচ্ছে পারফর্ম করা, আমি চেষ্টা করি সব জায়গায় পারফর্ম করার আর সুযোগ আসলে কাজে লাগানোর। ‘

সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলে পেসারদের কদর থাকলেও লাল বলে নেই সেরকমটা। দেশের মাঠেতো অনেকসময় একাদশে সুযোগ মেলেনা একজন পেসারেরও। ঘরোয়া ক্রিকেটে লঙ্গার ভার্সনে স্পিন সহায়ক উইকেটই কি তবে এর জন্য দায়ী? পেসার হিসেবে রনি কীভাবে দেখছেন বিষয়টিকে?

‘এটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জের ,যেটা বললেন আমরা হয়তো উইকেটটা আমাদের ফেভারে পাইনা। তবে গত দুই বছরের দিকে তাকালে দেখবেন পেসাররা কিন্তু সেরা পাঁচে থাকছে। শেষ দুইবছর ধরে আমরা কিন্তু উইকেটটা কিছুটা ভালো পাচ্ছি। আমার কাছে মনে হয় কারণ আমি যে কটা ম্যাচ খেলেছি আমাদের উইকেটটা কিন্তু পেস বোলারদের সহায়ক আছে। আমার মনে হয় এবারও উইকেটটা ভালো থাকবে আর পেসাররা খুব ভালো করবে।’

টেস্ট ক্রিকেটে পেসাররা নিজেরাই অবস্থান তৈরি করতে পারেননি উল্লেখ করে রনি আরও যোগ করেন, ‘ আমি মনে করি আমাদের পেস বোলারদেরও কিছু জিনিসের অভাব আছে। আমাদের স্পিন উইকেট হয় সেজন্য হয়তো পেসার কম খেলায়, আমাদেরও দুর্বলতা আছে। আমরা যারা পেস বোলার আছি আমরা কিন্তু অত গতির বোলার না যে ১৪০ এর বেশি গতিতে বল করতে পারি। আমাদের বেশিরভাগই দেখা যায় ১৩০-১৩৫ এর আশেপাশে গতিতে বল করছি। আমাদের যেটা করতে হবে প্রচুর ম্যাচ খেলতে হবে চারদিনের। দেখা যাচ্ছে হাতেগুনা কয়েকজন ছাড়া প্রথম শ্রেণি বা লাল বল খেলতে চায়না। আমরা যারা টেস্ট নিয়ে ভাবি তাদের প্রচুর ম্যাচ খেলতে হবে সাথে বোলিং ফিটনেসে গুরুত্ব দিতে হবে। দেখা যায় বিপ টেস্টে ১২ দিল কিন্তু টানা চার পাঁচ ওভার বল করতে পারছেনা। বোলিং ফিটনেস খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, কীভাবে টানা ৮/৯ ওভার বল করা যায় সেটা চিন্তা করতে হবে এজন্য প্রচুর চারদিনের ম্যাচ খেলা দরকার।’

নাজমুল হাসান তারেক

Read Previous

রানের পাহাড় গড়ে ভারতের ইনিংস ঘোষণা

Read Next

জাতীয় লিগকে পিকনিক বলতে নারাজ ‘কোচ’ তালহা

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Total
16
Share