ব্যর্থরাও সাধুবাদ জানিয়েছেন বিসিবির উদ্যোগকে

বিপ টেস্ট

বিপ টেস্ট, গত কয়েকদিনে ক্রিকেট পাড়ার মূল আলোচনার বিষয়। জাতীয় লিগ খেলতে হলে পেতে হবে অন্তত ১১, আগেরবার যা ছিল ৯। বেশিরভাগ ক্রিকেটার বিশেষ করে সিনিয়র অনেক ঘরোয়া লিগের ক্রিকেটার প্রকাশ করেছিলেন শঙ্কা। শঙ্কাটাই বাস্তবে রুপ নিয়েছে অনেকের জন্য, উতরাতে পারেননি বিপ টেস্ট। নিজেরা ফেল করলেও প্রক্রিয়াটিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ব্যর্থ হওয়া ক্রিকেটাররা, যদিও ফের পরীক্ষা দিয়ে পাশ করার সুযোগ আছে তাদেরও।

সোহাগ গাজী নাইম ইসলাম নাসির হোসেন
ছবিঃ বিসিবি

আজ (১ অক্টোবর) মিরপুর ইনডোরে বিপ টেস্ট হয় জাতীয় লিগের দল ঢাকা বিভাগ, ঢাকা মেট্রো ও রংপুর বিভাগের ক্রিকেটারদের। বেশির ভাগই পাশ মার্ক পেলেও , বিসিবির বেঁধে দেওয়া নম্বর তুলতে পারেননি কয়েকজন। যাদের মধ্যে আছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাক, ইলিয়াস সানি, আরাফাত সানি, মোহাম্মদ শরীফরা। যেখানে আশরাফুলের প্রাপ্ত স্কোর ৯.৭, রাজ্জাকের ৯.৬, ইলিয়াস সানি ১০, মোহাম্মদ শরীফ পেয়েছেন ১০.৭।

নিজে অল্পের জন্য ব্যর্থ হলেও বিসিবির এমন শক্ত অবস্থানের প্রশংসা করেছেন ৩৩ বছর বয়সী পেসার মোহাম্মদ শরীফ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিসিবিকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হয় দেরীতে হলেও এরকম একটা উদ্যোগ নিয়েছে। আজকে যেটা দেখলাম সবাই কিন্তু ১০ এর কাছাকাছি গিয়েছে, ৯.৫, ১০। আগে কিন্তু লেভেলটা এরকম ছিলনা, ৮, ৭ এরকমও কথা শুনেছি আমরা। কিন্তু এখন সবাই নিজেকে নিয়ে কাজ করেছে, প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ভালো ফিটনেসও দরকার। সেক্ষেত্রে আমি বলবো সবাই কিন্তু সবার জায়গা থেকে সর্বোচ্চটা দিচ্ছে যা দিনে দিনে আমাদের ফিটনেসে উন্নতি ঘটাবে।’

কদিন আগে বিপ টেস্ট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গণমাধ্যকে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল বলেছেন যদিও পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা তারা পাননা তবুও তিনি আত্মবিশ্বাসী বিপ টেস্টে তুলতে পারবেন ১১। তবে আজ (১ অক্টোবর) বিপ টেস্টে তুলতে পেরেছেন ৯.৭, নিজে লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারলেও পুরো প্রক্রিয়াকে নিয়েছেন ইতিবাচকভাবে, ‘আমি মনে করি ইতিবাচক কারণ এটাই হওয়া উচিত। আমরা যারা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলছি , যদি এই প্রক্রিয়াটা না থাকতো আজকে কিন্তু বেশিরভাগ ছেলেরাই ১০.৫, ১১ দিয়েছে এটা হয়ততো হতনা। গতবছর যেটা দিয়েছে ৯ , সবাই ৯ দিয়েই ছেড়ে দিত । এবার ১১ বলে বেশিরভাগ ক্রিকেটারই ১১ দেওয়ার চেষ্টা করেছে, এটা থাকা ভালো।’

আশরাফুল, রাজ্জাকরা ব্যর্থ হলেও রংপুর বিভাগের ২১ বছর বয়সী তরুণ অফ স্পিনার সঞ্জিত সাহা ১১.১ পেয়ে উতরে গেছেন বিপ টেস্ট। সাধুবাদ জানিয়েছেন বিসিবির উদ্যোগকে, ‘অবশ্যই বিসিবির ভালো একটি উদ্যোগ এটি কারণ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ও লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেটে ফিটনেস অনেক গুরুত্বপূর্ন। বেশিরভাগই ভালো করেছে, মুলত এটা নিয়ে ক্রিকেটাররা অনেক উত্তেজনার মধ্যেও ছিল।’

নাজমুল হাসান তারেক

Read Previous

শ্রীলঙ্কায় ড্র হওয়া ম্যাচে মিরাজ-মিঠুনের অলরাউন্ড নৈপুণ্য

Read Next

কোলকাতায় এবারের আইপিএল নিলাম, দিনক্ষণ চূড়ান্ত

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
0
Share