পারলেন না তুষার, পেরেছেন কাপালি

তুষার ইমরান অলক কাপালি

জাতীয় লিগের খেলা শুরু হচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর থেকে। এর আগে আলোচনায় ‘বিপ টেস্ট। যেখানে এবার জাতীয় লিগে খেলার জন্য মানদণ্ড দিয়ে রেখেছে বিসিবি, আর সেটা ১১। এই বিপ টেস্ট পরীক্ষায় উতরে যেতে ব্যর্থ হয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল, আব্দুর রাজ্জাক, নাসির হোসেন, তুষার ইমরানরা। 

আব্দুর রাজ্জাক মোহাম্মদ আশরাফুল

বিপ টেস্টে উতরে যাবার ক্ষেত্রে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন আশরাফুল। গত ২৬ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘বিপ টেস্ট নিয়ে যেটা বললেন, মূলত যে মানদন্ডটা দেওয়া হয়েছে। আগের বার ৯ ছিল এবার ১১, এটা নিয়ে আমরা যারা ঘরোয়া খেলি তাদের মধ্যে আলোচনাও হচ্ছে যে ১১ কীভাবে। আসলে আমরা যদি যথাযথ সুযোগ সুবিধা অফ সিজনেও পেতাম আমার মনে হয়না ১১ দেওয়াটা কোন ব্যাপার, গত বছর আমিও ১১.৪ দিয়েছি। যারা জাতীয় দল কিংবা এইচিপি তে জায়গা পাইনা তাদের জন্য আসলে একা একা অনুশীলন খুব কষ্টকর।’

তবে আজ মিরপুরের ইনডোরে হতে থাকা বিপ টেস্টে মোহাম্মদ আশরাফুলের পাওয়া পয়েন্ট ৯.৭। ১১ ছুতে পারেননি আব্দুর রাজ্জাকও। আশরাফুলের চেয়ে কিঞ্চিৎ পিছিয়ে আছেন তিনি, পেয়েছেন ৯.৬। লেগস্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন উতরে গেছেন, পেয়েছেন ১১.২।

জুবায়ের হোসেন লিখন
ছবিঃ ক্রিকেট৯৭

ব্যর্থদের তালিকাতে নাম লিখিয়েছেন নাসির হোসেনও। বিপ টেস্টে তিনি পেয়েছেন ৯.৭। অল্পের জন্য পাশ মার্ক পাননি মোহাম্মদ শরীফ, আটকে গেছেন ১০.৭ এ। নিজ নিজ বিভাগে বিপ টেস্ট দেওয়া তুষার ইমরান ও অলক কাপালি পেয়েছেন যথাক্রমে ৮ ও ১২। তুষার ইমরান না পারলেও উতরে যেতে পেরেছেন অলক কাপালি। ব্যর্থ হওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে ইলিয়াস সানি পেয়েছেন ১০, নাদিফ চৌধুরী ১০.৪।

পাশ করাদের মধ্যে তরুণ পেসার মানিক খান পেয়েছেন ১২.৮, সঞ্জিত সাহা পেয়েছেন ১১.১।

যদিও আরেক দফা নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পাবেন ব্যর্থ হওয়া ক্রিকেটাররা। আশরাফুল-রাজ্জাকরা আবার ৮ অক্টোবর দেবেন বিপ টেস্ট।

বিপ টেস্টটা আসলে কী? ‘মূলত ব্যাট, বল বা প্যাড নিয়ে ক্রিকেটারদের দম বিচার করাই বিপ টেস্টের কাজ। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জানা যায় কি পরিমাণ অক্সিজেন একজন ক্রিকেটার নিতে পারে, যা ক্রিকেটারদের প্রাণশক্তির নির্ণায়ক হতে পারে।’

যা মূলত, ফিটনেস ক্যাম্পে ২০ মিটারের শাটল রানিংয়ের মাধ্যমে নির্ণায়ক করা হয় একেকজন ক্রিকেটারের বিপ টেস্টের ফলাফল।

বিপ টেস্টে এবার বেশ কঠোর অবস্থানে বিসিবি। নির্বাচকদের হয়ে হাবিবুল বাশার অবশ্য জানিয়েছেন পারফর্মারদের ক্ষেত্রে শিথিল করা হতে পারে মানদণ্ড। গতকাল সাংবাদিকদের বাশার বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি যারা পেশাদার ক্রিকেটার তাদের সবারই এটা মানা উচিত। তবে যারা নিয়মিত পারফর্মার, আমি বয়স উল্লেখ করবনা। তারা যদি বেধে দেওয়া মানদন্ড অতিক্রম করতে না পারে তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিল করা হবে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে একদম খারাপ করলেও আমরা নিবো, আপনাকে একটা নূন্যতম মান বজায় রাখতে হবে। আমি স্কোর কত হলে বিবেচনায় নিবো সেটা বলবনা, অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছিনা ৯, ১০ কিংবা ১০.৫ পেলেই নিচ্ছি কিনা।’

Shihab Ahsan Khan

Shihab Ahsan Khan, Editorial Writer- Cricket97

Read Previous

নতুন সাকিব-তামিম তৈরিতে ‘ফাহিম স্যার’ এর নির্দেশনা

Read Next

টেস্ট দল থেকে বাদই পড়লেন রিশাব পান্ট

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
0
Share